গাইবান্ধা প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীরা তিনটি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দুটি আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রাসুল এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ১১৪ কেন্দ্রে ৬৬ হাজার ৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ঢেঁকি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার সাগর। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৪৯১ ভোট।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ১১৪ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ সারোয়ার কবির ৬৪ হাজার ১৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রশিদ সরকার পেয়েছেন ৬১ হাজার ৩৭ ভোট।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে ১৩৪ কেন্দ্রে ৫৭ হাজার ১১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব.) মফিজুল হক সরকার পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩৮২ ভোট।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ১৩৯ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ২ লাখ ১ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৫০ ভোট।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে ১৪৫ কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৩৯৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদ হাসান রিপন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা রাব্বি বুবলী পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫২৬ ভোট।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীরা তিনটি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দুটি আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রাসুল এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ১১৪ কেন্দ্রে ৬৬ হাজার ৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ঢেঁকি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার সাগর। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৪৯১ ভোট।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ১১৪ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ সারোয়ার কবির ৬৪ হাজার ১৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রশিদ সরকার পেয়েছেন ৬১ হাজার ৩৭ ভোট।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে ১৩৪ কেন্দ্রে ৫৭ হাজার ১১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব.) মফিজুল হক সরকার পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩৮২ ভোট।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ১৩৯ কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ২ লাখ ১ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ২৭ হাজার ৪৫০ ভোট।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে ১৪৫ কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৩৯৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদ হাসান রিপন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা রাব্বি বুবলী পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫২৬ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে