শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. হযরত আলী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শহরের ডিসি গেট মোড়ে আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিয়ামুল হাসান আনন্দসহ (৩১) অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ গ্রুপের মধ্যে দলীয় কোন্দল চলছিল। মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক চত্বরে জমায়েত হতে থাকেন। জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদের হাতে স্মারকলিপি প্রদানের পর ফিরে যাওয়ার পথে হযরত আলী ও শফিকুল ইসলাম মাসুদের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিয়ামুল হাসান আনন্দ, মো. রনি, মো. আশরাফসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে মো. হযরত আলী বলেন, ‘এর আগে মাসুদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন্দ্রে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমার নেতা-কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে।’
তবে মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘সামনের সারিতে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। আমার কোনো সমর্থক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।’
শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মো. মাহমুদুল হক রুবেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানাব। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।’

শেরপুরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. হযরত আলী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শহরের ডিসি গেট মোড়ে আজ মঙ্গলবার দুপুরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিয়ামুল হাসান আনন্দসহ (৩১) অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ গ্রুপের মধ্যে দলীয় কোন্দল চলছিল। মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক চত্বরে জমায়েত হতে থাকেন। জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদের হাতে স্মারকলিপি প্রদানের পর ফিরে যাওয়ার পথে হযরত আলী ও শফিকুল ইসলাম মাসুদের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিয়ামুল হাসান আনন্দ, মো. রনি, মো. আশরাফসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে মো. হযরত আলী বলেন, ‘এর আগে মাসুদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন্দ্রে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমার নেতা-কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে।’
তবে মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘সামনের সারিতে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। আমার কোনো সমর্থক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।’
শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মো. মাহমুদুল হক রুবেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটিকে জানাব। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে