ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। চার দিনের ব্যবধানে চালু থাকা দুটি ইউনিটের বয়লারের পাইপে ছিদ্র (লিকেজ) দেখা দেয়। এতে একটি গত শনিবার এবং অপরটি গতকাল মঙ্গলবার বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একটি এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে অপর একটি ইউনিট থেকে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে। আজ বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছ, বড়পুকুরিয়ার কয়লা ব্যবহার করে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে আসছে। তিনটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১ ও ২ নম্বর ইউনিট মিলে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে ২৫০ মেগাওয়াট। ৩ নম্বর ইউনিট ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন।
জানা গেছে, এর মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি বন্ধ রয়েছে। শুধু সচল ছিল ১ নম্বর ও ৩ নম্বর ইউনিট; যা থেকে প্রায় ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে যোগ করা হতো। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় গত শনিবার ৩ নম্বর ইউনিট বন্ধ করে দেওয়া হয়। চালু ছিল শুধু ১ নম্বর ইউনিটটি। সেই ইউনিটে বয়লারে ছিদ্র (লিকেজ) হওয়ায় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে একমাত্র সচল ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম। এতে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের শঙ্কা রয়েছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত মঙ্গলবার বিকেলে ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের পাইপে লিকেজ হয়। পরে ইউনিটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর আগে শনিবার ৩ নম্বর ইউনিটিও একই কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’
আবু বক্কর সিদ্দিক আরও বলেন, ‘১ নম্বর ইউনিট আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা সচল করতে পারব বলে আশা করছি। ৩ নম্বর ইউনিট আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সচল করা সম্ভব হবে।’

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। চার দিনের ব্যবধানে চালু থাকা দুটি ইউনিটের বয়লারের পাইপে ছিদ্র (লিকেজ) দেখা দেয়। এতে একটি গত শনিবার এবং অপরটি গতকাল মঙ্গলবার বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একটি এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে অপর একটি ইউনিট থেকে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে। আজ বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছ, বড়পুকুরিয়ার কয়লা ব্যবহার করে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে আসছে। তিনটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১ ও ২ নম্বর ইউনিট মিলে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে ২৫০ মেগাওয়াট। ৩ নম্বর ইউনিট ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন।
জানা গেছে, এর মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি বন্ধ রয়েছে। শুধু সচল ছিল ১ নম্বর ও ৩ নম্বর ইউনিট; যা থেকে প্রায় ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে যোগ করা হতো। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় গত শনিবার ৩ নম্বর ইউনিট বন্ধ করে দেওয়া হয়। চালু ছিল শুধু ১ নম্বর ইউনিটটি। সেই ইউনিটে বয়লারে ছিদ্র (লিকেজ) হওয়ায় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে একমাত্র সচল ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম। এতে উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের শঙ্কা রয়েছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত মঙ্গলবার বিকেলে ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের পাইপে লিকেজ হয়। পরে ইউনিটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর আগে শনিবার ৩ নম্বর ইউনিটিও একই কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’
আবু বক্কর সিদ্দিক আরও বলেন, ‘১ নম্বর ইউনিট আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা সচল করতে পারব বলে আশা করছি। ৩ নম্বর ইউনিট আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সচল করা সম্ভব হবে।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে