
সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর মিরাজুল ইসলাম (২২) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার নিশ্চন্তপুর এলাকায় যমুনা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
চৌহালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সকালে ভাসমান অবস্থায় মিরাজুলের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মিরাজুল ইসলাম চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের উত্তর হাটাইল গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
গত রোববার বিকেলে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চরছলিমাবাদ (ভূতের মোড়) এলাকায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় মিরাজুল।
নিখোঁজের ফুপাতো ভাই মামুন বলেন, মিরাজুল ইসলাম পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে রোববার বিকেলে যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। তবে সবার অগোচরে নদীর স্রোতে নিখোঁজ হয় সে। পরে মাছ ধরার জাল ও নৌকা নিয়ে অনেক খোঁজা খুঁজি করেও তাকে উদ্ধার করা যায়নি। গতকাল সোমবার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে উদ্ধার করতে না পেরে ফিরে যায়। আজ সকালে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় তার মরদেহ ভাসতে দেখে জেলেরা পরিবারকে খবর দেয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসা হয়।

‘বড় ছাওয়াল গেছে সাত বছর হচ্ছে, আর মেজো ছাওয়াল গেছে দুই বছর। কোনোদিনও ছুটিতে আসেনি। ছাওয়ালটা বলছিল, “মা, কষ্ট করে খেয়ে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করব।” আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কী সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’
৩ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীর রায়পুরায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচপাম্পের দুটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। ১৬ দিন ধরে এতে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমনের মৌসুমে জমিতে পানি দিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন শতাধিক কৃষক। দ্রুত ট্রান্সফরমার দুটি প্রতিস্থাপন এবং চোরদের শনাক্ত করে আইনের
৩ ঘণ্টা আগে
ভরা বর্ষায় নদ-নদী পানিতে টইটম্বুর, নেই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞাও। তবু বরিশালে নদ-নদীগুলোতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশ। যা ধরা পড়ছে, তার বেশির ভাগই ছোট; দামও চড়া। মৎস্য বিভাগের তথ্যেও মিলছে উৎপাদন কমার চিত্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশের উৎপাদন কমার পেছনে এবার চারটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ—নদী থেকে সাগর পর্যন্
৩ ঘণ্টা আগে
মাদক সেবনের পর শুভ্র অস্বাভাবিক আচরণ করতেন এবং বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্য ও অন্যদের মারধর করতেন। মাদক না পেলে নিজের শরীরেও আঘাত করে রক্তাক্ত করতেন। তাঁর আচরণে পরিবারের সদস্যরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। এ কারণে প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে ঘরের একটি কক্ষে শিকলে বেঁধে তালাবদ্ধ করে রাখা হতো।
৫ ঘণ্টা আগে