রংপুর প্রতিনিধি

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ফেসবুকে করা মন্তব্য উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। আজ সোমবার বিকেলে রংপুর কারমাইকেল কলেজে ‘মেধাবীদের মুখোমুখি ছাত্রশিবির’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার পরপরই রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অযাচিত যে বিতর্কের উদ্রেক করা হয়েছে, এতে মনে হচ্ছে যে তিনি কোনো ইনটেনশনের (উদ্দেশ্য) জায়গা থেকে কাজটি করেছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি এগুলো করতে পারতেন। তিনি যে কাজগুলো করেছেন, আমরা আশা করি, অতি দ্রুত তিনি বলবেন, এটা কেন করেছেন।’
নুরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘তিনি (মাহফুজ) সংবিধানবিরোধী যে কাজটি করেছেন, তাতে তিনি শপথের ভায়োলেশন করেছেন। কোনো রাগ বা বিরাগের বশবর্তী হয়ে কাউকে হুমকি দেওয়া বা কোনো বিষয়ে তার দায়িত্ব থাকাকালে এটা তার জন্য মানায় না।’
শিবির সেক্রটারি বলেন, ‘১৯৭৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে বা রাজাকারসংশ্লিষ্ট যে ইস্যুগুলো তিনি (মাহফুজ) নিয়ে এসেছেন, এগুলো ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নয়। এই ব্লেমগেমগুলো এর আগেও খেলা হয়েছে। এটা করে আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ফ্যাসিজম কায়েম করেছে। আবার যারা এই রাস্তা অবলম্বন করতে চায়, নিঃসন্দেহে দেশের জনগণ এটাকে ভালোভাবে নেবে না।’
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতার পর একটি ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। উপদেষ্টা পরিষদে মাহফুজসহ যাঁরা আছেন, তাঁদের সবার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জুলাই আন্দোলন করেছি।’ উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তাঁর ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন বলে আশা করেন শিবির সেক্রেটারি।
কোরআন দিবস উপলক্ষে এই১ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কারমাইকেল কলেজ শাখা ছাত্রশিবির। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক হাফেজ মেজবাহুল করিম, মহানগর সভাপতি নুরুল হুদা, সেক্রেটারি আনিসুর রহমান, জেলা সভাপতি ফিরোজ মাহমুদ প্রমুখ।

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ফেসবুকে করা মন্তব্য উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। আজ সোমবার বিকেলে রংপুর কারমাইকেল কলেজে ‘মেধাবীদের মুখোমুখি ছাত্রশিবির’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার পরপরই রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অযাচিত যে বিতর্কের উদ্রেক করা হয়েছে, এতে মনে হচ্ছে যে তিনি কোনো ইনটেনশনের (উদ্দেশ্য) জায়গা থেকে কাজটি করেছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি এগুলো করতে পারতেন। তিনি যে কাজগুলো করেছেন, আমরা আশা করি, অতি দ্রুত তিনি বলবেন, এটা কেন করেছেন।’
নুরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘তিনি (মাহফুজ) সংবিধানবিরোধী যে কাজটি করেছেন, তাতে তিনি শপথের ভায়োলেশন করেছেন। কোনো রাগ বা বিরাগের বশবর্তী হয়ে কাউকে হুমকি দেওয়া বা কোনো বিষয়ে তার দায়িত্ব থাকাকালে এটা তার জন্য মানায় না।’
শিবির সেক্রটারি বলেন, ‘১৯৭৭ সালে ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে বা রাজাকারসংশ্লিষ্ট যে ইস্যুগুলো তিনি (মাহফুজ) নিয়ে এসেছেন, এগুলো ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নয়। এই ব্লেমগেমগুলো এর আগেও খেলা হয়েছে। এটা করে আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে ফ্যাসিজম কায়েম করেছে। আবার যারা এই রাস্তা অবলম্বন করতে চায়, নিঃসন্দেহে দেশের জনগণ এটাকে ভালোভাবে নেবে না।’
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতার পর একটি ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। উপদেষ্টা পরিষদে মাহফুজসহ যাঁরা আছেন, তাঁদের সবার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জুলাই আন্দোলন করেছি।’ উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তাঁর ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন বলে আশা করেন শিবির সেক্রেটারি।
কোরআন দিবস উপলক্ষে এই১ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কারমাইকেল কলেজ শাখা ছাত্রশিবির। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ। এ ছাড়া বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক হাফেজ মেজবাহুল করিম, মহানগর সভাপতি নুরুল হুদা, সেক্রেটারি আনিসুর রহমান, জেলা সভাপতি ফিরোজ মাহমুদ প্রমুখ।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২১ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে