নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

ভবিষ্যতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ ও বিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগে যেন পকেট কমিটি না হয় এ কারণে নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকা ও এ বিষয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. শিবলী সাদিক, এমপি।
এমপি শিবলী সাদিক বলেছেন, ‘আমি জীবিত থাকতে দিনাজপুর ৬ আসনে পকেট কমিটি হতে দেব না।’ আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ওপর গ্রেনেড হামলা ও নিহতদের স্মরণে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি।
সভায় বক্তব্যে শিবলী সাদিক এমপি বলেন, ‘কয়েকটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের পকেট কমিটি করায় পরবর্তীতে সেই ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। এবারও পকেট কমিটি করতে আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতা তোড়জোড় শুরু করেছে। তাদের অপচেষ্টা রুখে দিয়ে শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে ভবিষ্যতে ইউনিয়ন কমিটি করতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ পরিবার থেকে সদস্য নিতে নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানাই।’
সেই সঙ্গে গোপনে দলীয় বিশৃঙ্খলাকারীদের সঙ্গে আঁতাতকারীদের ভবিষ্যতে দলীয় সদস্যপদ হারানোর সন্দেহ পোষণ করেন এমপি শিবলী।
রোববার সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক ছাড়াও বক্তব্য রাখেন—উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান মানিক, সহসভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রুবেল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম মিয়া, পুটিমারা ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলামসহ ইউনিয়নের কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকেরা।
এ সময় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. পারুল বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একলাছুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মো. আবুল বাশার সবুজ, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাহিনুর রহমান সবুজ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামসুজ্জামান শানু, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দিলীপ কুমার ও মেহেদী হাসান, ছাত্রলীগ নেতা আরিফুজ্জামান জনি, আওয়ামী লীগের শালখুরিয়া ইউনিয়নের আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন ও আ. লীগের গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগ নেতা তৌহিদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ভবিষ্যতে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ ও বিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগে যেন পকেট কমিটি না হয় এ কারণে নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকা ও এ বিষয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. শিবলী সাদিক, এমপি।
এমপি শিবলী সাদিক বলেছেন, ‘আমি জীবিত থাকতে দিনাজপুর ৬ আসনে পকেট কমিটি হতে দেব না।’ আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ওপর গ্রেনেড হামলা ও নিহতদের স্মরণে এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি।
সভায় বক্তব্যে শিবলী সাদিক এমপি বলেন, ‘কয়েকটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের পকেট কমিটি করায় পরবর্তীতে সেই ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। এবারও পকেট কমিটি করতে আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতা তোড়জোড় শুরু করেছে। তাদের অপচেষ্টা রুখে দিয়ে শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে ভবিষ্যতে ইউনিয়ন কমিটি করতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ পরিবার থেকে সদস্য নিতে নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানাই।’
সেই সঙ্গে গোপনে দলীয় বিশৃঙ্খলাকারীদের সঙ্গে আঁতাতকারীদের ভবিষ্যতে দলীয় সদস্যপদ হারানোর সন্দেহ পোষণ করেন এমপি শিবলী।
রোববার সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক ছাড়াও বক্তব্য রাখেন—উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান মানিক, সহসভাপতি মো. সাদেকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রুবেল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম মিয়া, পুটিমারা ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলামসহ ইউনিয়নের কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকেরা।
এ সময় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. পারুল বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একলাছুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মো. আবুল বাশার সবুজ, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাহিনুর রহমান সবুজ, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামসুজ্জামান শানু, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দিলীপ কুমার ও মেহেদী হাসান, ছাত্রলীগ নেতা আরিফুজ্জামান জনি, আওয়ামী লীগের শালখুরিয়া ইউনিয়নের আহ্বায়ক মো. নুরুল আমিন ও আ. লীগের গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগ নেতা তৌহিদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে