ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ পরিচয়ে বিভিন্ন দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নামে টাকা দাবি করায় তিন প্রতারককে আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় কৌশলে তাদের দুই সহযোগী পালিয়ে যায়। পরে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় ফুলবাড়ী থানা–পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার আটক তিনজনসহ পলাতক দুজনের নামে মামলা দায়ের করেন স্থানীয় এক দোকানি। পরে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ৮টায় উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের শিমুলতলা বাজারে এ প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভাঙ্গামোড় মনোকদি তেমনী গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল আজিজ (৩৪), উলিপুর উপজেলার যমুনা ডালিয়া পাড়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৩৭) ও মালতীবাড়ী মোল্লা পাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ মাস্টারের ছেলে ছেলে মিঠুন মিয়া (২৪)।
পলাতক আসামিরা হলেন—কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সবুজপাড়া মাধব রাম এলাকার গোলজার হোসেনের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫) ও উলিপুর উপজেলার ধরনীবাড়ি এলাকার আবুল কাশেম মাস্টারের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে বাবু (৩৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় দোকানিরা বলছে, চক্রটি সন্ধ্যায় বাজারে এসে দুটি ফার্মেসি ও একটি চায়ের দোকানে নিজেদের ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে টাকা দাবি করে। এ সময় তাদের কথাবার্তায় অসংলগ্ন ও গতিবিধি সন্দেহজনক হলে স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এ সময় আব্দুস ছালাম ও বাবু পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
শিমুতলা বাজারের চা-বিস্কুটের দোকানি ও মামলার বাদী আশরাফ বলেন, ‘বিকেলের দিকে আমার দোকানে তিনজন এসে নিজেদের ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেয়। আমাকে দোকান বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করে। বলে–আমার দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এখনই টাকা দিতে হবে না হলে মামলা হবে। আমি ধারদেনা করে তাদেরকে পাঁচ হাজার টাকা দেই। গরিব বলে বাকি পাঁচ হাজার টাকা মাফ চাই। পরে দোকান বন্ধ করে পাশের খড়িবাড়ি বাজারে চলে যাই। পরে জানতে পারি এরা ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট।’
ওই বাজারের ওষুধ দোকানি মজিবর রহমান বলেন, ‘তারা পাঁচজন বাজারে এসে আমার দোকান ও পাশের আনিচুর রহমানের ওষুধের দোকানে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবি করে। আমার দোকানে নগদ টাকা না থাকায় আমি জরিমানার টাকা আনতে বাড়িতে যাই। টাকা আনার পরে তাদের কথাবার্তা ও চালচলনে সন্দেহ হলে উপস্থিত জনতার সহযোগিতার তাদের আটক করে থানায় খবর দেই। পাঁচজনের মধ্যে দুজন ফোনে কথা বলতে বলতে দৌড়ে পালিয়ে গেছে।’
ফুলবাড়ী থানা–পুলিশ বলছে, আসামিরা গত ২৬ নভেম্বর কুড়িগ্রাম সদরের আরডিআরএস বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী ও সারডোব এলাকার বাসিন্দা আব্দুস ছাত্তারের দোকানে একই কায়দায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে প্রতারণা করে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং নগদ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে স্বীকার করেছেন।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুর রহমান জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে ফুলবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ পরিচয়ে বিভিন্ন দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নামে টাকা দাবি করায় তিন প্রতারককে আটক করে স্থানীয়রা। এ সময় কৌশলে তাদের দুই সহযোগী পালিয়ে যায়। পরে পুলিশে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে ওই তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় ফুলবাড়ী থানা–পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার আটক তিনজনসহ পলাতক দুজনের নামে মামলা দায়ের করেন স্থানীয় এক দোকানি। পরে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তিনজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ৮টায় উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের শিমুলতলা বাজারে এ প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভাঙ্গামোড় মনোকদি তেমনী গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল আজিজ (৩৪), উলিপুর উপজেলার যমুনা ডালিয়া পাড়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৩৭) ও মালতীবাড়ী মোল্লা পাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ মাস্টারের ছেলে ছেলে মিঠুন মিয়া (২৪)।
পলাতক আসামিরা হলেন—কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সবুজপাড়া মাধব রাম এলাকার গোলজার হোসেনের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫) ও উলিপুর উপজেলার ধরনীবাড়ি এলাকার আবুল কাশেম মাস্টারের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে বাবু (৩৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় দোকানিরা বলছে, চক্রটি সন্ধ্যায় বাজারে এসে দুটি ফার্মেসি ও একটি চায়ের দোকানে নিজেদের ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। একপর্যায়ে টাকা দাবি করে। এ সময় তাদের কথাবার্তায় অসংলগ্ন ও গতিবিধি সন্দেহজনক হলে স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এ সময় আব্দুস ছালাম ও বাবু পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
শিমুতলা বাজারের চা-বিস্কুটের দোকানি ও মামলার বাদী আশরাফ বলেন, ‘বিকেলের দিকে আমার দোকানে তিনজন এসে নিজেদের ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেয়। আমাকে দোকান বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করে। বলে–আমার দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এখনই টাকা দিতে হবে না হলে মামলা হবে। আমি ধারদেনা করে তাদেরকে পাঁচ হাজার টাকা দেই। গরিব বলে বাকি পাঁচ হাজার টাকা মাফ চাই। পরে দোকান বন্ধ করে পাশের খড়িবাড়ি বাজারে চলে যাই। পরে জানতে পারি এরা ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট।’
ওই বাজারের ওষুধ দোকানি মজিবর রহমান বলেন, ‘তারা পাঁচজন বাজারে এসে আমার দোকান ও পাশের আনিচুর রহমানের ওষুধের দোকানে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবি করে। আমার দোকানে নগদ টাকা না থাকায় আমি জরিমানার টাকা আনতে বাড়িতে যাই। টাকা আনার পরে তাদের কথাবার্তা ও চালচলনে সন্দেহ হলে উপস্থিত জনতার সহযোগিতার তাদের আটক করে থানায় খবর দেই। পাঁচজনের মধ্যে দুজন ফোনে কথা বলতে বলতে দৌড়ে পালিয়ে গেছে।’
ফুলবাড়ী থানা–পুলিশ বলছে, আসামিরা গত ২৬ নভেম্বর কুড়িগ্রাম সদরের আরডিআরএস বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী ও সারডোব এলাকার বাসিন্দা আব্দুস ছাত্তারের দোকানে একই কায়দায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে প্রতারণা করে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করে এবং নগদ ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে স্বীকার করেছেন।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুর রহমান জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে ফুলবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
২ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
৩ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
৩ ঘণ্টা আগে