
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুর ইউনিয়নের উপজেলা বাজারে পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় বাঁশ কাটার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ ৫ বাংলাদেশিকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে রাতে আহত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে পরিবার ও গ্রামবাসী।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আদমপুর ইউনিয়নের উপজেলা বাজার পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিএসএফের হাতে নির্যাতিতরা হলেন, আদমপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাঁঠালকান্দি গ্রামের আলিক মিয়া, হাবিব মিয়া, আহাদ মিয়া, আফজাল ও নজির মিয়া। আহতদের মাঝে আফজাল ও নজির মিয়ার অবস্থা গুরুতর বলে পরিবার সদস্যরা দাবি করেন।
পূর্ব কাঁঠালকান্দি গ্রামের আজাদ মিয়া জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে আদমপুরের উপজেলা বাজারের ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে বাঁশ কাটতে যান তাঁরা। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা পাঁচ বাংলাদেশিকে ধরে বেধড়ক পেটায়। এরপর সন্ধ্যায় তাদরেকে বাংলাদেশের নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় ফেলে যায়। পরে রাতে তাঁদের পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসীরা আহতাবস্থায় তাদের উদ্ধার করে। এরপর তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, আহতদের মাঝে আফজাল ও নজিরের অবস্থা গুরুতর বলে জানা যায়।
এদিকে বুধবার সকালে ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা থেকে ওয়াশিম, সাজু, মোস্তাকিম, আফরোজ. ময়নুল, হারুন, শফিক ও আরিফ নামের ৮ বাংলাদেশিকে বিএসএফ সদস্যরা ধরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ২ ঘণ্টা পর ছেড়ে দিয়েছে। তাঁদের বাড়িও আদমপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাঁঠালকান্দি গ্রামে।
এ বিষয় সম্পর্কে শ্রীমঙ্গলের ৪৬ নম্বর বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক ল্যা. কর্ণেল মিজানুর রহমান সিকদার বলেন, পাহাড়ি নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় বাঁশ কাটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভারতে অংশে বাংলাদেশিরা প্রবেশ করেছিল বলে শুনেছি। তখন বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশিদের ধাওয়া করেছে। কাউকে মারধর করার বা ধরে নেওয়ার মতো কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। তারপরও বিজিবি বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুর ইউনিয়নের উপজেলা বাজারে পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় বাঁশ কাটার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ ৫ বাংলাদেশিকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে রাতে আহত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে পরিবার ও গ্রামবাসী।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আদমপুর ইউনিয়নের উপজেলা বাজার পাহাড়ি সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিএসএফের হাতে নির্যাতিতরা হলেন, আদমপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাঁঠালকান্দি গ্রামের আলিক মিয়া, হাবিব মিয়া, আহাদ মিয়া, আফজাল ও নজির মিয়া। আহতদের মাঝে আফজাল ও নজির মিয়ার অবস্থা গুরুতর বলে পরিবার সদস্যরা দাবি করেন।
পূর্ব কাঁঠালকান্দি গ্রামের আজাদ মিয়া জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে আদমপুরের উপজেলা বাজারের ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে বাঁশ কাটতে যান তাঁরা। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা পাঁচ বাংলাদেশিকে ধরে বেধড়ক পেটায়। এরপর সন্ধ্যায় তাদরেকে বাংলাদেশের নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় ফেলে যায়। পরে রাতে তাঁদের পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসীরা আহতাবস্থায় তাদের উদ্ধার করে। এরপর তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, আহতদের মাঝে আফজাল ও নজিরের অবস্থা গুরুতর বলে জানা যায়।
এদিকে বুধবার সকালে ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা থেকে ওয়াশিম, সাজু, মোস্তাকিম, আফরোজ. ময়নুল, হারুন, শফিক ও আরিফ নামের ৮ বাংলাদেশিকে বিএসএফ সদস্যরা ধরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ২ ঘণ্টা পর ছেড়ে দিয়েছে। তাঁদের বাড়িও আদমপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাঁঠালকান্দি গ্রামে।
এ বিষয় সম্পর্কে শ্রীমঙ্গলের ৪৬ নম্বর বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক ল্যা. কর্ণেল মিজানুর রহমান সিকদার বলেন, পাহাড়ি নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় বাঁশ কাটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভারতে অংশে বাংলাদেশিরা প্রবেশ করেছিল বলে শুনেছি। তখন বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশিদের ধাওয়া করেছে। কাউকে মারধর করার বা ধরে নেওয়ার মতো কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। তারপরও বিজিবি বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
১ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
৫ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৬ মিনিট আগে
সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
২৮ মিনিট আগে