সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট জেলা বিএনপির কাউন্সিলে সভাপতি পদ থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর কুমারপাড়ায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন তিনি। আরিফের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, বিএনপির হাইকমান্ডের নির্দেশনায় তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র আরিফ বলেন, ‘দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনার আলোকে আমি আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলাম। আমি দলের স্বার্থে আজীবন কাজ করে যেতে চাই। আমার অতীত ভালোমন্দ আপনাদের ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়েই। সর্বোপরি সিলেটের সকল পর্যায়ের জনতাকে সাথি করেই অতিক্রম করেছি সকল ক্রান্তিলগ্ন। তাই আজ এবং ভবিষ্যতেও এর ব্যতিক্রম হবে না।’
আরিফ বলেন, ‘বিএনপি দেশের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। সেই দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে আমার কাছে নীতিনির্ধারণী বহুজাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় একজন ব্যক্তির চেয়ে অবশ্যম্ভাবীভাবে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আদর্শিক চেতনার নেতা প্রেসিডেন্ট জিয়া বলে গেছেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ। তাই সেই মতের সিপাহি হয়ে এর বাইরে আমার এক কদমও নেই এবং চলতে পারে না। এমতাবস্থায় দলের হাইকমান্ড মনে করেছে একজন মেয়র হয়ে সিলেটের যে প্রভুত উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আপনাদের সহযোগিতায় নগরবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী পরিশ্রম করার চেষ্টা করছি, সেই লক্ষ্যে আরও মনোনিবেশ করে আগামীতে দলের স্বার্থে বড় কোনো কাজের জন্য প্রস্তুত থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
সিসিক মেয়র বলেন, ‘বিএনপি আমাকে অনেক দিয়েছে, একজন ছাত্রদল কর্মী থেকে আজকের মেয়র আরিফ। আমি কখনো ভুলে যাই না, দু-দুবার মেয়র হতে ভোটের লড়াইয়ে আমার প্রিয় নেতা-কর্মী এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কী মরণপণ লড়াই করেছেন এবং সেটি কেবল বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরীর জন্যে করেছেন, শুধু আরিফের জন্যে নয়। গোটা দেশের মানুষ যখন বলে, সিলেটের মেয়র বিএনপির আরিফুল, তখন বাগানে ফুটে বিএনপি নামক ফুল! আমি সেই বাগানের মালি হয়ে আমার সারা রাজনৈতিক জীবন চালিয়ে যেতে দৃঢ়সংকল্পে বলীয়ান।’
আরিফ বলেন, ‘আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার ঘোষণার সাথে সাথে আমার সঙ্গে পথচলা সকল নেতা-কর্মী তথা বিএনপির প্রাণ সিলেট জেলার প্রত্যেক তৃণমূল নেতা-কর্মীর বুকে ঠাঁই পাওয়া নিঃসঙ্কোচে স্বীকার করছি, জানান দিচ্ছি, আমি আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত, আপ্লুত। মাত্র এক সপ্তাহে পথে পথে, রাতের গভীরে, উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে যে অভূতপূর্ব মমতার নিদর্শন আপনারা দেখিয়েছেন, তাতে আমি বিমুগ্ধ এবং আমার পরিবার আজীবন কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ। এই ভালাবাসার প্রতিদান নেই, হতে পারে না। তথাপি এর উত্তরে আমার বার্তা হলো বিএনপি ছাড়া আমার কোনো রাজনৈতিক দল নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ক্ষুদ্র ঋণদানবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মকন মিয়াসহ মেয়র আরিফের ঘনিষ্ঠ ও দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সিলেট জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল। কিন্তু কাউন্সিলের ভোটার তালিকা নিয়ে ও কয়েকটি উপজেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ২৪ ঘণ্টা আগেই কেন্দ্র থেকে স্থগিত করা হয় এই আয়োজন।

সিলেট জেলা বিএনপির কাউন্সিলে সভাপতি পদ থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর কুমারপাড়ায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন তিনি। আরিফের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, বিএনপির হাইকমান্ডের নির্দেশনায় তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র আরিফ বলেন, ‘দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনার আলোকে আমি আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলাম। আমি দলের স্বার্থে আজীবন কাজ করে যেতে চাই। আমার অতীত ভালোমন্দ আপনাদের ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়েই। সর্বোপরি সিলেটের সকল পর্যায়ের জনতাকে সাথি করেই অতিক্রম করেছি সকল ক্রান্তিলগ্ন। তাই আজ এবং ভবিষ্যতেও এর ব্যতিক্রম হবে না।’
আরিফ বলেন, ‘বিএনপি দেশের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। সেই দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে আমার কাছে নীতিনির্ধারণী বহুজাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় একজন ব্যক্তির চেয়ে অবশ্যম্ভাবীভাবে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আদর্শিক চেতনার নেতা প্রেসিডেন্ট জিয়া বলে গেছেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ। তাই সেই মতের সিপাহি হয়ে এর বাইরে আমার এক কদমও নেই এবং চলতে পারে না। এমতাবস্থায় দলের হাইকমান্ড মনে করেছে একজন মেয়র হয়ে সিলেটের যে প্রভুত উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আপনাদের সহযোগিতায় নগরবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী পরিশ্রম করার চেষ্টা করছি, সেই লক্ষ্যে আরও মনোনিবেশ করে আগামীতে দলের স্বার্থে বড় কোনো কাজের জন্য প্রস্তুত থাকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
সিসিক মেয়র বলেন, ‘বিএনপি আমাকে অনেক দিয়েছে, একজন ছাত্রদল কর্মী থেকে আজকের মেয়র আরিফ। আমি কখনো ভুলে যাই না, দু-দুবার মেয়র হতে ভোটের লড়াইয়ে আমার প্রিয় নেতা-কর্মী এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কী মরণপণ লড়াই করেছেন এবং সেটি কেবল বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরীর জন্যে করেছেন, শুধু আরিফের জন্যে নয়। গোটা দেশের মানুষ যখন বলে, সিলেটের মেয়র বিএনপির আরিফুল, তখন বাগানে ফুটে বিএনপি নামক ফুল! আমি সেই বাগানের মালি হয়ে আমার সারা রাজনৈতিক জীবন চালিয়ে যেতে দৃঢ়সংকল্পে বলীয়ান।’
আরিফ বলেন, ‘আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার ঘোষণার সাথে সাথে আমার সঙ্গে পথচলা সকল নেতা-কর্মী তথা বিএনপির প্রাণ সিলেট জেলার প্রত্যেক তৃণমূল নেতা-কর্মীর বুকে ঠাঁই পাওয়া নিঃসঙ্কোচে স্বীকার করছি, জানান দিচ্ছি, আমি আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত, আপ্লুত। মাত্র এক সপ্তাহে পথে পথে, রাতের গভীরে, উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে যে অভূতপূর্ব মমতার নিদর্শন আপনারা দেখিয়েছেন, তাতে আমি বিমুগ্ধ এবং আমার পরিবার আজীবন কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ। এই ভালাবাসার প্রতিদান নেই, হতে পারে না। তথাপি এর উত্তরে আমার বার্তা হলো বিএনপি ছাড়া আমার কোনো রাজনৈতিক দল নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ক্ষুদ্র ঋণদানবিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মকন মিয়াসহ মেয়র আরিফের ঘনিষ্ঠ ও দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সিলেট জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল। কিন্তু কাউন্সিলের ভোটার তালিকা নিয়ে ও কয়েকটি উপজেলা কমিটি গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ২৪ ঘণ্টা আগেই কেন্দ্র থেকে স্থগিত করা হয় এই আয়োজন।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে তালুকদার ও খান পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
২১ মিনিট আগে
গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ট্রাকচাপায় তাজুল ইসলাম (৪৭) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের সবুজপাড়া এলাকায় কুমিল্লা-মিরপুর সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
সোমবার রাতে নবাবপুর মার্কেট থেকে কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন ইব্রাহিম। জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় আসার পর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। খবর পেয়ে রাস্তা থেকে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে