
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘সরকার দেশে সহিংসতা চাপিয়ে দিতে চাইছে। এ সরকারের পদত্যাগের দাবি আমরা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে আসছি। দাবি না মানলে আন্দোলনে যাওয়ার কথা বলেছি। অথচ সরকার একতরফা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে; যা দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে দেবে।’
আজ শনিবার বিকেলে রংপুর নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে গণসংহতি আন্দোলনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকার যদি আমাদের দাবি না মানে, তাহলে দেশের গৌরবোজ্জ্বল গণ-অভ্যুত্থানের মতো জনগণকে সম্পৃক্ত করে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে, যা সরকারকে দাবি মানাতে বাধ্য করবে। এরপরও সরকার একতরফা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে গেলে, আমরা আন্দোলনকারীরা বিশ্বাস করি জনগণ এবার তাদের জয়ী হতে দেবে না। তাদের চক্রান্ত জনগণ বাস্তবায়ন করতে দেবে না।’
গণসংহতি আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক তৌহিদুর রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন। বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য হাসান মারুফ রুমী, কৃষক মজুর সংহতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আলীমুল কবির, রংপুর জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সংগঠক মুফাখখারুল মুন প্রমুখ।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয় আওয়ামী লীগের একসময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর বাড়িটি। ঝালকাঠি শহরের রোনালসে সড়কের সেই বাসভবনটি দুই বছর ধরে পরিত্যক্ত। একসময় আওয়ামী রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ভবনটি এখন পরিণ
২ ঘণ্টা আগে
যেদিকে চোখ যায়, পানি আর পানি। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি—সবখানেই জলাবদ্ধতার চিত্র। টানা বৃষ্টিতে যশোরের অভয়নগর, মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখন পানির নিচে। বাড়ি থেকে রাস্তায় যাওয়া-আসা করতে হচ্ছে সাঁকো অথবা ডিঙিনৌকায়।
২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁর আত্রাইয়ের বৈঠাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফলে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে খোলা জায়গায় ত্রিপল টানিয়ে পাঠদান চলছে। রোদ-বৃষ্টি আর কক্ষসংকটে পড়ালেখা করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভার আরসিসি ড্রেন নির্মাণকাজে অনিয়ম ও ধীর গতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠি দিয়েও কাজ শেষ করাতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় অন্তত ১০০ পরিবার দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে