বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি

বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে রেহানা বেগম নামের এক ছাত্রীর উত্তরপত্র গায়েব হওয়ার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। এমন ঘটনার প্রতিবাদে ও ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে তারা পরীক্ষার দিন কক্ষের দায়িত্বে থাকা ৩ শিক্ষককে বরখাস্ত, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, উত্তরপত্র উদ্ধার এবং পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আগামী ৩ দিনের মধ্যে এসব দাবি মেনে না নিলে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সের সামনে এই মানববন্ধন করা হয়। এতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফরিদা বেগম, রুমা বেগম, শাহনাজ বেগম, সুলতানা বেগম, আকমল হোসেন, আশরাফ হোসেন, তুহিন আহমেদ প্রমুখ।
জানা গেছে, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্রী রেহানা বেগম গত ৫ মার্চ ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি চলে যান। ওই দিন নির্দিষ্ঠ সময়ের আধঘণ্টা আগে ওই কক্ষের সকল পরীক্ষার্থীর ওএমআর নিয়ে নেন দায়িত্বরত শিক্ষকেরা।
পরীক্ষার্থী রেহানা বেগম জানান, পরীক্ষা শেষে হলে নিজ কক্ষের দায়িত্বশীল শিক্ষকদের হাতে উত্তরপত্র জমা দিয়ে বাড়ি চলে যান। ওই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ করে পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ওই কক্ষের বেশ কজন পরীক্ষার্থীকে ফোন করে উত্তরপত্র পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয়।
রেহানা আরও জানান, মঙ্গলবার পরীক্ষা দিতে আসার পর তাঁকে কক্ষ থেকে বের করে দেন দায়িত্বরত শিক্ষকেরা। এতে তিনি ‘মধ্য যুগের কবিতা’ বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারেননি। পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষকেরা জানান, তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৫ মার্চ পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক আতিউর রহমান, প্রভাষক আব্দুল মান্নান ও প্রভাষক সামছ উদ্দিন। ওই দিন পরীক্ষা কক্ষে ব্যক্তিগত বিষয়াদি নিয়ে দায়িত্বরত শিক্ষকেরা ফোনালাপে ব্যস্ত সময় কাটান। মঙ্গলবার পরীক্ষা দিতে না পেরে ওই ছাত্রী বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে দিনভর কান্নাকাটি করেন। পরে লিখিত অভিযোগ নিয়ে তিনি ইউএনওর কাছে জমা দেন। ওই দিন পরীক্ষা কক্ষের দায়িত্বে থাকা ৩ শিক্ষককে বরখাস্তের দাবী জানান শিক্ষার্থীরা।
বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক নূর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়ে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।’

বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে রেহানা বেগম নামের এক ছাত্রীর উত্তরপত্র গায়েব হওয়ার ঘটনায় তোলপাড় চলছে। এমন ঘটনার প্রতিবাদে ও ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বহিষ্কারের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে তারা পরীক্ষার দিন কক্ষের দায়িত্বে থাকা ৩ শিক্ষককে বরখাস্ত, ভুক্তভোগী ছাত্রীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, উত্তরপত্র উদ্ধার এবং পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আগামী ৩ দিনের মধ্যে এসব দাবি মেনে না নিলে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সের সামনে এই মানববন্ধন করা হয়। এতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ফরিদা বেগম, রুমা বেগম, শাহনাজ বেগম, সুলতানা বেগম, আকমল হোসেন, আশরাফ হোসেন, তুহিন আহমেদ প্রমুখ।
জানা গেছে, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্রী রেহানা বেগম গত ৫ মার্চ ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি চলে যান। ওই দিন নির্দিষ্ঠ সময়ের আধঘণ্টা আগে ওই কক্ষের সকল পরীক্ষার্থীর ওএমআর নিয়ে নেন দায়িত্বরত শিক্ষকেরা।
পরীক্ষার্থী রেহানা বেগম জানান, পরীক্ষা শেষে হলে নিজ কক্ষের দায়িত্বশীল শিক্ষকদের হাতে উত্তরপত্র জমা দিয়ে বাড়ি চলে যান। ওই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ করে পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে ওই কক্ষের বেশ কজন পরীক্ষার্থীকে ফোন করে উত্তরপত্র পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয়।
রেহানা আরও জানান, মঙ্গলবার পরীক্ষা দিতে আসার পর তাঁকে কক্ষ থেকে বের করে দেন দায়িত্বরত শিক্ষকেরা। এতে তিনি ‘মধ্য যুগের কবিতা’ বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারেননি। পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষকেরা জানান, তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৫ মার্চ পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক আতিউর রহমান, প্রভাষক আব্দুল মান্নান ও প্রভাষক সামছ উদ্দিন। ওই দিন পরীক্ষা কক্ষে ব্যক্তিগত বিষয়াদি নিয়ে দায়িত্বরত শিক্ষকেরা ফোনালাপে ব্যস্ত সময় কাটান। মঙ্গলবার পরীক্ষা দিতে না পেরে ওই ছাত্রী বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে দিনভর কান্নাকাটি করেন। পরে লিখিত অভিযোগ নিয়ে তিনি ইউএনওর কাছে জমা দেন। ওই দিন পরীক্ষা কক্ষের দায়িত্বে থাকা ৩ শিক্ষককে বরখাস্তের দাবী জানান শিক্ষার্থীরা।
বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক নূর আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়ে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে