গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ভাগনের বিয়ের অনুষ্ঠানে মারামারি থামাতে গিয়ে ধাক্কায় খালা রওশন আরা (৬৫) নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘুড়িদহ ইউনিয়নের জাদুর তাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার ভোরে মারা যান তিনি।
রওশন আরা উপজেলার মথরপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুছ মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় স্বজনদের পক্ষ থেকে আজ সাঘাটা থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের জাদুর তাইড় গ্রামে (চৌধুরীপাড়া) মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে রাশেদ মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন রওশন আরা। অনুষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমের অ্যামপ্লিফায়ার হারিয়ে যায়। এ ঘটনায় একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সমাপ্ত ইসলামকে চোর সন্দেহ করায় উভয় পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাপ্ত ইসলামের আত্মীয়স্বজনের ১০–১২ জনের একটি দল ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে রাশেদের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় রওশন আরা বাধা দেওয়ার সময় তাঁদের ধাক্কায় মাটিতে পড়ে যান তিনি। আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে সাঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হলে বগুড়ার শজিমেকে ভর্তি করা হয়। সেখানে আজ ভোরে তিনি মারা যান। আজ সকালে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহাজাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ওসি মমতাজুল হক বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ভাগনের বিয়ের অনুষ্ঠানে মারামারি থামাতে গিয়ে ধাক্কায় খালা রওশন আরা (৬৫) নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘুড়িদহ ইউনিয়নের জাদুর তাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার ভোরে মারা যান তিনি।
রওশন আরা উপজেলার মথরপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুছ মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় স্বজনদের পক্ষ থেকে আজ সাঘাটা থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের জাদুর তাইড় গ্রামে (চৌধুরীপাড়া) মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে রাশেদ মিয়ার বিয়ের অনুষ্ঠানে আসেন রওশন আরা। অনুষ্ঠানে সাউন্ড সিস্টেমের অ্যামপ্লিফায়ার হারিয়ে যায়। এ ঘটনায় একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সমাপ্ত ইসলামকে চোর সন্দেহ করায় উভয় পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সমাপ্ত ইসলামের আত্মীয়স্বজনের ১০–১২ জনের একটি দল ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে রাশেদের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় রওশন আরা বাধা দেওয়ার সময় তাঁদের ধাক্কায় মাটিতে পড়ে যান তিনি। আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে সাঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হলে বগুড়ার শজিমেকে ভর্তি করা হয়। সেখানে আজ ভোরে তিনি মারা যান। আজ সকালে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল হক ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহাজাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ওসি মমতাজুল হক বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
৩ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে