নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে নৌকার পাঁচটি নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে ক্যাম্পের পোস্টার ও অন্যান্য সরঞ্জাম।
আজ শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান ছেকার আহম্মেদ শিষানের কর্মী-সমর্থকেরা এসব ঘটিয়েছেন।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পৌরসভা এলাকার দুটি ও ইউনিয়ন এলাকায় নৌকার তিন ক্যাম্পে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এর আগে গত বুধবার রাতে পাঁচটি ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, পৌর এলাকার চকপ্রসাদ হিন্দুপাড়া, আনন্দনগর মৃধাপাড়া, চণ্ডীপুর ইউনিয়নের বলিরহাট, শৈলগাছি ইউনিয়নের সিংবাচা ও চকচাঁপার কুমড়াপাড়ায় মোট পাঁচটি ক্যাম্পে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
এসব ঘটনার সঙ্গে প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখার আহমেদ শিষানের লোকজন জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে এবং লিখিতভাবেও অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান ছেকার আহমেদ শিষানের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, নওগাঁ-৫ সদর আসনে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত ও বর্তমান সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল জন (নৌকা), আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান ছেকার আহমেদ শিষান (ট্রাক), জাসদের এম এস আজাদ হোসেন মুরাদ (মশাল), জাতীয় পার্টির মো. ইফতারুল ইসলাম বকুল (লাঙ্গল)।

নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে নৌকার পাঁচটি নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে ক্যাম্পের পোস্টার ও অন্যান্য সরঞ্জাম।
আজ শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান ছেকার আহম্মেদ শিষানের কর্মী-সমর্থকেরা এসব ঘটিয়েছেন।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পৌরসভা এলাকার দুটি ও ইউনিয়ন এলাকায় নৌকার তিন ক্যাম্পে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এর আগে গত বুধবার রাতে পাঁচটি ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও বলেন, পৌর এলাকার চকপ্রসাদ হিন্দুপাড়া, আনন্দনগর মৃধাপাড়া, চণ্ডীপুর ইউনিয়নের বলিরহাট, শৈলগাছি ইউনিয়নের সিংবাচা ও চকচাঁপার কুমড়াপাড়ায় মোট পাঁচটি ক্যাম্পে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
এসব ঘটনার সঙ্গে প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখার আহমেদ শিষানের লোকজন জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে এবং লিখিতভাবেও অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান ছেকার আহমেদ শিষানের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, নওগাঁ-৫ সদর আসনে মোট চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত ও বর্তমান সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল জন (নৌকা), আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান ছেকার আহমেদ শিষান (ট্রাক), জাসদের এম এস আজাদ হোসেন মুরাদ (মশাল), জাতীয় পার্টির মো. ইফতারুল ইসলাম বকুল (লাঙ্গল)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে