Ajker Patrika

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা গিলে খাচ্ছে স্কুল, বসতবাড়ি

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   
সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে যমুনা গিলে খাচ্ছে স্কুল, বসতবাড়ি
নদীভাঙনে চৌহালীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে কে. কে. পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। ছবি: আজকের পত্রিকা

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার জোতপাড়া এলাকায় যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আংশিক এবং অন্তত ১২টি বসতবাড়ি পুরোপুরি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। আজ রোববার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। ভাঙনের আতঙ্কে আশপাশের অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনতা উচ্চ বিদ্যালয়সংলগ্ন কে. কে. পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি টিনশেড ভবনের একাংশ নদীতে ধসে পড়েছে। পাশাপাশি অন্তত ১২টি বসতবাড়িও নদীগর্ভে বিলীন হয়। ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে সেখানে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ডাম্পিং করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রবিউল মোল্লা বলেন, ‘গতকাল গভীর রাতে হঠাৎ ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়। এর মধ্যে ১২টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় আশপাশের মানুষ ঘরবাড়ি খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।’

নদীভাঙনে চৌহালীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে কে. কে. পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। ছবি: আজকের পত্রিকা
নদীভাঙনে চৌহালীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে কে. কে. পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। ছবি: আজকের পত্রিকা

আরেক বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শুধু জিও ব্যাগ ফেলে এই ভয়াবহ ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে না। স্থায়ী সমাধানের জন্য দ্রুত টেকসই নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতি বছর যমুনার ভাঙনে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কৃষিজমি বিলীন হলেও স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নূরুল আমিন বলেন, ‘আপাতত নিরাপদ একটি জায়গায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ব্যবস্থা করা হবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত