সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে দাবি না মানা পর্যন্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার সকাল ৯টায় সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ও একাডেমি ভবনের ফটকে তালা দিয়ে রক্তাক্ত প্রতীকী অ্যাপ্রোন ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
পরে ফটকের সামনে কালো ব্যাজ ধারণ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা তাঁদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারী কলেজের শিক্ষার্থী সাইদুল বলেন, ‘পর্যাপ্ত ওয়ার্ড–সুবিধা ও হাসপাতাল চালুর জন্য করণীয় বিষয়ে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ মন্ত্রণালয় থেকে দিতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে হামলার বিচারের পাশাপাশি দাবি না মানা পর্যন্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছি। দাবি না মানা পর্যন্ত তা চলবে।’
গতকাল সকালে দ্বিতীয় দিনের মতো পর্যাপ্ত ওয়ার্ড–সুবিধা প্রদান হাসপাতাল চালুর দাবিতে সিলেটের সুনামগঞ্জ সড়কের মদনপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীসাধারণ। পরে সেনাবাহিনী এসে অবরোধ তুলে নিতে অনুরোধ জানালেও শিক্ষার্থীরা তাঁদের অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন।
একপর্যায়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয় সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী লাঠিপেটা করলে সড়ক থেকে সরে দাঁড়ান মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তবে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ১৫ এপ্রিল থেকে ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন, স্মারকলিপি ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোস্তাক আহমেদ ভূঁইয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে দাবি না মানা পর্যন্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার সকাল ৯টায় সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ও একাডেমি ভবনের ফটকে তালা দিয়ে রক্তাক্ত প্রতীকী অ্যাপ্রোন ঝুলিয়ে দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
পরে ফটকের সামনে কালো ব্যাজ ধারণ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা তাঁদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারী কলেজের শিক্ষার্থী সাইদুল বলেন, ‘পর্যাপ্ত ওয়ার্ড–সুবিধা ও হাসপাতাল চালুর জন্য করণীয় বিষয়ে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ মন্ত্রণালয় থেকে দিতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে হামলার বিচারের পাশাপাশি দাবি না মানা পর্যন্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছি। দাবি না মানা পর্যন্ত তা চলবে।’
গতকাল সকালে দ্বিতীয় দিনের মতো পর্যাপ্ত ওয়ার্ড–সুবিধা প্রদান হাসপাতাল চালুর দাবিতে সিলেটের সুনামগঞ্জ সড়কের মদনপুর এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীসাধারণ। পরে সেনাবাহিনী এসে অবরোধ তুলে নিতে অনুরোধ জানালেও শিক্ষার্থীরা তাঁদের অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন।
একপর্যায়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয় সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী লাঠিপেটা করলে সড়ক থেকে সরে দাঁড়ান মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। তবে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ১৫ এপ্রিল থেকে ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন, স্মারকলিপি ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোস্তাক আহমেদ ভূঁইয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১১ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৫ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৬ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৪ মিনিট আগে