পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, দুটি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং আটটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা হাসপাতালটিতে জুনিয়র কনসালটেন্ট, সহকারী সার্জন, আরএমও ও মেডিকেল অফিসারের বেশ কয়েকটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে স্থানীয় কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিক।
জানা যায়, ৫০ শয্যার পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকদের জন্য মোট ৩২টি পদ অনুমোদিত। এর মধ্যে ২৭টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে।
শূন্য পদগুলোর মধ্যে রয়েছে—জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি, মেডিসিন, গাইনি, অ্যানেসথেসিয়া, অর্থোপেডিকস, কার্ডিওলজি, চক্ষু, ইএনটি, চর্ম ও যৌন–প্রতিটি একটি করে)
জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু–২টি), সহকারী সার্জন–১০টি, মেডিকেল অফিসার–৫টি, আরএমও–১টি।
এ ছাড়া সহকারী সার্জন তানজিলা খাতুন বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। বর্তমানে সহকারী সার্জন আব্দুর রহমান সোহান নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি আরএমওর দায়িত্বও পালন করছেন। সহকারী সার্জন (ডেন্টাল) পিয়াস বৈদ্য নিজের দায়িত্বের পাশাপাশি আউটডোরে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। সহকারী সার্জন শাম্মী সাফিনাজ জরুরি বিভাগ ও আউটডোরে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে চরম চাপের মুখে পড়ছেন।
এদিকে হাসপাতালের আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন দীর্ঘদিন ধরে বিকল অবস্থায় আছে। এনালগ এক্স-রে মেশিনেও পরিষ্কার ছবি আসছে না। ফলে উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জরুরি বিভাগের দায়িত্ব সামলাতে সেকমো ও ফার্মাসিস্টরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন।
চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুল জব্বার বলেন, ‘শূন্যপদগুলো পূরণের জন্য লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ডাক্তার না থাকায় প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি আমাকে নিজেকেও রোগী দেখতে হচ্ছে।’

পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, দুটি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং আটটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা হাসপাতালটিতে জুনিয়র কনসালটেন্ট, সহকারী সার্জন, আরএমও ও মেডিকেল অফিসারের বেশ কয়েকটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে স্থানীয় কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিক।
জানা যায়, ৫০ শয্যার পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকদের জন্য মোট ৩২টি পদ অনুমোদিত। এর মধ্যে ২৭টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে।
শূন্য পদগুলোর মধ্যে রয়েছে—জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি, মেডিসিন, গাইনি, অ্যানেসথেসিয়া, অর্থোপেডিকস, কার্ডিওলজি, চক্ষু, ইএনটি, চর্ম ও যৌন–প্রতিটি একটি করে)
জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু–২টি), সহকারী সার্জন–১০টি, মেডিকেল অফিসার–৫টি, আরএমও–১টি।
এ ছাড়া সহকারী সার্জন তানজিলা খাতুন বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। বর্তমানে সহকারী সার্জন আব্দুর রহমান সোহান নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি আরএমওর দায়িত্বও পালন করছেন। সহকারী সার্জন (ডেন্টাল) পিয়াস বৈদ্য নিজের দায়িত্বের পাশাপাশি আউটডোরে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। সহকারী সার্জন শাম্মী সাফিনাজ জরুরি বিভাগ ও আউটডোরে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে চরম চাপের মুখে পড়ছেন।
এদিকে হাসপাতালের আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন দীর্ঘদিন ধরে বিকল অবস্থায় আছে। এনালগ এক্স-রে মেশিনেও পরিষ্কার ছবি আসছে না। ফলে উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জরুরি বিভাগের দায়িত্ব সামলাতে সেকমো ও ফার্মাসিস্টরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন।
চিকিৎসক সংকটের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুল জব্বার বলেন, ‘শূন্যপদগুলো পূরণের জন্য লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ডাক্তার না থাকায় প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি আমাকে নিজেকেও রোগী দেখতে হচ্ছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে