জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি

সিলেটের জৈন্তাপুরে নিহত চার ছাত্রলীগ নেতার চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনায় জেলা প্রশাসকের গঠিত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আজ রোববার কমিটির সদস্যরা সারা দিন বিভিন্ন ব্যক্তি, ডাক্তার, উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে পৃথক পৃথকভাবে ঘটনার বিবরণ শোনেন।
তদন্ত কমিটির সদস্য অতিরিক্ত সচিব এনামুল হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো আমি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। গঠিত তদন্ত টিম ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দেবেন।’ এ সময় তিনি যে কোনো পরিস্থিতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে চার আরোহী নিয়ে জৈন্তাপুর থেকে একটি প্রাইভেট কার তামাবিল স্থলবন্দরের দিকে যাচ্ছিল। পথে ৪ নম্বর বাংলাবাজার এলাকায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে যায়।
স্থানীরা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাকি দুজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারা মারা যান।
এ ঘটনায় ওই রাতে চিকিৎসকের অবহেলা ও সময়মতো অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতরা হলেন–উপজেলার নিজপাট লামাপাড়া গ্রামের জহুরুল মিয়ার ছেলে জুবায়ের আহসান (২৬), রনদিপ পালের ছেলে নিহাল পাল (২৫), আরজু মিয়ার ছেলে মেহেদী হোসেন তমাল (২৪) ও হারুন মিয়ার ছেলে সুমন আহমদ (২৫)।
তদন্ত ও পরিদর্শক দলে ছিলেন–অতিরিক্ত সচিব স্বাস্থ্য বিভাগ (নাসিং ও মিডওয়াইফারি অনুবিভাগ) এনামুল হাবিব, ডাইরেক্টর জেনারেল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর উপপরিচালক প্রশাসন-২ ডা. মো. বদ্দিউজ্জামান, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান, অ্যাডিশনাল এসপি (ট্রাফিক) রফিকুল ইসলাম, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য সিলেট বিভাগ, ডা. মো. হারুন অর রশিদ, অ্যাডিশনাল এসপি (অ্যাডমিন–অর্থ) মাহফুজা আক্তার শিমুল ও জৈন্তাপুর কানাইঘাট সার্কেল (এএসপি) অলক কান্তি শর্মা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের তদন্ত আজ থেকে শুরু হয়েছে, পরবর্তীতে জানানো হবে।’

সিলেটের জৈন্তাপুরে নিহত চার ছাত্রলীগ নেতার চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনায় জেলা প্রশাসকের গঠিত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আজ রোববার কমিটির সদস্যরা সারা দিন বিভিন্ন ব্যক্তি, ডাক্তার, উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে পৃথক পৃথকভাবে ঘটনার বিবরণ শোনেন।
তদন্ত কমিটির সদস্য অতিরিক্ত সচিব এনামুল হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো আমি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। গঠিত তদন্ত টিম ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দেবেন।’ এ সময় তিনি যে কোনো পরিস্থিতিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা কার্যক্রম চালু রাখার নির্দেশ দেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে চার আরোহী নিয়ে জৈন্তাপুর থেকে একটি প্রাইভেট কার তামাবিল স্থলবন্দরের দিকে যাচ্ছিল। পথে ৪ নম্বর বাংলাবাজার এলাকায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে যায়।
স্থানীরা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাকি দুজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারা মারা যান।
এ ঘটনায় ওই রাতে চিকিৎসকের অবহেলা ও সময়মতো অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতরা হলেন–উপজেলার নিজপাট লামাপাড়া গ্রামের জহুরুল মিয়ার ছেলে জুবায়ের আহসান (২৬), রনদিপ পালের ছেলে নিহাল পাল (২৫), আরজু মিয়ার ছেলে মেহেদী হোসেন তমাল (২৪) ও হারুন মিয়ার ছেলে সুমন আহমদ (২৫)।
তদন্ত ও পরিদর্শক দলে ছিলেন–অতিরিক্ত সচিব স্বাস্থ্য বিভাগ (নাসিং ও মিডওয়াইফারি অনুবিভাগ) এনামুল হাবিব, ডাইরেক্টর জেনারেল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর উপপরিচালক প্রশাসন-২ ডা. মো. বদ্দিউজ্জামান, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান, অ্যাডিশনাল এসপি (ট্রাফিক) রফিকুল ইসলাম, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত, বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য সিলেট বিভাগ, ডা. মো. হারুন অর রশিদ, অ্যাডিশনাল এসপি (অ্যাডমিন–অর্থ) মাহফুজা আক্তার শিমুল ও জৈন্তাপুর কানাইঘাট সার্কেল (এএসপি) অলক কান্তি শর্মা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের তদন্ত আজ থেকে শুরু হয়েছে, পরবর্তীতে জানানো হবে।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে