সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় রিকশার যাত্রী সিতারা বেগম (৮০) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমার রশিদপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সিতারা বেগম দক্ষিণ সুরমার নাজিরবাজার এলাকার এবদালপুর গ্রামের মৃত কটু মিয়ার স্ত্রী।
জানা গেছে, সিতারা বেগম তার মেয়ে হাজেরা বেগমকে নিয়ে একটি কাজে রশিদপুর বাজারে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি রিকশাযোগে তারা বাড়ি ফেরার পথে বাজারেই ঢাকাগামী একটি গাড়ি তাদের রিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিতারা বেগম মারা যান। এ ঘটনায় সিতারা বেগমের মেয়ে হাজেরা বেগম গুরুতর আহত হন এবং রিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। তবে অজ্ঞাত গাড়িকে শনাক্ত করা যায়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মহানগর পুলিশের দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন বলেন, ঘাতক গাড়ি শনাক্তে আমরা কাজ করছি। এদিকে, লাশটি ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফন করতে নিহতের স্বজনরা আবেদন করেছেন। পরে জেলা প্রশাসনের আদেশ-সাপেক্ষে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে