Ajker Patrika

আসনবিহীন যাত্রীদের তোপের মুখে টিটিই, আটকা পড়ল সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি  
আসনবিহীন যাত্রীদের তোপের মুখে টিটিই, আটকা পড়ল সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন
আসনবিহীন যাত্রীদের ঝুঁকিপূর্ণ ও অনির্ধারিত স্থানে বসতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে টিটিইকে অবরুদ্ধ করেন ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। এতে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের জামতৈল স্টেশনে আটকা পড়ে। ছবি: আজকের পত্রিকা

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকিট পরীক্ষককে (টিটিই) অবরুদ্ধ করে প্রায় ৪০ মিনিট আটকে রাখা হয় রাজশাহীগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন। আজ সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় স্টেশনে সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেনটি ছেড়ে যায়।

রেলওয়ে সূত্র বলেছে, ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামতৈল স্টেশনে পৌঁছায়। স্টেশনটিতে ট্রেনটির নির্ধারিত যাত্রাবিরতি ছিল দুই মিনিট। তবে আসনবিহীন যাত্রীদের ঝুঁকিপূর্ণ ও অনির্ধারিত স্থানে বসতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে টিটিইর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা টিটিইকে অবরুদ্ধ করে ট্রেন আটকে রাখেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ট্রেনে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্য বলেন, ঢাকায় ট্রেনে ওঠার পর এক যাত্রীকে কেন্দ্র করে টিটিই ও আরও কয়েকজনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ট্রেনের ভেতরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জামতৈল স্টেশনে পৌঁছানোর পর কয়েকজন যাত্রী নেমে ট্রেন আটকে দেন। তিনি আরও জানান, ট্রেনটিতে পাথর নিক্ষেপ করা হয় এবং ইঞ্জিনের সামনে অনেক যাত্রী শুয়ে পড়েন।

জামতৈল রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার রাকিবুর রহমান বলেন, ঈদ উপলক্ষে ট্রেনে যাত্রীর চাপ বেড়েছে। অনেক যাত্রী ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবস্থান নিচ্ছিলেন। তাঁদের সরাতে গেলে কিছু যাত্রী টিটিইর ওপর ক্ষুব্ধ হন। তাঁরা প্রায় ৪০ মিনিট ট্রেনটি আটকে রাখেন। পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

সিরাজগঞ্জ বাজার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দিন বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ রয়েছে। আসনবিহীন যাত্রীদের চলাচল ও বসার বিষয়ে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা ঘটে। পরে রেলওয়ে পুলিশ, কামারখন্দ থানা-পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতির সমাধান করা হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত