নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের বিএনএমের প্রার্থী শরিফুল ইসলামকে এক কলেজ অধ্যক্ষ হুমকি ও গালিগালাজ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই ঘটনার একটি অডিও রেকর্ড ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। শরিফুল ইসলাম নিজেও একটি কলেজের অধ্যক্ষ। এ ছাড়া তিনি বিএনএমের রাজশাহী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন।
অভিযুক্ত কলেজ অধ্যক্ষের নাম মোজাম্মেল হক। তিনি দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ। সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হয়েও দীর্ঘদিন দুর্গাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি এ ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ হলে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক।
তবে এবারের নির্বাচনের প্রচারের সময়ও তাঁকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারার সঙ্গে একমঞ্চে দেখা গেছে। আর শরিফুল ইসলাম দুর্গাপুরের হরিরামপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি এই নির্বাচনে বিএনএমের প্রার্থী হয়ে নোঙর প্রতীক নিয়ে লড়েন। ভোটে বিজয়ী হন আবদুল ওয়াদুদ দারা। পরে বৃহস্পতিবার রাতে শরিফুলকে ফোন করেন মোজাম্মেল।
অডিও রেকের্ড শোনা যায়, ফোন ধরেই শরিফুল ইসলাম সালাম দেন। এ সময় মোজাম্মেল হক ‘সালাম নিতে চাচ্ছি না’ বলেই গালিগালাজ শুরু করেন। বলেন, ‘তুই আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছিস তা এখনই তুলে নে...চামটি তুলে নিব, তুই কীভাবে চাকরি করিস! তিন দিন সময় দিনু, অভিযোগ তুইল্যা লিয়াসপু।...তুই পাছিসটা কি? আমরা দ্যাখ কি করছি...। তুই যুদি কোথাও লড়িস, তোর খবর আছে...। অভিযোগ তুইল্যা তুই আমার কাছে আসবি। চাম খুইল্যা লিব...।’
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এই নির্বাচনে আমি বিএনএমের প্রার্থী ছিলাম। ভোটের আগে আগে নাকি কে আমার নাম দিয়ে অভিযোগ দিয়েছে যে, মোজাম্মেল হক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হয়েও আওয়ামী লীগের পদে আছেন। এটা নিয়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে আমাকে ফোন করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বিষয়টা আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানিয়েছি। থানায় অভিযোগ করব।’
অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘শরিফুল ইসলাম একটা চিটার। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এটা নিয়ে আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু কোনো গালিগালাজ করিনি।’
দুর্গাপুর উপজে নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘বিএনএমের পরাজিত প্রার্থী বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। তবে আমি অডিও রেকর্ড শুনিনি। কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের বিএনএমের প্রার্থী শরিফুল ইসলামকে এক কলেজ অধ্যক্ষ হুমকি ও গালিগালাজ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই ঘটনার একটি অডিও রেকর্ড ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। শরিফুল ইসলাম নিজেও একটি কলেজের অধ্যক্ষ। এ ছাড়া তিনি বিএনএমের রাজশাহী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন।
অভিযুক্ত কলেজ অধ্যক্ষের নাম মোজাম্মেল হক। তিনি দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ। সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হয়েও দীর্ঘদিন দুর্গাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি এ ব্যাপারে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ হলে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক।
তবে এবারের নির্বাচনের প্রচারের সময়ও তাঁকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ দারার সঙ্গে একমঞ্চে দেখা গেছে। আর শরিফুল ইসলাম দুর্গাপুরের হরিরামপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি এই নির্বাচনে বিএনএমের প্রার্থী হয়ে নোঙর প্রতীক নিয়ে লড়েন। ভোটে বিজয়ী হন আবদুল ওয়াদুদ দারা। পরে বৃহস্পতিবার রাতে শরিফুলকে ফোন করেন মোজাম্মেল।
অডিও রেকের্ড শোনা যায়, ফোন ধরেই শরিফুল ইসলাম সালাম দেন। এ সময় মোজাম্মেল হক ‘সালাম নিতে চাচ্ছি না’ বলেই গালিগালাজ শুরু করেন। বলেন, ‘তুই আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছিস তা এখনই তুলে নে...চামটি তুলে নিব, তুই কীভাবে চাকরি করিস! তিন দিন সময় দিনু, অভিযোগ তুইল্যা লিয়াসপু।...তুই পাছিসটা কি? আমরা দ্যাখ কি করছি...। তুই যুদি কোথাও লড়িস, তোর খবর আছে...। অভিযোগ তুইল্যা তুই আমার কাছে আসবি। চাম খুইল্যা লিব...।’
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এই নির্বাচনে আমি বিএনএমের প্রার্থী ছিলাম। ভোটের আগে আগে নাকি কে আমার নাম দিয়ে অভিযোগ দিয়েছে যে, মোজাম্মেল হক সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হয়েও আওয়ামী লীগের পদে আছেন। এটা নিয়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে আমাকে ফোন করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বিষয়টা আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানিয়েছি। থানায় অভিযোগ করব।’
অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘শরিফুল ইসলাম একটা চিটার। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এটা নিয়ে আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু কোনো গালিগালাজ করিনি।’
দুর্গাপুর উপজে নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘বিএনএমের পরাজিত প্রার্থী বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। তবে আমি অডিও রেকর্ড শুনিনি। কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে