
ভারতের উত্তরপূর্বালীয় রাজ্য মণিপুরে গত ৩ মে থেকে চলা সহিংসতায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দাবিতে শান্তি সমাবেশ করেছেন বাংলাদেশের মণিপুরিরা।
আজ শুক্রবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সের হল রুমে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশের শুরুতেই মণিপুর রাজ্যে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে মণিপুরে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অশান্তির অবসান ঘটিয়ে পূর্ণ শান্তি ও দ্রুত আগের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ প্রতিষ্ঠার জন্য জোর দাবি জানানো হয়।
মণিপুরি কমিউনিটি নেতা এল ইবুংহাল শ্যামলের সভাপতিত্বে ও অয়েকমপ অঞ্জুর সঞ্চালনায় সমাবেশে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন—বাংলাদেশ মণিপুরি সাহিত্য সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কবি এ কে শেরাম, কমলগঞ্জ শাখার সভাপতি মাইবাম বীরেন্দ্র, মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সের সভাপতি এল জয়ন্ত, শিক্ষিকা বৃন্দারানী সিনহা, থোঙাম প্রহল্লাদ, এল প্রসেনজিৎ, সোরাইজাম উৎপল, অশোক অঙোম, হাওবম সুধীর, থাংজম সুখ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের মণিপুর রাজ্যে কুকি জনগোষ্ঠীর লোকেরা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর ওপর আক্রমণ করে তাঁদের ঘর-বাড়ি জ্বালানোসহ জানমালের ক্ষতি করে। মণিপুরিরাও একইভাবে আক্রমণ করে। ফলে এই দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়।
বক্তারা আরও বলেন, মণিপুরে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত সরকার প্যারা-মিলিটারি বাহিনী আসাম রাইফেলসসহ কেন্দ্রীয় মিলিটারি বাহিনীও নিয়োগ করে। তারপরও পরিস্থিতি পুরো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনো বিভিন্ন স্থানে দাঙ্গা পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং জানমালের ক্ষতি হচ্ছে। মণিপুরে সহিংসতার এ পরিস্থিতিতে যাতে সেখানে পুরোপুরি শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় সে জন্যে আমরা বাংলাদেশের মণিপুরিদের উদ্যোগে সর্বজনীন শান্তি সমাবেশ করছি।

ভারতের উত্তরপূর্বালীয় রাজ্য মণিপুরে গত ৩ মে থেকে চলা সহিংসতায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দাবিতে শান্তি সমাবেশ করেছেন বাংলাদেশের মণিপুরিরা।
আজ শুক্রবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সের হল রুমে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশের শুরুতেই মণিপুর রাজ্যে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে মণিপুরে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও অশান্তির অবসান ঘটিয়ে পূর্ণ শান্তি ও দ্রুত আগের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ প্রতিষ্ঠার জন্য জোর দাবি জানানো হয়।
মণিপুরি কমিউনিটি নেতা এল ইবুংহাল শ্যামলের সভাপতিত্বে ও অয়েকমপ অঞ্জুর সঞ্চালনায় সমাবেশে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন—বাংলাদেশ মণিপুরি সাহিত্য সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কবি এ কে শেরাম, কমলগঞ্জ শাখার সভাপতি মাইবাম বীরেন্দ্র, মণিপুরি কালচারাল কমপ্লেক্সের সভাপতি এল জয়ন্ত, শিক্ষিকা বৃন্দারানী সিনহা, থোঙাম প্রহল্লাদ, এল প্রসেনজিৎ, সোরাইজাম উৎপল, অশোক অঙোম, হাওবম সুধীর, থাংজম সুখ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের মণিপুর রাজ্যে কুকি জনগোষ্ঠীর লোকেরা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর ওপর আক্রমণ করে তাঁদের ঘর-বাড়ি জ্বালানোসহ জানমালের ক্ষতি করে। মণিপুরিরাও একইভাবে আক্রমণ করে। ফলে এই দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়।
বক্তারা আরও বলেন, মণিপুরে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত সরকার প্যারা-মিলিটারি বাহিনী আসাম রাইফেলসসহ কেন্দ্রীয় মিলিটারি বাহিনীও নিয়োগ করে। তারপরও পরিস্থিতি পুরো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনো বিভিন্ন স্থানে দাঙ্গা পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং জানমালের ক্ষতি হচ্ছে। মণিপুরে সহিংসতার এ পরিস্থিতিতে যাতে সেখানে পুরোপুরি শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় সে জন্যে আমরা বাংলাদেশের মণিপুরিদের উদ্যোগে সর্বজনীন শান্তি সমাবেশ করছি।

পৌষ সংক্রান্তি ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শেরপুরে ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী ‘মাছের মেলা’ শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত থেকে সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের শেরপুরে কুশিয়ারা নদীর তীরে শতবর্ষী এই মেলা বসেছে। চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।
৪ মিনিট আগে
মাদারীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় দুই নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হন আরও দুজন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাদারীপুরের তাঁতিবাড়ি এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৮ মিনিট আগে
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে তালুকদার ও খান পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
৩৯ মিনিট আগে
গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে