তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তার ও পরিদর্শক শূন্য রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ওই ইউনিয়নের প্রায় হাজার হাজার মানুষ। বিশেষ করে গর্ভবতী মা ও শিশুরা স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। ফলে তাঁদের স্বাস্থ্যসেবা নিতে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
জানা গেছে, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বিনা মূল্যে ওষুধ বিতরণ, গর্ভবতী সেবা, নবদম্পতি সেবা, শূন্য থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের চিকিৎসা, জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাসে পরামর্শ, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া হয়। কিন্তু নিয়মিত ডাক্তার, পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারী না থাকায় তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। অনেক সময় পর দেখা মেলে আছিয়া খাতুন নামের এক আয়ার। তিনি বলেন, ‘আমি ছাড়া কোনো ডাক্তার ও পরিদর্শক এখানে কর্মরত নেই।’ অথচ ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন ডাক্তার, একজন ভিজিটর, একজন স্বাস্থ্য সহকারী ও একজন আয়ার পদে নিয়মিত লোক থাকার কথা রয়েছে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা গোন্তা গ্রামের ছবিরন খাতুন বলেন, ‘আমার শিশু বাচ্চার চিকিৎসার জন্য ১০টা থেকে বসে আছি, এখন প্রায় ১২টা বাজে। কিন্তু কোনো ঘর এখনো খোলা হয়নি এবং কোনো ডাক্তারও আসেনি।’
বারুহাস ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি সপ্তাহে এক দিন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে চিকিৎসাসেবা দিই। এটি আমাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ৬ দিনের সেবা এক দিনে দেওয়া সম্ভব হয় না।’
তালম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল খালেক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনো নিয়মিত চিকিৎসক ও পরিদর্শক না থাকায় ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘তালম ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ উপজেলার সকল স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনবলসংকট রয়েছে। ফলে সার্বিকভাবেই সারা উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা হলেও ব্যাহত হচ্ছে। তবে ওপর মহলে জনবল চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি, দ্রুতই এ সমস্যা কেটে যাবে।’

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে ডাক্তার ও পরিদর্শক শূন্য রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ওই ইউনিয়নের প্রায় হাজার হাজার মানুষ। বিশেষ করে গর্ভবতী মা ও শিশুরা স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। ফলে তাঁদের স্বাস্থ্যসেবা নিতে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে উপজেলা সদরে আসতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
জানা গেছে, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বিনা মূল্যে ওষুধ বিতরণ, গর্ভবতী সেবা, নবদম্পতি সেবা, শূন্য থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের চিকিৎসা, জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাসে পরামর্শ, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া হয়। কিন্তু নিয়মিত ডাক্তার, পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য সহকারী না থাকায় তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেবাদান ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। অনেক সময় পর দেখা মেলে আছিয়া খাতুন নামের এক আয়ার। তিনি বলেন, ‘আমি ছাড়া কোনো ডাক্তার ও পরিদর্শক এখানে কর্মরত নেই।’ অথচ ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন ডাক্তার, একজন ভিজিটর, একজন স্বাস্থ্য সহকারী ও একজন আয়ার পদে নিয়মিত লোক থাকার কথা রয়েছে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা গোন্তা গ্রামের ছবিরন খাতুন বলেন, ‘আমার শিশু বাচ্চার চিকিৎসার জন্য ১০টা থেকে বসে আছি, এখন প্রায় ১২টা বাজে। কিন্তু কোনো ঘর এখনো খোলা হয়নি এবং কোনো ডাক্তারও আসেনি।’
বারুহাস ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি সপ্তাহে এক দিন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে চিকিৎসাসেবা দিই। এটি আমাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ৬ দিনের সেবা এক দিনে দেওয়া সম্ভব হয় না।’
তালম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল খালেক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনো নিয়মিত চিকিৎসক ও পরিদর্শক না থাকায় ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘তালম ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ উপজেলার সকল স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনবলসংকট রয়েছে। ফলে সার্বিকভাবেই সারা উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা হলেও ব্যাহত হচ্ছে। তবে ওপর মহলে জনবল চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি, দ্রুতই এ সমস্যা কেটে যাবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩০ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে