সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অগ্নিকাণ্ডে একটি কুটিরশিল্প কারখানা পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং প্রায় ৪ কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।
এদিকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কারখানার কর্তৃপক্ষ।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের বাউলপাড়া এলাকার ইলাহি কুটির ও শিল্পকারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইলাহি কুটিরশিল্প কারখানার ব্যবস্থাপক রিয়াদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, ওই কারখানায় রড, তারসহ ছয় ধরনের পণ্য উৎপাদন করা হয়। গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যার দিকে কারখানা বন্ধ করে চলে যান শ্রমিকেরা। পরে রাত ২টার দিকে নৈশপ্রহরীর মাধ্যমে জানতে পারেন কারখানায় আগুন লেগেছে। নৈশপ্রহরী ও এলাকাবাসী সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসার আগেই আগুন দ্রুত পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে।
পরে সৈয়দপুর, রংপুরের তারাগঞ্জ ও নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর মধ্যে পুড়ে যায় মূল্যবান মেশিনপত্র ও কারখানার সব মালামাল। এতে ক্ষতির পরিমাণ ৮ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় প্রায় ৪ কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুন নিয়ন্ত্রণের আগে আরও প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অগ্নিকাণ্ডে একটি কুটিরশিল্প কারখানা পুড়ে গেছে। এতে আনুমানিক ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং প্রায় ৪ কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস।
এদিকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কারখানার কর্তৃপক্ষ।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের বাউলপাড়া এলাকার ইলাহি কুটির ও শিল্পকারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইলাহি কুটিরশিল্প কারখানার ব্যবস্থাপক রিয়াদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, ওই কারখানায় রড, তারসহ ছয় ধরনের পণ্য উৎপাদন করা হয়। গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যার দিকে কারখানা বন্ধ করে চলে যান শ্রমিকেরা। পরে রাত ২টার দিকে নৈশপ্রহরীর মাধ্যমে জানতে পারেন কারখানায় আগুন লেগেছে। নৈশপ্রহরী ও এলাকাবাসী সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসার আগেই আগুন দ্রুত পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে।
পরে সৈয়দপুর, রংপুরের তারাগঞ্জ ও নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর মধ্যে পুড়ে যায় মূল্যবান মেশিনপত্র ও কারখানার সব মালামাল। এতে ক্ষতির পরিমাণ ৮ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় প্রায় ৪ কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুন নিয়ন্ত্রণের আগে আরও প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে।’

শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) খেলা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় টিকিটধারী দর্শকেরা রাজধানীর পল্লবীতে সড়ক অবরোধ করেছেন।
৪ মিনিট আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় ডিবির দাখিল করা চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করে বাদীর নারাজি দাখিলের পর মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই নির্দেশ দেন।
১৩ মিনিট আগে
পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনের আওতাধীন একটি পৌরসভা ও তিনটি উপজেলা বিএনপির কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২২ মিনিট আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীরা এখনো শনাক্ত হয়নি বলে দাবি করেছে মামলার বাদীপক্ষ। তারা বলছে, ডিবি পুলিশ তদন্ত করে একটি হাস্যকর প্রতিবেদন দিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট হয়নি। এ কারণে আরও তদন্ত প্রয়োজন।
২৮ মিনিট আগে