আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন সাধারণ স্কুলশিক্ষক থেকে সংসদ সদস্য বনে যাওয়া সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরি ও তাঁর স্বামী শামীম তালুকদার নামে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রায় ৭৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও চার হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আজ সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জান্নাত আরা হেনরি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৫৭ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ২২৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। অন্যদিকে তার স্বামীর অবৈধ সম্পদের পরিমাণ ২০ কোটি ৪৭ লাখ ৩৩ হাজার ২১৫ টাকা।
দুদক জানায়, হেনরি অবৈধভাবে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে ৩৫টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২ হাজার ২ কোটি ৬৬ লাখ ৫৭৭ টাকা ও ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ৬০ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা (১৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪৬ মার্কিন ডলার) সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।
অন্য একটি মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি মো. শামীম তালুকদার (লাবু) তার স্ত্রী জান্নাত আরা হেনরীর অপরাধলব্ধ অর্থ দ্বারা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার ১৪টি ব্যাংক হিসাবে ৩০৬ কোটি ৬৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬০ টাকার টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।
দুদক বলছে, এই দম্পতির ৪৯টি ব্যাংক হিসাবে ৩ হাজার ৯৬২ কেটি ৯৪ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৭ টাকা অবৈধ লেনদের ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২),৪ (৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৫ নভেম্বর জান্নাত আরা হেনরি, তার স্বামী ও মেয়ে মুনতাহা রিদায়ী লামের দেশত্যাগে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত। হেনরীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু হয় গত ২০ আগস্ট। গত ১ অক্টোবর মৌলভীবাজার থেকে স্বামীসহ গ্রেপ্তার হন হেনরি।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন সাধারণ স্কুলশিক্ষক থেকে সংসদ সদস্য বনে যাওয়া সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরি ও তাঁর স্বামী শামীম তালুকদার নামে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রায় ৭৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও চার হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আজ সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জান্নাত আরা হেনরি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৫৭ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ২২৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। অন্যদিকে তার স্বামীর অবৈধ সম্পদের পরিমাণ ২০ কোটি ৪৭ লাখ ৩৩ হাজার ২১৫ টাকা।
দুদক জানায়, হেনরি অবৈধভাবে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে ৩৫টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২ হাজার ২ কোটি ৬৬ লাখ ৫৭৭ টাকা ও ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ৬০ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা (১৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪৬ মার্কিন ডলার) সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।
অন্য একটি মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি মো. শামীম তালুকদার (লাবু) তার স্ত্রী জান্নাত আরা হেনরীর অপরাধলব্ধ অর্থ দ্বারা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার ১৪টি ব্যাংক হিসাবে ৩০৬ কোটি ৬৭ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬০ টাকার টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।
দুদক বলছে, এই দম্পতির ৪৯টি ব্যাংক হিসাবে ৩ হাজার ৯৬২ কেটি ৯৪ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৭ টাকা অবৈধ লেনদের ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২),৪ (৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৫ নভেম্বর জান্নাত আরা হেনরি, তার স্বামী ও মেয়ে মুনতাহা রিদায়ী লামের দেশত্যাগে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত। হেনরীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু হয় গত ২০ আগস্ট। গত ১ অক্টোবর মৌলভীবাজার থেকে স্বামীসহ গ্রেপ্তার হন হেনরি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে