সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর বিউটি খাতুন নামের তালাকপ্রাপ্তা এক নারী বাবার বাড়িতে থাকতেন। তাঁকে উত্ত্যক্ত ও মাঝেমধ্য বিয়ের প্রস্তাব দিতেন ওমর ফারুক নামের এক যুবক। এরপর বিউটির বাবা স্থানীয় প্রভাবশালী স্বপন ব্যাপারীর কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেন। তখন স্বপন ব্যাপারী ওমর ফারুককে ডেকে শাসন করেন।
এরপর স্বপন ব্যাপারী নিজেই বিউটির সঙ্গে প্রেম ও শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বিউটি। বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন স্বপন ব্যাপারীকে। কিন্তু বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে স্বপন ব্যাপারী ওমর ফারুক, বিউটির খালা আনু বেগম ও মোমিনকে সঙ্গে নিয়ে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন অন্তঃসত্ত্বা বিউটিকে।
সিরাজগঞ্জ পিবিআইয়ের দীর্ঘ ৫ বছরের তদন্ত শেষে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এ ঘটনার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এতে জানান সিরাজগঞ্জ পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রেজাউল করিম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রামের মোমিন (৫০), আনু বেগম (৪০) ও খোকশাবাড়ি গ্রামের স্বপন ব্যাপারী (৩৭)।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রামের সাচ্চু মিয়ার মেয়ে বিউটি খাতুনের বিয়ে হয় ২০১৪ সালে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পারিবারিকভাবে মীমাংসার মাধ্যমে বিউটিকে তার স্বামী তালাক দেয়। এরপর থেকে বিউটি তার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিল।
এ সময় বিউটি খাতুনের সঙ্গে প্রতিবেশী আবদুর রাজ্জাকের ছেলে ওমর ফারুক কথা বলতেন। মাঝেমধ্যে ওমর ফারুক বিউটিকে বিয়ের প্রস্তাবও দিতেন। এমতাবস্থায় বিউটির বাবা সাচ্চু মিয়া প্রতিবেশী স্বপন ব্যাপারীকে জানান, ওমর ফারুক তার মেয়েকে ডিস্টার্ব করে। তাঁকে শাসন করার অনুরোধও করেন। স্বপন ব্যাপারী এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ওমর ফারুককে ডেকে শাসন করেন।
এরপর স্বপন ব্যাপারী নিজেই বিউটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে থেকে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়। বিউটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে স্বপনকে বিয়ে জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু স্বপন বিবাহিত হওয়ায় বিউটিকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। স্বপন ব্যাপারী কি করবে তা ভেবে না পেয়ে প্রতিবেশী ওমর ফারুককে ডেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।
আলোচনায় স্বপন বিউটিকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা বিউটির ছোট খালা আনু বেগমকে টাকা দিয়ে এ প্রস্তাবে রাজি করেন। ২০১৮ সালের ১৩ মে রাতে স্বপন ব্যাপারী, ওমর ফারুক, আনু বেগম ও মোমিন বিউটির বাড়ির পাশে মিলিত হয়। তারা সিঁধ কেটে বিউটির ঘরে প্রবেশ করেন। এরপর ঘুমন্ত বিউটির হাত, পা, মাথা চেপে ধরে মুখে বালিশচাপা দিয়ে বিউটিকে হত্যা করে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় বিউটির বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিউটির বাবার আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্ত চলাকালে পিবিআই ২০২১ সালে ১৬ ফেব্রুয়ারি এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রামের ওমর ফারুককে (২৮) প্রথমে গ্রেপ্তার করে। এরপর চলতি বছরের ২৩ মে গ্রেপ্তার করা হয় স্বপন ব্যাপারী, মোমিন ও আনু বেগমকে।

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর বিউটি খাতুন নামের তালাকপ্রাপ্তা এক নারী বাবার বাড়িতে থাকতেন। তাঁকে উত্ত্যক্ত ও মাঝেমধ্য বিয়ের প্রস্তাব দিতেন ওমর ফারুক নামের এক যুবক। এরপর বিউটির বাবা স্থানীয় প্রভাবশালী স্বপন ব্যাপারীর কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেন। তখন স্বপন ব্যাপারী ওমর ফারুককে ডেকে শাসন করেন।
এরপর স্বপন ব্যাপারী নিজেই বিউটির সঙ্গে প্রেম ও শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বিউটি। বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন স্বপন ব্যাপারীকে। কিন্তু বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে স্বপন ব্যাপারী ওমর ফারুক, বিউটির খালা আনু বেগম ও মোমিনকে সঙ্গে নিয়ে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন অন্তঃসত্ত্বা বিউটিকে।
সিরাজগঞ্জ পিবিআইয়ের দীর্ঘ ৫ বছরের তদন্ত শেষে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এ ঘটনার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হত্যার সঙ্গে জড়িত স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এতে জানান সিরাজগঞ্জ পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রেজাউল করিম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রামের মোমিন (৫০), আনু বেগম (৪০) ও খোকশাবাড়ি গ্রামের স্বপন ব্যাপারী (৩৭)।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রামের সাচ্চু মিয়ার মেয়ে বিউটি খাতুনের বিয়ে হয় ২০১৪ সালে। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পারিবারিকভাবে মীমাংসার মাধ্যমে বিউটিকে তার স্বামী তালাক দেয়। এরপর থেকে বিউটি তার বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিল।
এ সময় বিউটি খাতুনের সঙ্গে প্রতিবেশী আবদুর রাজ্জাকের ছেলে ওমর ফারুক কথা বলতেন। মাঝেমধ্যে ওমর ফারুক বিউটিকে বিয়ের প্রস্তাবও দিতেন। এমতাবস্থায় বিউটির বাবা সাচ্চু মিয়া প্রতিবেশী স্বপন ব্যাপারীকে জানান, ওমর ফারুক তার মেয়েকে ডিস্টার্ব করে। তাঁকে শাসন করার অনুরোধও করেন। স্বপন ব্যাপারী এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ওমর ফারুককে ডেকে শাসন করেন।
এরপর স্বপন ব্যাপারী নিজেই বিউটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কে থেকে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়। বিউটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে স্বপনকে বিয়ে জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু স্বপন বিবাহিত হওয়ায় বিউটিকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। স্বপন ব্যাপারী কি করবে তা ভেবে না পেয়ে প্রতিবেশী ওমর ফারুককে ডেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।
আলোচনায় স্বপন বিউটিকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা বিউটির ছোট খালা আনু বেগমকে টাকা দিয়ে এ প্রস্তাবে রাজি করেন। ২০১৮ সালের ১৩ মে রাতে স্বপন ব্যাপারী, ওমর ফারুক, আনু বেগম ও মোমিন বিউটির বাড়ির পাশে মিলিত হয়। তারা সিঁধ কেটে বিউটির ঘরে প্রবেশ করেন। এরপর ঘুমন্ত বিউটির হাত, পা, মাথা চেপে ধরে মুখে বালিশচাপা দিয়ে বিউটিকে হত্যা করে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় বিউটির বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বিউটির বাবার আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তদন্ত চলাকালে পিবিআই ২০২১ সালে ১৬ ফেব্রুয়ারি এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণগ্রামের ওমর ফারুককে (২৮) প্রথমে গ্রেপ্তার করে। এরপর চলতি বছরের ২৩ মে গ্রেপ্তার করা হয় স্বপন ব্যাপারী, মোমিন ও আনু বেগমকে।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সেনাবাহিনীর একটি টহলগাড়ির সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। তবে ওই ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে মহেশপুর-খালিশপুর সড়কের বেলেঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সেনাসদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১৫ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরায় এক ব্যক্তিকে একটি প্রাডো গাড়িসহ অপহরণ এবং এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে আহত করে তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
৩২ মিনিট আগে
উঠান বৈঠক করতে গিয়ে বাধা পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আজ শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৩৩ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গেজেটধারী জুলাই যোদ্ধা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মঈন উদ্দীন মাহিনের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বদুরপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে আহতদের স্বজন...
৪৩ মিনিট আগে