শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের স্টাফদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের তিন কর্মচারী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের ভেতর ও বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার পর হাসপাতালে সেবা দেওয়া বন্ধ রেখেছি। তবে জরুরি বিভাগ চালু রয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে আগামীকাল থেকে কর্মবিরতি ঘোষণা করা হবে।’
হাসপাতালের আহত তিন কর্মচারী হলেন অফিস সহায়ক খালেদ শিকদার (৩২), ব্রাদার হানিফ মাহমুদ (৩০) ও স্টাফ দুলাল ঢালী (৪০)। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে খালেদ শিকদারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে শ্বাসকষ্ট সমস্যা নিয়ে সারমিন আক্তার নামে এক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। বেলা ১১টার দিকে রোগীর এক স্বজন ডাক্তারকে দেখানোর কথা বলে দায়িত্বরত এক নার্সের কাছে রোগী ভর্তির ফাইল চান। তখন ওই নার্স তাঁকে ডাক্তারের অনুমতি বা স্লিপ ছাড়া ভর্তি রোগীর ফাইল দেওয়ার নিয়ম নেই বলে জানান। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়।
পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিবুর রহমান উভয় পক্ষকে তাঁর কক্ষে ডেকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। এর কিছুক্ষণ পরে হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের একাধিক লোক আহত হয়েছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
অপর দিকে আহত রোগীর স্বজনদের নাম–পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাঁরা হামলার ভয়ে অন্য কোথাও চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁরা হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাওয়ায় তাঁদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর হাসপাতালে জরুরি সভা ডেকে সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। পরে সেনাবাহিনীর একটি টিম হাসপাতাল পরিদর্শন করে এবং তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, বহিরাগতরা এসে হাসপাতালের কর্মচারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে তিনজন কর্মচারী আহত হয়েছেন। একজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনার পর আমরা হাসপাতালে সেবা দেওয়া বন্ধ রেখেছি। তবে জরুরি বিভাগ চালু রয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে আগামীকাল থেকে কর্মবিরতি ঘোষণা করা হবে।’
পালং মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত সাপেক্ষে সংঘর্ষের কারণ জানা যাবে।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের স্টাফদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের তিন কর্মচারী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের ভেতর ও বাইরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার পর হাসপাতালে সেবা দেওয়া বন্ধ রেখেছি। তবে জরুরি বিভাগ চালু রয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে আগামীকাল থেকে কর্মবিরতি ঘোষণা করা হবে।’
হাসপাতালের আহত তিন কর্মচারী হলেন অফিস সহায়ক খালেদ শিকদার (৩২), ব্রাদার হানিফ মাহমুদ (৩০) ও স্টাফ দুলাল ঢালী (৪০)। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে খালেদ শিকদারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে শ্বাসকষ্ট সমস্যা নিয়ে সারমিন আক্তার নামে এক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। বেলা ১১টার দিকে রোগীর এক স্বজন ডাক্তারকে দেখানোর কথা বলে দায়িত্বরত এক নার্সের কাছে রোগী ভর্তির ফাইল চান। তখন ওই নার্স তাঁকে ডাক্তারের অনুমতি বা স্লিপ ছাড়া ভর্তি রোগীর ফাইল দেওয়ার নিয়ম নেই বলে জানান। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়।
পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিবুর রহমান উভয় পক্ষকে তাঁর কক্ষে ডেকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। এর কিছুক্ষণ পরে হাসপাতালের কর্মচারীদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের একাধিক লোক আহত হয়েছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
অপর দিকে আহত রোগীর স্বজনদের নাম–পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাঁরা হামলার ভয়ে অন্য কোথাও চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁরা হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাওয়ায় তাঁদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর হাসপাতালে জরুরি সভা ডেকে সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। পরে সেনাবাহিনীর একটি টিম হাসপাতাল পরিদর্শন করে এবং তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, বহিরাগতরা এসে হাসপাতালের কর্মচারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে তিনজন কর্মচারী আহত হয়েছেন। একজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনার পর আমরা হাসপাতালে সেবা দেওয়া বন্ধ রেখেছি। তবে জরুরি বিভাগ চালু রয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে আগামীকাল থেকে কর্মবিরতি ঘোষণা করা হবে।’
পালং মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত সাপেক্ষে সংঘর্ষের কারণ জানা যাবে।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১৪ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৭ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৮ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৬ মিনিট আগে