নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের লাঞ্ছিত করে হামলার চেষ্টা ও হাসপাতালে ভাঙচুরের প্রতিবাদে এই কর্মবিরতির ডাক দেন চিকিৎসকেরা।
আজ সোমবার রাতে কর্মবিরতি ঘোষণার পরপরই হাসপাতালের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। এতে ব্যাহত হচ্ছে সেবা কার্যক্রম। তবে হাসপাতালের পরিচালকের দাবি, আপাতত ইন্টার্নদের ছাড়াও চলবে। চিকিৎসাসেবায় ব্যাঘাত ঘটবে না।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজারের শ্রীরামপুরের শাহাব উদ্দিন (৭০) নামে এক রোগী মারা যান। তিনি গতকাল রোববার রাতে স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর মৃত্যুর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সদের লাঞ্ছিত করে হামলার চেষ্টা করেন স্বজনেরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, রোগীর স্বজনেরা ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সদের হেনস্তা করেছেন। এ সময় চিকিৎসকেরা দৌড়ে পাশের ওয়ার্ডে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন। এরপর রোগীর স্বজনেরা ওয়ার্ডের ভেতরে চিকিৎসকের কক্ষে ও নার্সের কক্ষে ভাঙচুর চালান।
ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের নেতা মো. মোস্তাকিম শাফি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। রোগীর স্বজনেরা মৃত্যু মেনে নিতে পারেন না। তাঁরা ডাক্তারদের ওপর হামলা ও হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। এভাবে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়।’
এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ রাতে বৈঠক করে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক দেয় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ। পরিষদের সভাপতি মো. রাকিব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সীমান্ত মজুমদারের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, রোগীর স্বজন নামধারী কতিপয় লোক ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাণ্ডব চালায়। তারা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ক্রমাগত ভীতি প্রদর্শন, হুমকি দেয় এবং শারীরিক হেনস্তা করার চেষ্টা চালায়। এ ছাড়া তারা ডিউটি ডাক্তারের রুম ও নার্সেস স্টেশনে ভাঙচুর করে।
এ ঘটনা প্রমাণ করে হাসপাতালে চিকিৎসকদের কোনো সুস্থ কর্মপরিবেশ নেই এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই। অতীতেও আমাদের সহকর্মীদের সঙ্গে এ রকম ঘটনা ঘটেছে। যার কোনো স্থায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমতাবস্থায় হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করা হলো।
হেনস্তা ও ভাঙচুরের অভিযোগ প্রসঙ্গে মারা যাওয়া রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুল হক ভূঞা বলেন, ‘একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা ধর্মঘট ডেকেছেন। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোগীর স্বজনেরা ডিউটি ডাক্তারের রুম, নার্সেস স্টেশন ও ইসিজি মেশিনসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করেছেন। এখনো ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা যায়নি। তবে রাতে আপাতত ইন্টার্নদের ছাড়াও চলবে। চিকিৎসাসেবায় ব্যাঘাত ঘটবে না।

সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন। এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের লাঞ্ছিত করে হামলার চেষ্টা ও হাসপাতালে ভাঙচুরের প্রতিবাদে এই কর্মবিরতির ডাক দেন চিকিৎসকেরা।
আজ সোমবার রাতে কর্মবিরতি ঘোষণার পরপরই হাসপাতালের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। এতে ব্যাহত হচ্ছে সেবা কার্যক্রম। তবে হাসপাতালের পরিচালকের দাবি, আপাতত ইন্টার্নদের ছাড়াও চলবে। চিকিৎসাসেবায় ব্যাঘাত ঘটবে না।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজারের শ্রীরামপুরের শাহাব উদ্দিন (৭০) নামে এক রোগী মারা যান। তিনি গতকাল রোববার রাতে স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর মৃত্যুর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সদের লাঞ্ছিত করে হামলার চেষ্টা করেন স্বজনেরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, রোগীর স্বজনেরা ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সদের হেনস্তা করেছেন। এ সময় চিকিৎসকেরা দৌড়ে পাশের ওয়ার্ডে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন। এরপর রোগীর স্বজনেরা ওয়ার্ডের ভেতরে চিকিৎসকের কক্ষে ও নার্সের কক্ষে ভাঙচুর চালান।
ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের নেতা মো. মোস্তাকিম শাফি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। রোগীর স্বজনেরা মৃত্যু মেনে নিতে পারেন না। তাঁরা ডাক্তারদের ওপর হামলা ও হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। এভাবে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়।’
এ ঘটনার প্রতিবাদে আজ রাতে বৈঠক করে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক দেয় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ। পরিষদের সভাপতি মো. রাকিব হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সীমান্ত মজুমদারের সই করা বিবৃতিতে বলা হয়, রোগীর স্বজন নামধারী কতিপয় লোক ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাণ্ডব চালায়। তারা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ক্রমাগত ভীতি প্রদর্শন, হুমকি দেয় এবং শারীরিক হেনস্তা করার চেষ্টা চালায়। এ ছাড়া তারা ডিউটি ডাক্তারের রুম ও নার্সেস স্টেশনে ভাঙচুর করে।
এ ঘটনা প্রমাণ করে হাসপাতালে চিকিৎসকদের কোনো সুস্থ কর্মপরিবেশ নেই এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই। অতীতেও আমাদের সহকর্মীদের সঙ্গে এ রকম ঘটনা ঘটেছে। যার কোনো স্থায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমতাবস্থায় হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করা হলো।
হেনস্তা ও ভাঙচুরের অভিযোগ প্রসঙ্গে মারা যাওয়া রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুল হক ভূঞা বলেন, ‘একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা ধর্মঘট ডেকেছেন। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোগীর স্বজনেরা ডিউটি ডাক্তারের রুম, নার্সেস স্টেশন ও ইসিজি মেশিনসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করেছেন। এখনো ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা যায়নি। তবে রাতে আপাতত ইন্টার্নদের ছাড়াও চলবে। চিকিৎসাসেবায় ব্যাঘাত ঘটবে না।

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
৩ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে