রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট)

রমজান শুরুর পর থেকে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যটকশূন্য। এ সময়ে অলস সময় পার করেন পর্যটন কেন্দ্রগুলোর ব্যবসায়ীরা। ঈদ সামনে রেখে সাজানো হচ্ছে হোটেল, রিসোর্ট, দোকানপাটগুলো। ঈদ ঘিরে হোটেল, রিসোর্টগুলো অগ্রিম বুকিং হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ঈদে ভালো ব্যবসা হবে।
বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা সিলেটের নাম শুনলেই পাহাড়, টিলাবেষ্টিত চা-বাগান, সাদা পাথর, জাফলংয়ে স্বচ্ছ পানির ঝরনা আর রাতারগুলের সোয়াম ফরেস্ট চোখে ভেসে ওঠে। এ ছাড়া রাতারগুলের নয়নাভিরাম প্রকৃতি আর নীল জলের নদ লালাখাল তো রয়েছেই। জাফলং, সাদা পাথর, বিছানাকান্দি, রাতারগুল, পান্তুমাই, চা-বাগান, বিভিন্ন পাহাড়, ঝরনা স্পটে বছরজুড়ে পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। তবে পর্যটন কেন্দ্রগুলো বর্ষা মৌসুমে স্বরূপে ফিরে আসে। মেলে ধরে নিজেদের সৌন্দর্য। এ ছাড়া শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.) মাজারেও পর্যটকের ভিড় জমে।
জৈন্তা জাফলং ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন হোটেলে ৪০ থেকে ৬০ ভাগ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। এ ছাড়া রিসোর্টগুলোর প্রায় অর্ধেক বুকিং করে রাখা হয়েছে। হোটেল-রিসোর্ট আগাম বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ঈদের ছুটিতে পর্যটকেরা ঘুরতে এসে যাতে হয়রানি বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার না হন, এ জন্য নেওয়া হয়েছে নজরদারির ব্যবস্থা। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলা পুলিশ ইতিমধ্যে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র ও জনসমাগম কেন্দ্র চিহ্নিত করেছে। এসব কেন্দ্রে টুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হবে। এ ছাড়া সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা পুলিশ নিযুক্ত থাকবে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।
কোম্পানীগঞ্জ সাদা পাথরে দীর্ঘদিন ধরে নৌকায় মানুষ পারাপার করা মাঝি আশিক বলেন, ‘রমজানের আগে সারা বছরই পর্যটক আসে। রমজান মাসে পর্যটকেরা খুব একটা আসেন না। আশা করি, এবার অনেক পর্যটক আসবেন। আমরাও প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’
জাফলংয়ের ব্যবসায়ী ইলিয়াস উদ্দিন লিপু বলেন, ‘রমজান আসার পর থেকে ব্যবসায় ভাটা চলছে। সারা বছর ঈদ উৎসবের অপেক্ষায় থাকেন ব্যবসায়ীরা। আশা করি, পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আমাদের ব্যবসা ভালো হবে। প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা পর্যটকদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে।’
জৈন্তা হিলস রিসোর্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তোফায়েল আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার রিসোর্টে ৩০টি রুম রয়েছে। এর মধ্যে কাপল ১৬টি ও ডবল বা ফ্যামিলি রুম আছে ১৪টি ৷ ইতিমধ্যে ১৭টির মতো রুম অগ্রিম বুকিং হয়েছে। তবে তা গত দুই ঈদের তুলনায় কম। বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে ভ্রমণের সংখ্যাটা কম দেখা যাচ্ছে। আমরা ঈদে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য স্পেশাল ছাড় দিচ্ছি।’
এ বিষয়ে জাফলং জোন টুরিস্ট পুলিশ ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ বলেন, ‘জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ এসে পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা তৎপর রয়েছি।’
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালিক রুমাইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বছরজুড়েই আমাদের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকেরা এসে থাকে। পর্যটক স্পটগুলোতে টুরিস্ট পুলিশ, বিজিবি, স্থানীয় প্রশাসন তদারকি করছে। কেউ সমস্যায় পড়লে স্থানীয় প্রশাসনকে জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
থাকার ব্যবস্থা
জাফলংয়ে বেশ কয়েকটি উন্নতমানের সরকারি-বেসরকারি হোটেল রয়েছে। হোটেল বা রিসোর্টে কাপলদের জন্য এসি রুম ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা, আর নন এসি রুম দেড় হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা। ডবল বা ফ্যামিলি থাকার জন্য এসি রুম সাড়ে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার, আর নন ২ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে।
যাতায়াত
সিলেট থেকে জাফলংয়ে যাতায়াতের জন্য বাস মিনিবাস, মাইক্রোবাস, লেগুনা, ক্যারিক্যাপ, অটোরিকশা ইত্যাদি ভাড়ায় ও রিজার্ভ পাওয়া যায়। এ ছাড়া লোকাল বাসে সিলেট থেকে জাফলং জনপ্রতি ভাড়া ১১০ টাকা, স্পেশাল গেট লক ১৫০ টাকা, লেগুনা ভাড়া ৭০-১০০ টাকা, আর রিজার্ভ অটোরিকশা ভাড়া ১ থেকে দেড় হাজার টাকা। আর রিটার্নসহ দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকায় সারা দিনের জন্যও ভাড়া পাওয়া যায়।

রমজান শুরুর পর থেকে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যটকশূন্য। এ সময়ে অলস সময় পার করেন পর্যটন কেন্দ্রগুলোর ব্যবসায়ীরা। ঈদ সামনে রেখে সাজানো হচ্ছে হোটেল, রিসোর্ট, দোকানপাটগুলো। ঈদ ঘিরে হোটেল, রিসোর্টগুলো অগ্রিম বুকিং হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ঈদে ভালো ব্যবসা হবে।
বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা সিলেটের নাম শুনলেই পাহাড়, টিলাবেষ্টিত চা-বাগান, সাদা পাথর, জাফলংয়ে স্বচ্ছ পানির ঝরনা আর রাতারগুলের সোয়াম ফরেস্ট চোখে ভেসে ওঠে। এ ছাড়া রাতারগুলের নয়নাভিরাম প্রকৃতি আর নীল জলের নদ লালাখাল তো রয়েছেই। জাফলং, সাদা পাথর, বিছানাকান্দি, রাতারগুল, পান্তুমাই, চা-বাগান, বিভিন্ন পাহাড়, ঝরনা স্পটে বছরজুড়ে পর্যটকের ভিড় লেগে থাকে। তবে পর্যটন কেন্দ্রগুলো বর্ষা মৌসুমে স্বরূপে ফিরে আসে। মেলে ধরে নিজেদের সৌন্দর্য। এ ছাড়া শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.) মাজারেও পর্যটকের ভিড় জমে।
জৈন্তা জাফলং ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন হোটেলে ৪০ থেকে ৬০ ভাগ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। এ ছাড়া রিসোর্টগুলোর প্রায় অর্ধেক বুকিং করে রাখা হয়েছে। হোটেল-রিসোর্ট আগাম বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। ঈদের ছুটিতে পর্যটকেরা ঘুরতে এসে যাতে হয়রানি বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার না হন, এ জন্য নেওয়া হয়েছে নজরদারির ব্যবস্থা। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলা পুলিশ ইতিমধ্যে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্র ও জনসমাগম কেন্দ্র চিহ্নিত করেছে। এসব কেন্দ্রে টুরিস্ট পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হবে। এ ছাড়া সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা পুলিশ নিযুক্ত থাকবে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।
কোম্পানীগঞ্জ সাদা পাথরে দীর্ঘদিন ধরে নৌকায় মানুষ পারাপার করা মাঝি আশিক বলেন, ‘রমজানের আগে সারা বছরই পর্যটক আসে। রমজান মাসে পর্যটকেরা খুব একটা আসেন না। আশা করি, এবার অনেক পর্যটক আসবেন। আমরাও প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’
জাফলংয়ের ব্যবসায়ী ইলিয়াস উদ্দিন লিপু বলেন, ‘রমজান আসার পর থেকে ব্যবসায় ভাটা চলছে। সারা বছর ঈদ উৎসবের অপেক্ষায় থাকেন ব্যবসায়ীরা। আশা করি, পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আমাদের ব্যবসা ভালো হবে। প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা পর্যটকদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে।’
জৈন্তা হিলস রিসোর্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তোফায়েল আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার রিসোর্টে ৩০টি রুম রয়েছে। এর মধ্যে কাপল ১৬টি ও ডবল বা ফ্যামিলি রুম আছে ১৪টি ৷ ইতিমধ্যে ১৭টির মতো রুম অগ্রিম বুকিং হয়েছে। তবে তা গত দুই ঈদের তুলনায় কম। বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে ভ্রমণের সংখ্যাটা কম দেখা যাচ্ছে। আমরা ঈদে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য স্পেশাল ছাড় দিচ্ছি।’
এ বিষয়ে জাফলং জোন টুরিস্ট পুলিশ ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ বলেন, ‘জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ এসে পর্যটকেরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে জন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা তৎপর রয়েছি।’
এ বিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালিক রুমাইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বছরজুড়েই আমাদের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকেরা এসে থাকে। পর্যটক স্পটগুলোতে টুরিস্ট পুলিশ, বিজিবি, স্থানীয় প্রশাসন তদারকি করছে। কেউ সমস্যায় পড়লে স্থানীয় প্রশাসনকে জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
থাকার ব্যবস্থা
জাফলংয়ে বেশ কয়েকটি উন্নতমানের সরকারি-বেসরকারি হোটেল রয়েছে। হোটেল বা রিসোর্টে কাপলদের জন্য এসি রুম ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা, আর নন এসি রুম দেড় হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা। ডবল বা ফ্যামিলি থাকার জন্য এসি রুম সাড়ে ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার, আর নন ২ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে।
যাতায়াত
সিলেট থেকে জাফলংয়ে যাতায়াতের জন্য বাস মিনিবাস, মাইক্রোবাস, লেগুনা, ক্যারিক্যাপ, অটোরিকশা ইত্যাদি ভাড়ায় ও রিজার্ভ পাওয়া যায়। এ ছাড়া লোকাল বাসে সিলেট থেকে জাফলং জনপ্রতি ভাড়া ১১০ টাকা, স্পেশাল গেট লক ১৫০ টাকা, লেগুনা ভাড়া ৭০-১০০ টাকা, আর রিজার্ভ অটোরিকশা ভাড়া ১ থেকে দেড় হাজার টাকা। আর রিটার্নসহ দেড় হাজার থেকে ২ হাজার টাকায় সারা দিনের জন্যও ভাড়া পাওয়া যায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে