সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের সীমান্ত এলাকা দিয়ে ৫৫ জনকে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ বুধবার সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে পুশ ইনের পর তাদের আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি জানায়, আজ দুপুরে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধীন নোয়াকোট, কালাইরাগ, শ্রীপুর ও তামাবিল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক পাঁচটি গ্রুপে মোট ৫৫ জনকে পুশ ইন করা হয়। পরে তাদের বিজিবির টহল দল আটক করে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পুশ ইন করা ব্যক্তিরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক, যারা ইতিপূর্বে অবৈধভাবে বিভিন্ন সময়ে ভারতে যায়।
সিলেট জেলার কালাইরাগ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কালাইরাগ থেকে সাতটি পরিবারের মোট ১৯ জনকে পুশ ইন করে বিএসএফ। যাদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, ৯ জন নারী ও পাঁচটি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে নড়াইল জেলার ১৭ জন, কুষ্টিয়া জেলার একজন ও খুলনা জেলার একজন।
আর শ্রীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মোকামপুঞ্জি থেকে ৯টি পরিবারের মোট ১৩ জনকে আটক করা হয়। যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ, আটজন নারী ও তিনটি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে যশোর জেলার পাঁচজন, নড়াইল ও বরিশাল জেলার দুজন করে এবং হবিগঞ্জ নরসিংদী, সিলেট ও সাতক্ষীরা জেলার একজন করে রয়েছে।
তামাবিল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নলজুরি থেকে একই পরিবারের এক পুরুষ ও এক নারীকে আটক করা হয়। যাঁদের বাড়ি যশোর জেলায়।
এদিকে সুনামগঞ্জ জেলার অন্তর্গত নোয়াকোট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ছনবাড়ী থেকে আটটি পরিবারের মোট ২১ জনকে আটক করা হয়। যাদের মধ্যে চারজন পুরুষ, ১৫ জন নারী ও দুটি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলার ৯ জন, যশোর জেলার পাঁচজন, নড়াইল জেলার চারজন ও সিলেট জেলার তিনজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নিমিত্তে নিকটস্থ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সিলেটের সীমান্ত এলাকা দিয়ে ৫৫ জনকে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ বুধবার সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে পুশ ইনের পর তাদের আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি জানায়, আজ দুপুরে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধীন নোয়াকোট, কালাইরাগ, শ্রীপুর ও তামাবিল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বিএসএফ কর্তৃক পাঁচটি গ্রুপে মোট ৫৫ জনকে পুশ ইন করা হয়। পরে তাদের বিজিবির টহল দল আটক করে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পুশ ইন করা ব্যক্তিরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক, যারা ইতিপূর্বে অবৈধভাবে বিভিন্ন সময়ে ভারতে যায়।
সিলেট জেলার কালাইরাগ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার কালাইরাগ থেকে সাতটি পরিবারের মোট ১৯ জনকে পুশ ইন করে বিএসএফ। যাদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, ৯ জন নারী ও পাঁচটি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে নড়াইল জেলার ১৭ জন, কুষ্টিয়া জেলার একজন ও খুলনা জেলার একজন।
আর শ্রীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মোকামপুঞ্জি থেকে ৯টি পরিবারের মোট ১৩ জনকে আটক করা হয়। যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ, আটজন নারী ও তিনটি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে যশোর জেলার পাঁচজন, নড়াইল ও বরিশাল জেলার দুজন করে এবং হবিগঞ্জ নরসিংদী, সিলেট ও সাতক্ষীরা জেলার একজন করে রয়েছে।
তামাবিল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নলজুরি থেকে একই পরিবারের এক পুরুষ ও এক নারীকে আটক করা হয়। যাঁদের বাড়ি যশোর জেলায়।
এদিকে সুনামগঞ্জ জেলার অন্তর্গত নোয়াকোট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ছনবাড়ী থেকে আটটি পরিবারের মোট ২১ জনকে আটক করা হয়। যাদের মধ্যে চারজন পুরুষ, ১৫ জন নারী ও দুটি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলার ৯ জন, যশোর জেলার পাঁচজন, নড়াইল জেলার চারজন ও সিলেট জেলার তিনজন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক জানান, প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নিমিত্তে নিকটস্থ থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে