প্রদীপ কুমার গোস্বামী, মিঠাপুকুর (রংপুর)

রংপুরের মিঠাপুকুরে ঝুঁকি নিয়ে চলছে ধান শুকানোর কাজ। উপজেলার রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক ও মিঠাপুকুর-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কেই ধান শুকাচ্ছেন চাষিরা। এতে ওইসব সড়ক দিয়ে যানবাহনকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি রয়েছে সড়কে ধান শুকানোর কাজে নিয়োজিতদেরও। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাষিরা একরকম নিরুপায় হয়েই সড়কে ধান শুকাতে এসেছেন। রংপুরের মিঠাপুকুরে ধান কেটে বেকায়দায় পড়েছিলেন চাষিরা। ধান কাটার পরপরই শুরু হয় বৃষ্টি। মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে পারছিলেন না তাঁরা। গত সোমবার থেকে ঝলমলে রোদ পেয়ে ধান শুকানোর ধুম পড়ে যায়। তবে ব্যক্তিগত চাতাল বা ধান শুকানোর মতো জায়গা না থাকায় সড়ক ও মহাসড়কেই ধান ও গোখাদ্য খড় শুকাতে আসেন তাঁরা।
স্থানীয় চাষিরা বলেন, ধান না শুকিয়ে স্তূপ করে রাখলে তাতে চারা গজিয়ে যায় এবং দুর্গন্ধ হয়। তাই সড়ক-মহাসড়কেই ধান শুকাতে আনতে হয়েছে।
ধান শুকাতে দেখা গেছে উত্তরের জনপদের সবচেয়ে ব্যস্ততম রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে। এ ছাড়া গড়ের মাথা, জায়গীর ও বৈরাগীগঞ্জ এলাকায়, মিঠাপুকুর-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের রসিদপুর, ভবানীপুর, পাগলার হাট, মোসলেম বাজার, তালিমগঞ্জ এলাকায় এবং গাইবান্ধা-মিঠাপুকুর-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কেও ধান শুকাতে দেখা গেছে।
মহাসড়কে ধান শুকাতে আসা মনোয়ার হোসেন রাখু জানান, তিনি দুই বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করেন। ধান কাটার পরই শুরু হয় বৃষ্টি। বেশি দিন স্তূপ করে রাখলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় মহাসড়কে ধান শুকাচ্ছেন।
এদিকে সড়কে ধান ও খড় শুকানোয় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক ও যাত্রীরা। মোটরসাইকেল আরোহী ওয়াজেদ মিয়া বলেন, সড়কে গো-খাদ্য খড় শুকানোর কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।
সড়কে ধান-খড় শুকানোর কারণে দুর্ঘটনার খবরও পাওয়া গেছে। গ্রাম পুলিশ চন্দন মহন্ত বলেন, ‘সড়কে খড় শুকাতে দেওয়ায় আমি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছি।’
বৈরাতী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ আঞ্চলিক ওই সড়কে ধান না শুকানোর জন্য চাষিদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন পরিদর্শক রফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়কে ধান শুকানোর কাজে নারীদের সংখ্যাই বেশি।

রংপুরের মিঠাপুকুরে ঝুঁকি নিয়ে চলছে ধান শুকানোর কাজ। উপজেলার রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক ও মিঠাপুকুর-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কসহ বিভিন্ন স্থানে সড়কেই ধান শুকাচ্ছেন চাষিরা। এতে ওইসব সড়ক দিয়ে যানবাহনকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি রয়েছে সড়কে ধান শুকানোর কাজে নিয়োজিতদেরও। যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাষিরা একরকম নিরুপায় হয়েই সড়কে ধান শুকাতে এসেছেন। রংপুরের মিঠাপুকুরে ধান কেটে বেকায়দায় পড়েছিলেন চাষিরা। ধান কাটার পরপরই শুরু হয় বৃষ্টি। মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও বৃষ্টির কারণে ধান শুকাতে পারছিলেন না তাঁরা। গত সোমবার থেকে ঝলমলে রোদ পেয়ে ধান শুকানোর ধুম পড়ে যায়। তবে ব্যক্তিগত চাতাল বা ধান শুকানোর মতো জায়গা না থাকায় সড়ক ও মহাসড়কেই ধান ও গোখাদ্য খড় শুকাতে আসেন তাঁরা।
স্থানীয় চাষিরা বলেন, ধান না শুকিয়ে স্তূপ করে রাখলে তাতে চারা গজিয়ে যায় এবং দুর্গন্ধ হয়। তাই সড়ক-মহাসড়কেই ধান শুকাতে আনতে হয়েছে।
ধান শুকাতে দেখা গেছে উত্তরের জনপদের সবচেয়ে ব্যস্ততম রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে। এ ছাড়া গড়ের মাথা, জায়গীর ও বৈরাগীগঞ্জ এলাকায়, মিঠাপুকুর-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের রসিদপুর, ভবানীপুর, পাগলার হাট, মোসলেম বাজার, তালিমগঞ্জ এলাকায় এবং গাইবান্ধা-মিঠাপুকুর-দিনাজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কেও ধান শুকাতে দেখা গেছে।
মহাসড়কে ধান শুকাতে আসা মনোয়ার হোসেন রাখু জানান, তিনি দুই বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করেন। ধান কাটার পরই শুরু হয় বৃষ্টি। বেশি দিন স্তূপ করে রাখলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় মহাসড়কে ধান শুকাচ্ছেন।
এদিকে সড়কে ধান ও খড় শুকানোয় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক ও যাত্রীরা। মোটরসাইকেল আরোহী ওয়াজেদ মিয়া বলেন, সড়কে গো-খাদ্য খড় শুকানোর কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।
সড়কে ধান-খড় শুকানোর কারণে দুর্ঘটনার খবরও পাওয়া গেছে। গ্রাম পুলিশ চন্দন মহন্ত বলেন, ‘সড়কে খড় শুকাতে দেওয়ায় আমি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছি।’
বৈরাতী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ আঞ্চলিক ওই সড়কে ধান না শুকানোর জন্য চাষিদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন পরিদর্শক রফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়কে ধান শুকানোর কাজে নারীদের সংখ্যাই বেশি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৯ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
২৪ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩৮ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৪৪ মিনিট আগে