Ajker Patrika

ছাত্রলীগ নেতাকে নিয়ে আইনজীবী-ছাত্রদল নেতার ধাক্কাধাক্কি, ভিডিও ভাইরাল

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ আদালত চত্বরে আজ বুধবার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা নিয়ে ছাত্রদল নেতা-কর্মী ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। ছবি: আজকের পত্রিকা
নারায়ণগঞ্জ আদালত চত্বরে আজ বুধবার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা নিয়ে ছাত্রদল নেতা-কর্মী ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

নারায়ণগঞ্জ আদালতে যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে আসা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা নিয়ে ছাত্রদল নেতা-কর্মী ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় ছাত্রদলের এক নেতাকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যান বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আদালতে সজীব নামে এক ছাত্রলীগ নেতা যৌতুক মামলায় হাজিরা দিতে আসেন। এ সময় তাঁকে ধরে পুলিশে দেওয়ার চেষ্টা করেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারহান। বিষয়টি দেখে সজীবের পক্ষে বিএনপিপন্থী আইনজীবী ও আইনজীবী সমিতির সমাজসেবা সম্পাদক রাজীব মণ্ডল ছুটে এসে জোর করে সজীবকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এ নিয়ে ছাত্রদল নেতা ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

বিএনপিপন্থী আইনজীবী রাজিব মণ্ডল বলেন, ‘সানু আক্তার শান্তা নামের এক নারীকে সজীব বিয়ে করেন। বিয়ের পর সজীব জানতে পারেন, সানু আক্তার শান্তার পূর্বে আরও চারটি বিয়ে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্য হলে সজীবের বিরুদ্ধে সানু আক্তার শান্তা বিভিন্ন ধারায় নারায়ণগঞ্জ আদালতে একটি যৌতুক মামলা করেন।’

রাজিব মণ্ডল আরও বলেন, ‘সেই যৌতুক মামলায় সজীব নারায়ণগঞ্জের একটি আদালতে হাজিরা দিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় মেহেদী হাসান ফারহান আসামিকে টেনেহিঁচড়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। আমরা তাঁকে আইনজীবী সমিতি ভবনে নিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানাই। এরপর তিনি তাঁর ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারহান বলেন, ‘সজীব ছাত্রলীগ করতেন। এ বিষয়ে আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে। তাঁকে ধরে পুলিশের কাছে তুলে দিতে গেলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বাধা দেন। সেই সঙ্গে তাঁরা ওই ছাত্রলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে দিয়ে উল্টো আমাকে হেনস্তা করেন এবং মারধরের চেষ্টা করেন। পরে আমি আমার পরিচয় দিলে তাঁরা আমাকে ছেড়ে দেন।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত