জামালগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিবেশীর লাঠির আঘাতে মো. জিয়াউর রহমান জিয়া (৪৩) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সোনাপুর, লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. জিয়াউর রহমান জিয়া (৪৩) উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাসন আলীর ছেলে।
জামালগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, সোনাপুর গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন গংদের সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইমামুল গংদের বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জেরে সোমবার দুপুরে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সোনাপুর, লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাওরের মাঝে সাজ্জাদ হোসেন তাঁর আত্মীয়স্বজনসহ প্রায় শতাধিক মানুষ নিয়ে হামলা চালায় ইমামুলের ওপর। এ সময় ইমামুলের পক্ষ নিয়ে ভগ্নিপতি জিয়া সংঘর্ষ থামাতে চেষ্টা করে। সংঘর্ষ চলাকালে ইমামুল (৩৫) গুরুতর আহত হন। দুই গ্রুপের মারামারির একপর্যায়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। কিছুক্ষণ পর হাওর থেকে লক্ষ্মীপুর ফেরার পথে সোনাপুর গ্রামের সাজ্জাদ তাঁর দলবল নিয়ে পুনরায় হামলা চালায় জিয়ার ওপর। এতে জিয়া গুরুতর আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক জিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ইমামুলকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সৈয়দ মো. সারোয়ার হোসেন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় জিয়া নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনো কোন মামলা হয়নি। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিবেশীর লাঠির আঘাতে মো. জিয়াউর রহমান জিয়া (৪৩) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সোনাপুর, লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. জিয়াউর রহমান জিয়া (৪৩) উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাসন আলীর ছেলে।
জামালগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, সোনাপুর গ্রামের সাজ্জাদ হোসেন গংদের সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইমামুল গংদের বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জেরে সোমবার দুপুরে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সোনাপুর, লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাওরের মাঝে সাজ্জাদ হোসেন তাঁর আত্মীয়স্বজনসহ প্রায় শতাধিক মানুষ নিয়ে হামলা চালায় ইমামুলের ওপর। এ সময় ইমামুলের পক্ষ নিয়ে ভগ্নিপতি জিয়া সংঘর্ষ থামাতে চেষ্টা করে। সংঘর্ষ চলাকালে ইমামুল (৩৫) গুরুতর আহত হন। দুই গ্রুপের মারামারির একপর্যায়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। কিছুক্ষণ পর হাওর থেকে লক্ষ্মীপুর ফেরার পথে সোনাপুর গ্রামের সাজ্জাদ তাঁর দলবল নিয়ে পুনরায় হামলা চালায় জিয়ার ওপর। এতে জিয়া গুরুতর আহত হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক জিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ইমামুলকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সৈয়দ মো. সারোয়ার হোসেন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় জিয়া নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনো কোন মামলা হয়নি। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৬ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১৮ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে