রংপুর প্রতিনিধি

জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘খুনের ব্যাপারটাতে স্যরি বললে যায় না, প্রতিটি খুনের বিচার হতে হবে। এটা ইনসাফের দাবি। আবু সাঈদরা রাস্তায় নেমে স্লোগান দিয়েছিল—“উই ওয়ান্ট জাস্টিস”। আমরা ন্যায়বিচার চাই, বৈষম্য চাই না। ন্যায়বিচারের দাবি হচ্ছে, প্রতিটি খুনের বিচার হতে হবে।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রংপুর নগরীর শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে জামায়াতের মহানগর যুব বিভাগ আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘শহীদেরা চেয়েছিল একটি পরিচ্ছন্ন সমাজ। যেখানে চুরিচামারি, অপরাধ থাকবে না। চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, লুণ্ঠন আর চলবে না। নতুন নতুন আর কোনো আয়নাঘর হবে না। তারা চেয়েছিল মানবিক ও সাম্যের বাংলাদেশ। আমাদের ৩৪ হাজার ভাইবোন ও সন্তান পঙ্গু হয়ে গেছে; ৫০২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই চোখ হারিয়েছে; ৭০০ জনের অধিক মানুষের এক চোখ নষ্ট অন্য চোখটি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। আড়াই শর বেশি মানুষের মেরুদণ্ডে গুলি লেগেছে, তারা এখন অবশ হয়ে ঘরে অথবা হাসপাতালের বিছানায়।’
ডা. শফিক বলেন, ‘এই পরিবর্তনের পর আমরা দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম তারা যেন শান্ত থাকে। ধৈর্য ধরে তারা যেন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। দগদগে ঘা, শহীদের লাশ, চতুর্দিকে রক্ত, হাসপাতালের মর্গগুলোতে লাশের স্তূপ—এ সময় দেশের মানুষ ধৈর্যশীলের পরিচয় দিয়েছে। কোথাও কেউ জীবন, সম্পদ ও ইজ্জতের ওপর হাত দেয়নি। যারা ক্ষমতা থেকে চলে গেছে, তারা বলেছিল এই দল ক্ষমতা থেকে চলে গেলে দুই দিনে ৫ লাখ মানুষ হত্যা করা হবে। কিন্তু এতগুলো খুন কি হয়েছে? তারা খুনি হতে পারে, কিন্তু এ জাতি খুনি নয়। তারা চেয়েছিল লাখ লাখ মানুষকে খুন করে হলেও তাদের গদি টিকিয়ে রাখবে। যারা দেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে পাচার করবে, এ রকম কুসন্তান থেকে এ জাতিকে যেন আল্লাহ রক্ষা করেন।’
রাজনীতিবিদদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘শহীদদের সম্মান দেখান। যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের ত্যাগের প্রতি সম্মান দেখান। মানুষের ওপর জুলুম, মামলাবাণিজ্য, সমাজবিরোধী কোনো কাজ করবেন না, চাঁদাবাজি ও দখলদারি করবেন না।’
মহানগরের তাজহাট থানা জামায়াতের আমির মাওলানা রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান, মহানগর আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, জেলা সেক্রেটারি এনামুল হক, মহানগর শিবির সভাপতি নুরুল হুদা প্রমুখ।

জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘খুনের ব্যাপারটাতে স্যরি বললে যায় না, প্রতিটি খুনের বিচার হতে হবে। এটা ইনসাফের দাবি। আবু সাঈদরা রাস্তায় নেমে স্লোগান দিয়েছিল—“উই ওয়ান্ট জাস্টিস”। আমরা ন্যায়বিচার চাই, বৈষম্য চাই না। ন্যায়বিচারের দাবি হচ্ছে, প্রতিটি খুনের বিচার হতে হবে।’
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রংপুর নগরীর শহীদ আবু সাঈদ চত্বরে জামায়াতের মহানগর যুব বিভাগ আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, ‘শহীদেরা চেয়েছিল একটি পরিচ্ছন্ন সমাজ। যেখানে চুরিচামারি, অপরাধ থাকবে না। চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, লুণ্ঠন আর চলবে না। নতুন নতুন আর কোনো আয়নাঘর হবে না। তারা চেয়েছিল মানবিক ও সাম্যের বাংলাদেশ। আমাদের ৩৪ হাজার ভাইবোন ও সন্তান পঙ্গু হয়ে গেছে; ৫০২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই চোখ হারিয়েছে; ৭০০ জনের অধিক মানুষের এক চোখ নষ্ট অন্য চোখটি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। আড়াই শর বেশি মানুষের মেরুদণ্ডে গুলি লেগেছে, তারা এখন অবশ হয়ে ঘরে অথবা হাসপাতালের বিছানায়।’
ডা. শফিক বলেন, ‘এই পরিবর্তনের পর আমরা দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম তারা যেন শান্ত থাকে। ধৈর্য ধরে তারা যেন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। দগদগে ঘা, শহীদের লাশ, চতুর্দিকে রক্ত, হাসপাতালের মর্গগুলোতে লাশের স্তূপ—এ সময় দেশের মানুষ ধৈর্যশীলের পরিচয় দিয়েছে। কোথাও কেউ জীবন, সম্পদ ও ইজ্জতের ওপর হাত দেয়নি। যারা ক্ষমতা থেকে চলে গেছে, তারা বলেছিল এই দল ক্ষমতা থেকে চলে গেলে দুই দিনে ৫ লাখ মানুষ হত্যা করা হবে। কিন্তু এতগুলো খুন কি হয়েছে? তারা খুনি হতে পারে, কিন্তু এ জাতি খুনি নয়। তারা চেয়েছিল লাখ লাখ মানুষকে খুন করে হলেও তাদের গদি টিকিয়ে রাখবে। যারা দেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে পাচার করবে, এ রকম কুসন্তান থেকে এ জাতিকে যেন আল্লাহ রক্ষা করেন।’
রাজনীতিবিদদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘শহীদদের সম্মান দেখান। যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের ত্যাগের প্রতি সম্মান দেখান। মানুষের ওপর জুলুম, মামলাবাণিজ্য, সমাজবিরোধী কোনো কাজ করবেন না, চাঁদাবাজি ও দখলদারি করবেন না।’
মহানগরের তাজহাট থানা জামায়াতের আমির মাওলানা রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমান, মহানগর আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, জেলা সেক্রেটারি এনামুল হক, মহানগর শিবির সভাপতি নুরুল হুদা প্রমুখ।

আজ সকালে কারখানা দুটির কয়েক হাজার শ্রমিক কাজ শুরু করেন। এ সময় বিভিন্ন তলায় কর্মরত শ্রমিকেরা অসুস্থ হতে থাকেন। পরে শতাধিক শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
৩ মিনিট আগে
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বেরোবি শাখার সভাপতি মো. সুমন সরকার।
৯ মিনিট আগে
রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে হক ডকইয়ার্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম আহমেদ দেওয়ান (৬০)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ কাউটাইল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় আহমেদ দেওয়ানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আনা হয়।
১১ মিনিট আগে
তিনি বলেন, কোনো বিজিবির সদস্য যদি ব্যক্তিস্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার অংশ হয়ে কাজ করে তবে সে শুধু আইন ভাঙে না, রাষ্ট্রের নীতিকেও দুর্বল করে দেয়।
১৪ মিনিট আগে