শান্তিগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের নির্যাতনে এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার দুপুরে কৈতক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনার পর দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত উপজেলার সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাগলাবাজার এলাকায় বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।
নিহত যুবকের নাম উজির মিয়া (৪০)। তিনি উপজেলার শত্রুমর্দন গ্রামের মৃত কাছা মিয়ার ছেলে। গরু চুরির মামলায় তাকে আটক করেছিল পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর পুলিশের নির্যাতনেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের শত্রুমর্দন এলাকায় গরুচোর সন্দেহে অভিযান চালায় শান্তিগঞ্জ থানা-পুলিশ। ওই দিন উজির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিন উজির মিয়াকে আদালতে পাঠানো হলে জামিন পান তিনি। জামিন পাওয়ার ১০ দিন পর আজ সোমবার তিনি মারা যান।
পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ উজিরকে ধরে নিয়ে থানায় নির্যাতন করেছে। এরপরের দিন তাঁকে একটি চুরির মামলায় আদালতে পাঠালে জামিনে মুক্ত হন তিনি। এরপর থেকে উজির মিয়া গুরুতর অসুস্থ হন। এ অবস্থায় আজ দুপুরে তিনি মারা যান।
এদিকে উজির মিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় দুপুর ২টা থেকে উপজেলার পাগলা বাজারে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এতে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে যায়। লম্বা যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। খবর পেয়ে প্রশাসন ও পুলিশের জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নিহত যুবকের ছোট ভাই গোলাম সারায়োর মাসুম বলেন, ‘পুলিশ আমার নির্দোষ ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আমরা ভাই একটা রাতও ঘুমাতে পারেনি। শুধু যন্ত্রণায় চিৎকার করেছে।’
নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলছে, উজির মিয়াকে একটি গরু চুরির মামলায় গরুচোর সন্দেহে গ্রেপ্তারের পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ওই দিন পরিবারের লোকজনদের উপস্থিতিতে আদালতের মাধ্যমে তিনি জামিন মুক্ত হন। তখন আদালতে নাজির মিয়া সুস্থ ছিলেন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মোক্তাদির আহমদ বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের নির্যাতনে এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার দুপুরে কৈতক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনার পর দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত উপজেলার সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাগলাবাজার এলাকায় বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী।
নিহত যুবকের নাম উজির মিয়া (৪০)। তিনি উপজেলার শত্রুমর্দন গ্রামের মৃত কাছা মিয়ার ছেলে। গরু চুরির মামলায় তাকে আটক করেছিল পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ গ্রেপ্তারের পর পুলিশের নির্যাতনেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের শত্রুমর্দন এলাকায় গরুচোর সন্দেহে অভিযান চালায় শান্তিগঞ্জ থানা-পুলিশ। ওই দিন উজির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিন উজির মিয়াকে আদালতে পাঠানো হলে জামিন পান তিনি। জামিন পাওয়ার ১০ দিন পর আজ সোমবার তিনি মারা যান।
পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ উজিরকে ধরে নিয়ে থানায় নির্যাতন করেছে। এরপরের দিন তাঁকে একটি চুরির মামলায় আদালতে পাঠালে জামিনে মুক্ত হন তিনি। এরপর থেকে উজির মিয়া গুরুতর অসুস্থ হন। এ অবস্থায় আজ দুপুরে তিনি মারা যান।
এদিকে উজির মিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় দুপুর ২টা থেকে উপজেলার পাগলা বাজারে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। এতে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে যায়। লম্বা যানজটের সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। খবর পেয়ে প্রশাসন ও পুলিশের জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নিহত যুবকের ছোট ভাই গোলাম সারায়োর মাসুম বলেন, ‘পুলিশ আমার নির্দোষ ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আমরা ভাই একটা রাতও ঘুমাতে পারেনি। শুধু যন্ত্রণায় চিৎকার করেছে।’
নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলছে, উজির মিয়াকে একটি গরু চুরির মামলায় গরুচোর সন্দেহে গ্রেপ্তারের পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ওই দিন পরিবারের লোকজনদের উপস্থিতিতে আদালতের মাধ্যমে তিনি জামিন মুক্ত হন। তখন আদালতে নাজির মিয়া সুস্থ ছিলেন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মোক্তাদির আহমদ বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ও জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ মিনিট আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১১ মিনিট আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১৩ মিনিট আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১৭ মিনিট আগে