নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেটের পাশে ডেকে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে আবু সা’দাত মুহাম্মদ মুসা নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবার প্রতিকার চাইলেও প্রভাবশালী শিক্ষকনেতারা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাইরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২২ মে স্কুল চলাকালে শিক্ষক আবু সা’দাত মুসা তাকে ডেকে টয়লেটের কাছে নিয়ে যান। পরে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিলে চিৎকার শুরু করে মেয়েটি। এ সময় অন্য শিক্ষার্থীরা এসে বিষয়টি দেখে ফেলে। পরে ওই ছাত্রী কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে যায় এবং এরপর থেকে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।
মেয়েটি স্কুলে না যাওয়ায় একপর্যায়ে ঘটনাটি শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকায় জানাজানি হয়। পরে গতকাল সোমবার ওই শিক্ষার্থীর মা ও বাবা এ ঘটনার বিচার দাবি করেন স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে। বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে অভিযোগ দিতে গেলেও প্রভাবশালী কয়েকজন শিক্ষকনেতা মিলে ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কৌশলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ের সঙ্গে মুসা স্যার যে কাজটা করেছে, আমি তার সঠিক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক।’
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অভিযুক্তকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, ভুক্তভোগী ও তার অভিভাবকের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পেলেই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেটের পাশে ডেকে নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে আবু সা’দাত মুহাম্মদ মুসা নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবার প্রতিকার চাইলেও প্রভাবশালী শিক্ষকনেতারা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাইরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২২ মে স্কুল চলাকালে শিক্ষক আবু সা’দাত মুসা তাকে ডেকে টয়লেটের কাছে নিয়ে যান। পরে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিলে চিৎকার শুরু করে মেয়েটি। এ সময় অন্য শিক্ষার্থীরা এসে বিষয়টি দেখে ফেলে। পরে ওই ছাত্রী কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে যায় এবং এরপর থেকে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।
মেয়েটি স্কুলে না যাওয়ায় একপর্যায়ে ঘটনাটি শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকায় জানাজানি হয়। পরে গতকাল সোমবার ওই শিক্ষার্থীর মা ও বাবা এ ঘটনার বিচার দাবি করেন স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে। বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে অভিযোগ দিতে গেলেও প্রভাবশালী কয়েকজন শিক্ষকনেতা মিলে ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের কৌশলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ের সঙ্গে মুসা স্যার যে কাজটা করেছে, আমি তার সঠিক বিচার চাই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক।’
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অভিযুক্তকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, ভুক্তভোগী ও তার অভিভাবকের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পেলেই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
১১ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে