
সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদের সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউস এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর। আজ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকারের আদালতে হাজির হয়ে শুনানিতে অংশ নেন তাঁরা।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. আব্দুল হোসেন বলেন, ‘আদালত আগামী ২১ এপ্রিল যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। এরপরই রায়ের পর্যায়ে যাবে বিচারপ্রক্রিয়া। এই মামলাকে মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে মামলা থেকে নিজেদের অব্যাহতির দাবি জানান আসামিরা।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী এ টি এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ‘মামলায় উপস্থাপিত ৬৭ জন সাক্ষীর কেউই আসামিদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা বলেননি। এ কারণে তাঁরা আশা করছেন, পর্যাপ্ত ও জোরালো প্রমাণের অভাবে আসামিরা খালাস পাবেন। ৩৪২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষ হওয়ায় এখন মামলাটি যুক্তিতর্কের পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণা করবেন।’
আদালতে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনকালে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তাঁদের বক্তব্য, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করে। তাঁরা জানান, শুরুতে দায়ের করা এজাহারে তাঁদের নাম ছিল না। পরবর্তীকালে সম্পূরক অভিযোগপত্রে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
শুনানি শেষে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই মামলায় আমাদের বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষীই অভিযোগ করেননি। শুরুতে এজাহারেও আমাদের নাম ছিল না। পরে সম্পূরক অভিযোগপত্রে আমাদের যুক্ত করা হয়েছে। আজ আমরা ৩৪২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়া শেষ করেছি। আমরা আদালতের প্রতি আস্থা রাখি। ন্যায়বিচার হলে আমরা সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হব।’

সংসদের হুইপ জি কে গউস বলেন, ‘এ মামলার কারণে সাড়ে ২৬ মাস নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কেবল বিএনপি করার কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত এই মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি মামলার বাদীর শাস্তি দাবি করছি।’
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে ২০০৪ সালের ২১ জুন একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে তখন প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ওই ঘটনায় তিনি অল্পের জন্য রক্ষা পান। গ্রেনেড বিস্ফোরণে এক যুবলীগ কর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত ও ২৯ জন আহত হন। ওই ঘটনায় দিরাই থানার উপপরিদর্শক হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। সমাবেশে গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা করেন।
২০২০ সালের ২২ অক্টোবর সুরঞ্জিত সেনের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনার দুটি মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, তৎকালীন সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জি কে গউসসহ ১০ জনকে আসামি করে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় ১২৩ জন সাক্ষী রয়েছেন।

সড়ক সংকুচিত হয়েছে। কোথাও কোথাও যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান সাত দিনের মধ্যে এসব মালামাল সরিয়ে সড়ক উন্মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
৪ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ধাওয়া দিয়ে আনুমানিক ৮ কোটি টাকার ৮ কেজি হেরোইন, ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত বাসটি জব্দ করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
পুলিশ পরিচয়ে প্রেম আর সেই সম্পর্ককে পোক্ত করতে পুলিশের ভুয়া আইডি কার্ডের পরিকল্পনা ছিল নিখুঁত। কিন্তু আস্থা অর্জনের সেই কৌশল শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায়; আইডি বানাতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েন ‘পুলিশ অফিসার’ পরিচয়ধারী যুবক।
২২ মিনিট আগে
জুলাই আন্দোলনে একজন নিহতের ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেন...
৩৯ মিনিট আগে