সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে এক কৃষক ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের পর এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৫০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির পাশে মাঠে কাজ করছিলেন আব্দুল হামিদ। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে একই দিন বিকেল ৫টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান এলাকায় বজ্রপাতে হাসান শেখ (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই এলাকার আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজ জমিতে কাটা ধান জড়ো করছিলেন হাসান। এ সময় হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
রায়গঞ্জ থানার ওসি মো. আহসানুজ্জামান বলেন, বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

‘বড় ছাওয়াল গেছে সাত বছর হচ্ছে, আর মেজো ছাওয়াল গেছে দুই বছর। কোনোদিনও ছুটিতে আসেনি। ছাওয়ালটা বলছিল, “মা, কষ্ট করে খেয়ে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করব।” আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কী সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’
৩ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীর রায়পুরায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচপাম্পের দুটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। ১৬ দিন ধরে এতে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমনের মৌসুমে জমিতে পানি দিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন শতাধিক কৃষক। দ্রুত ট্রান্সফরমার দুটি প্রতিস্থাপন এবং চোরদের শনাক্ত করে আইনের
৩ ঘণ্টা আগে
ভরা বর্ষায় নদ-নদী পানিতে টইটম্বুর, নেই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞাও। তবু বরিশালে নদ-নদীগুলোতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশ। যা ধরা পড়ছে, তার বেশির ভাগই ছোট; দামও চড়া। মৎস্য বিভাগের তথ্যেও মিলছে উৎপাদন কমার চিত্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশের উৎপাদন কমার পেছনে এবার চারটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ—নদী থেকে সাগর পর্যন্
৪ ঘণ্টা আগে
মাদক সেবনের পর শুভ্র অস্বাভাবিক আচরণ করতেন এবং বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্য ও অন্যদের মারধর করতেন। মাদক না পেলে নিজের শরীরেও আঘাত করে রক্তাক্ত করতেন। তাঁর আচরণে পরিবারের সদস্যরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। এ কারণে প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে ঘরের একটি কক্ষে শিকলে বেঁধে তালাবদ্ধ করে রাখা হতো।
৫ ঘণ্টা আগে