জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে খাস জমি দখলে সহায়তা করার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজেদুল ইসলাম ও সাবেক ইউএনওসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মুহিতুর রহমান তালুকদার নামের এক আইনজীবী। আজ সোমবার ওই আইনজীবী সুনামগঞ্জের সিনিয়র স্পেশাল জজ ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলা করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিলেট দুনীতি দমন কমিশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে খাস জমি দখলের বিষয়টি জানা নেই বলে দাবি করেছেন ইউএনও সাজেদুল।
মামলায় ছয়জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন জগন্নাথপুরের ইউএনও সাজেদুল ইসলাম, সাবেক ইউএনও মাহফুজুল আলম মাসুম, সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসির আরাফাত, সাবেক সার্ভেয়ার আব্দুল মোনায়েম খাঁন, বর্তমান সার্ভেয়ার মুহিবুর রহমান ও সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা একে এম নাজমুল হুদা খাঁন।
মামলা থেকে জানা গেছে, জগন্নাথপুর পৌর এলাকার হবিবপুর মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানের ১২৫ নম্বর দাগের ২২ শতক পতিত জমি ২০১৪ সালে দখল করেন স্থানীয় বাসিন্দা আলী আকবর, আলকাব আলী, সিজিল মিয়া, রুহিন মিয়া, সুজাত মিয়া, আবু শায়েক ও জামাল মিয়া। ছয় বছর পর এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ওই জমি উচ্ছেদের জন্য ২০২০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) দখলকারীদের সাত দিনের মধ্যে উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দেন।
এদিকে ওই জমি দখলমুক্ত না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে ওই এলাকার বাসিন্দা আইনজীবী মুহিতুর রহমান তালুকদার ২০২১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে ওই জমি দখলমুক্ত করার জন্য লিখিত আবেদন করেন।
মামলার বাদী মুহিতুর জানান, জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হলে তিনি জেলার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে (আরডিসি) ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেন। পরে আরডিসি ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর ইউএনও সাজেদুলকে অবৈধ দখলকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। পরে ইউএনর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সার্ভেয়ার মুহিবুর রহমানের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে বলেন। এ সময় সার্ভেয়ার মুহিবুর দুই লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন। এর প্রতিবাদ করলে ওই সার্ভেয়ার পুলিশের ভয়ভীতি দেখান। একইভাবে অভিযোগ ওঠা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সরকারি আদেশ অমান্য করে ঘুষ দাবি করার কথা মামলায় উল্লেখ করেন তিনি।
এ বিষয়ে ইউএনও সাজেদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি এ উপজেলার আসার পর ওই এলাকায় এমন কিছু হয়নি। জানি না, ওই কর্মকর্তাদের সময়ে এই ঘটনা ঘটতে পারে। জানি না আমার নাম কেন দিয়েছেন। হয়তো পদাধিকার বলে আমার নাম দেওয়া হয়েছে।’
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল আজাদ বলেন, ‘আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিলেট দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিয়েছেন।’

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে খাস জমি দখলে সহায়তা করার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজেদুল ইসলাম ও সাবেক ইউএনওসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মুহিতুর রহমান তালুকদার নামের এক আইনজীবী। আজ সোমবার ওই আইনজীবী সুনামগঞ্জের সিনিয়র স্পেশাল জজ ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলা করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিলেট দুনীতি দমন কমিশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে খাস জমি দখলের বিষয়টি জানা নেই বলে দাবি করেছেন ইউএনও সাজেদুল।
মামলায় ছয়জন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন জগন্নাথপুরের ইউএনও সাজেদুল ইসলাম, সাবেক ইউএনও মাহফুজুল আলম মাসুম, সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসির আরাফাত, সাবেক সার্ভেয়ার আব্দুল মোনায়েম খাঁন, বর্তমান সার্ভেয়ার মুহিবুর রহমান ও সদর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা একে এম নাজমুল হুদা খাঁন।
মামলা থেকে জানা গেছে, জগন্নাথপুর পৌর এলাকার হবিবপুর মৌজার ১ নম্বর খতিয়ানের ১২৫ নম্বর দাগের ২২ শতক পতিত জমি ২০১৪ সালে দখল করেন স্থানীয় বাসিন্দা আলী আকবর, আলকাব আলী, সিজিল মিয়া, রুহিন মিয়া, সুজাত মিয়া, আবু শায়েক ও জামাল মিয়া। ছয় বছর পর এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ওই জমি উচ্ছেদের জন্য ২০২০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) দখলকারীদের সাত দিনের মধ্যে উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দেন।
এদিকে ওই জমি দখলমুক্ত না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে ওই এলাকার বাসিন্দা আইনজীবী মুহিতুর রহমান তালুকদার ২০২১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে ওই জমি দখলমুক্ত করার জন্য লিখিত আবেদন করেন।
মামলার বাদী মুহিতুর জানান, জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হলে তিনি জেলার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টরকে (আরডিসি) ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেন। পরে আরডিসি ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর ইউএনও সাজেদুলকে অবৈধ দখলকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। পরে ইউএনর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সার্ভেয়ার মুহিবুর রহমানের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে বলেন। এ সময় সার্ভেয়ার মুহিবুর দুই লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন। এর প্রতিবাদ করলে ওই সার্ভেয়ার পুলিশের ভয়ভীতি দেখান। একইভাবে অভিযোগ ওঠা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সরকারি আদেশ অমান্য করে ঘুষ দাবি করার কথা মামলায় উল্লেখ করেন তিনি।
এ বিষয়ে ইউএনও সাজেদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি এ উপজেলার আসার পর ওই এলাকায় এমন কিছু হয়নি। জানি না, ওই কর্মকর্তাদের সময়ে এই ঘটনা ঘটতে পারে। জানি না আমার নাম কেন দিয়েছেন। হয়তো পদাধিকার বলে আমার নাম দেওয়া হয়েছে।’
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল আজাদ বলেন, ‘আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিলেট দুর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিয়েছেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে