
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় বোরো ধান ঘরে তুলতে চরম সংকটে পড়েছেন কৃষকেরা। জলাবদ্ধতার কারণে হারভেস্টার মেশিন ব্যবহার করা যাচ্ছে না, তার ওপর শ্রমিক ও জ্বালানি তেলের সংকটে পাকা ধান কাটতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড অকাল বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দ্রুত ধান কাটার নির্দেশনায় দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে কৃষকদের।
রোববার নলুয়ার হাওর ঘুরে দেখা যায়, হাওরজুড়ে পাকা ধানের সোনালি শিষ দুলছে। কোথাও কোথাও শ্রমিক দিয়ে ধান কাটা হলেও অনেক কৃষক শ্রমিকের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।
হাওরে কথা হয় ভবানীপুর গ্রামের কৃষক প্রপেশ দেবনাথের সঙ্গে। তিনি বলেন, এবার ২১ কেদার (৩০ শতকে এক কেদার) জমিনে বোরো ফসল আবাদ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তু ফসল কর্তনে দুর্ভোগে পড়েছি। শ্রমিকের সংকটের কারণে যথাসময ধান কাটা যাচ্ছে না। কেদার প্রতি আড়াই হাজার থেকে ৪ হাজার টাকায় ধান কাটাতে হচ্ছে।
শেরপুর গ্রামের কৃষক সাহাব উদ্দিন জানান, জমিতে পানি থাকায় মেশিন দিয়ে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না। তেলের সংকটে পরিবহনেও সমস্যা হচ্ছে। ঘোড়ার গাড়িতে ধান আনতে ১০ বস্তায় এক বস্তা ভাড়া দিতে হচ্ছে।
কৃষক জমির আলী বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় কিছু ফসল ইতিমধ্যে নষ্ট হয়েছে। বাকি ধান কাটতে স্থানীয় চার-পাঁচজন শ্রমিক দিয়ে কাজ করছি। পরিবহনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’
চিলাউড়া গ্রামের কৃষক জুবায়ের মিয়া বলেন, ‘তেল ও শ্রমিক সংকটের মধ্যে অকাল বন্যার শঙ্কা আমাদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে।’
জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ বলেন, ‘এ বছর উপজেলায় ২০ হাজার ৪২৩ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে রোববার পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। শ্রমিকের সংকট রয়েছে। আশা করছি, এক সপ্তাহের মধ্যে শতভাগ ধান কাটা শেষ হবে।’ তিনি আরও বলেন, নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় যেসব জমির ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেছে, সেসব দ্রুত কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গাইবান্ধায় এবার নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে ছাপরাঘরে কিংবা খোলা আকাশের নিচে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও কিছু বিদ্যালয় ঝুঁকিতে রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিল-ভাউচারে জালিয়াতির নতুন তথ্য সামনে এসেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় গঠন করা তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া টিএ বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় বগুড়া জেলা পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কর্মরত প্রায় ৩০ সদস্যের নাম তদন্তে এসেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধের চারটি পৃথক স্থানে প্রায় ২০০ মিটার অংশে ধস দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মাঝামাঝি স্থানে বাঁধে নতুন করে ৩৫ মিটার ধস সৃষ্টি হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তর দিকে একতলা ভবন। পূর্ব পাশে আরেকটি দোতলা ভবন। মাত্র ৫২ শতক জমির ওপর দুটি ভবন নির্মাণের কারণে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি ছোট হয়ে গেছে। গত সোমবার কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই চিত্র দেখা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে