সিলেট প্রতিনিধি

ঈদকে সামনে রেখে কাউন্টারে টিকিট সংকটের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সিলেটে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিরা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে সিলেটে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। গত শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বার্থ খোলা যমুনা সুপার মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র্যাব-৯।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ক্যাম্প, সিলেটের একটি একটি দল যমুনা সুপার মার্কেটে অভিযান চালিয়ে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের সদস্য মো. জুফেন আহমদকে (২৭) গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত জুফেন দক্ষিণ সুরমা বরইকান্দি এলাকার বাসিন্দা মৃত আজির মিয়ার ছেলে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ট্রেনের অনলাইন টিকিট, ট্রেনের টিকিটের ৩০টি অনলাইন আবেদন কপি, ১টি কম্পিউটার সিপিইউ, ১টি কম্পিউটার মনিটর, ১টি প্রিন্টার, ১টি মোবাইল ও ১টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার সোমেন মজুমদার বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে ট্রেনের টিকিট জনসাধারণের কাছে দ্বিগুণ অথবা তারও বেশি মূল্যে বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাঁরা অনলাইনে ভিন্ন পরিচয়পত্র (আইডি) ও মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহ করে চড়া দামে সাধারণ যাত্রীদের কাছে বিক্রি করছে। তাদের দৌরাত্ম্যের কারণে যাত্রীরা জিম্মি। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৯ কালোবাজারিদের গ্রেপ্তার করার ব্যাপারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে এবং প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টিকিট কালোবাজারি মো. জুফেন আহমদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার পর বর্তি জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঈদ পূর্ববর্তী সময়ে এই প্রতারকচক্র বিশেষ ভাবে সক্রিয় থাকে। চক্রের অন্যান্য সদস্য এবং যেকোনো পর্যায়ের কালোবাজারির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য গ্রেপ্তারকৃত কালোবাজারির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ঈদকে সামনে রেখে কাউন্টারে টিকিট সংকটের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সিলেটে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারিরা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে সিলেটে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। গত শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দক্ষিণ সুরমা থানাধীন বার্থ খোলা যমুনা সুপার মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র্যাব-৯।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ক্যাম্প, সিলেটের একটি একটি দল যমুনা সুপার মার্কেটে অভিযান চালিয়ে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের সদস্য মো. জুফেন আহমদকে (২৭) গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত জুফেন দক্ষিণ সুরমা বরইকান্দি এলাকার বাসিন্দা মৃত আজির মিয়ার ছেলে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ট্রেনের অনলাইন টিকিট, ট্রেনের টিকিটের ৩০টি অনলাইন আবেদন কপি, ১টি কম্পিউটার সিপিইউ, ১টি কম্পিউটার মনিটর, ১টি প্রিন্টার, ১টি মোবাইল ও ১টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার সোমেন মজুমদার বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে ট্রেনের টিকিট জনসাধারণের কাছে দ্বিগুণ অথবা তারও বেশি মূল্যে বিক্রি করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাঁরা অনলাইনে ভিন্ন পরিচয়পত্র (আইডি) ও মুঠোফোন নম্বর ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহ করে চড়া দামে সাধারণ যাত্রীদের কাছে বিক্রি করছে। তাদের দৌরাত্ম্যের কারণে যাত্রীরা জিম্মি। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৯ কালোবাজারিদের গ্রেপ্তার করার ব্যাপারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে এবং প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টিকিট কালোবাজারি মো. জুফেন আহমদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার পর বর্তি জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঈদ পূর্ববর্তী সময়ে এই প্রতারকচক্র বিশেষ ভাবে সক্রিয় থাকে। চক্রের অন্যান্য সদস্য এবং যেকোনো পর্যায়ের কালোবাজারির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য গ্রেপ্তারকৃত কালোবাজারির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে