প্রতিনিধি

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ): তাহিরপুরে সপ্তাহব্যাপী ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি হচ্ছে। গত শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এরপর থেকে আজ বুধবার পর্যন্ত যাদুকাটা নদীর পানি বিপদ সীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যার কারণে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।
অপরদিকে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি উপচে পড়ায় গত তিন দিন ধরে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে তাহিরপুরের আনোয়ারপুর বাজার ব্রিজের সম্মুখ সড়কটিও পানিতে ডুবে গেছে। এ ছাড়া বিশ্বম্ভরপুরের শক্তিয়ারখলা-দুর্গাপুর সড়কটি পানিতে ডুবে থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তাহিরপুরবাসীরা।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত রেকর্ড অনুযায়ী সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি সমতল বিপদ সীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং যাদুকাটা নদীর পানি সমতল বিপদ সীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তাহিরপুর সদর বাজারের ব্যবসায়ী মোজাহিদুল ইসলাম শিপলু জানান, পাহাড়ি ঢলের পানিতে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের দুটি অংশ ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এতে ব্যবসায়িক মালামাল পরিবহন করা যাচ্ছে না।
বালিজুরির আনোয়ার বাজারের ব্যবসায়ী মিলন তালুকদার বলেন, টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় যাদুকাটা নদী থেকে রক্তি নদী দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে আনোয়ারপুর ব্রিজপাড় হয়ে জেলা সদরে যাওয়ার সড়কটি পানিতে ডুবে আছে। বর্তমানে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান উদ দৌলা বলেন, তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের বিভিন্ন জায়গা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জেলা শহর থেকে বীজ সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। ফলে বীজ বিতরণ কার্যক্রম পিছিয়ে পড়ছে।

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ): তাহিরপুরে সপ্তাহব্যাপী ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি হচ্ছে। গত শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এরপর থেকে আজ বুধবার পর্যন্ত যাদুকাটা নদীর পানি বিপদ সীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যার কারণে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।
অপরদিকে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি উপচে পড়ায় গত তিন দিন ধরে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে তাহিরপুরের আনোয়ারপুর বাজার ব্রিজের সম্মুখ সড়কটিও পানিতে ডুবে গেছে। এ ছাড়া বিশ্বম্ভরপুরের শক্তিয়ারখলা-দুর্গাপুর সড়কটি পানিতে ডুবে থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন তাহিরপুরবাসীরা।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত রেকর্ড অনুযায়ী সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি সমতল বিপদ সীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং যাদুকাটা নদীর পানি সমতল বিপদ সীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তাহিরপুর সদর বাজারের ব্যবসায়ী মোজাহিদুল ইসলাম শিপলু জানান, পাহাড়ি ঢলের পানিতে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের দুটি অংশ ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এতে ব্যবসায়িক মালামাল পরিবহন করা যাচ্ছে না।
বালিজুরির আনোয়ার বাজারের ব্যবসায়ী মিলন তালুকদার বলেন, টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় যাদুকাটা নদী থেকে রক্তি নদী দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে আনোয়ারপুর ব্রিজপাড় হয়ে জেলা সদরে যাওয়ার সড়কটি পানিতে ডুবে আছে। বর্তমানে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান উদ দৌলা বলেন, তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের বিভিন্ন জায়গা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জেলা শহর থেকে বীজ সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। ফলে বীজ বিতরণ কার্যক্রম পিছিয়ে পড়ছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে