কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সরকারি ভাতা না পাওয়া সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া গ্রামের বিধবা মোছা. শাহীদা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আজকের পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাঁকে ডেকে নিয়ে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হয়। আজ শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংবাদটি দেখার পর আমরা শাহীদা বেগমকে উপজেলা অফিসে ডেকে নিই। তাঁকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁকে বিধবা ভাতার কার্ডও দেওয়া হবে।’
প্রশাসনের পক্ষ থেকে শাহীদা বেগমকে যে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ছিল চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, লবণ, চিনি, মরিচ, হলুদ ও ধনিয়ার গুঁড়া।
গতকাল শুক্রবার (১ আগস্ট) আজকের পত্রিকায় ‘দ্বারে দ্বারে ঘুরেও ভাতা মিলছে না শাহীদার’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে জানানো হয়, স্বামী হারানোর পর শাহীদা বেগম মৃত বড় ছেলের ছেলে (নাতি) ও বাক্প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে পলিথিনে মোড়ানো এক ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বাড়ি বাড়ি কাজ করে যা আয় করেন, তা দিয়েই কোনোভাবে সংসার চালিয়ে আসছেন। কিন্তু এত দিনেও কোনো সরকারি ভাতা পাননি তিনি।

দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সরকারি ভাতা না পাওয়া সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া গ্রামের বিধবা মোছা. শাহীদা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আজকের পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর তাঁকে ডেকে নিয়ে তাৎক্ষণিক সহায়তা দেওয়া হয়। আজ শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংবাদটি দেখার পর আমরা শাহীদা বেগমকে উপজেলা অফিসে ডেকে নিই। তাঁকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাঁকে বিধবা ভাতার কার্ডও দেওয়া হবে।’
প্রশাসনের পক্ষ থেকে শাহীদা বেগমকে যে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ছিল চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, লবণ, চিনি, মরিচ, হলুদ ও ধনিয়ার গুঁড়া।
গতকাল শুক্রবার (১ আগস্ট) আজকের পত্রিকায় ‘দ্বারে দ্বারে ঘুরেও ভাতা মিলছে না শাহীদার’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে জানানো হয়, স্বামী হারানোর পর শাহীদা বেগম মৃত বড় ছেলের ছেলে (নাতি) ও বাক্প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে পলিথিনে মোড়ানো এক ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বাড়ি বাড়ি কাজ করে যা আয় করেন, তা দিয়েই কোনোভাবে সংসার চালিয়ে আসছেন। কিন্তু এত দিনেও কোনো সরকারি ভাতা পাননি তিনি।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে