শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বাসের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশারচালকসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। অপর একজন আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের রাজাপুর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতেরা হলেন, শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চমর পাথালালিয়া গ্রামের বদিউজ্জামানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩০), শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ধরমোকাম গ্রামের মৃত রহমত উল্লাহর ছেলে বাবলু প্রাং (৬০), ধুনট উপজেলার শ্যামগাতী গ্রামের শাবান আলীর ছেলে হৃদয় (২০) ও তার স্ত্রী সাফিয়া বেগম (১৮)। নিহত আরেকজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। অপর দিকে আহত ব্যক্তির নাম রতন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেরপুরের মির্জাপুর থেকে যাত্রী বোঝাই একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা উপজেলার ছোনকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। অটোরিকশাটি উপজেলার রাজাপুর নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা (ঢাকা থেকে নওগাঁ) হানিফ পরিবহনের একটি বাস চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই এক নারীসহ পাঁচজন অটোরিকশা যাত্রীর মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী এক ভ্যানচালক জানান, অটোরিকশাটি মহাসড়কের বামপাশ দিয়েই যাচ্ছিল। কিন্তু বিপরীত দিক থেকে আসা হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি বেপরোয়া গতিতে অপর একটি বাসকে অতিক্রম করার চেষ্টা করে। এই অবস্থায় অটোরিকশাটি সড়ক থেকে নামার চেষ্টা করলেও মহাসড়কের পাশে রাখা বালিতে আটকে যায়। এ সময় বাসটি অটোরিকশাটিকে চাপা দিলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার বিষয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন নাদির হোসেন জানান, আমরা খবর পেয়ে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি।
এ বিষয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বানিউল আনাম বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছি। তবে গাড়ির চালক ও হেলপারকে আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনা কবলিত অটোরিকশা ও বাসটি পুলিশি হেফাজতে নিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। লাশগুলো তৎক্ষণাৎ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বাসের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশারচালকসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। অপর একজন আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের রাজাপুর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতেরা হলেন, শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চমর পাথালালিয়া গ্রামের বদিউজ্জামানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩০), শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ধরমোকাম গ্রামের মৃত রহমত উল্লাহর ছেলে বাবলু প্রাং (৬০), ধুনট উপজেলার শ্যামগাতী গ্রামের শাবান আলীর ছেলে হৃদয় (২০) ও তার স্ত্রী সাফিয়া বেগম (১৮)। নিহত আরেকজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। অপর দিকে আহত ব্যক্তির নাম রতন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেরপুরের মির্জাপুর থেকে যাত্রী বোঝাই একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা উপজেলার ছোনকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। অটোরিকশাটি উপজেলার রাজাপুর নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা (ঢাকা থেকে নওগাঁ) হানিফ পরিবহনের একটি বাস চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই এক নারীসহ পাঁচজন অটোরিকশা যাত্রীর মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী এক ভ্যানচালক জানান, অটোরিকশাটি মহাসড়কের বামপাশ দিয়েই যাচ্ছিল। কিন্তু বিপরীত দিক থেকে আসা হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি বেপরোয়া গতিতে অপর একটি বাসকে অতিক্রম করার চেষ্টা করে। এই অবস্থায় অটোরিকশাটি সড়ক থেকে নামার চেষ্টা করলেও মহাসড়কের পাশে রাখা বালিতে আটকে যায়। এ সময় বাসটি অটোরিকশাটিকে চাপা দিলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার বিষয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন নাদির হোসেন জানান, আমরা খবর পেয়ে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি।
এ বিষয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বানিউল আনাম বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছি। তবে গাড়ির চালক ও হেলপারকে আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনা কবলিত অটোরিকশা ও বাসটি পুলিশি হেফাজতে নিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। লাশগুলো তৎক্ষণাৎ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের বাড়ি ও জমি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আদেশ দেন দেন।
৭ মিনিট আগে
ময়মনসিংহ নগরীতে পুলিশ সদস্যদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলাম নামের এক আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা। হামলায় পাঁচ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর দিগারকান্দা ফিশারিজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা
১০ মিনিট আগে
তিন দিন ধরে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে কুমির বিচরণ করতে দেখা গেছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তীরবর্তী এলাকায় নদীতে কখনো সকালে, কখনো দুপুরে কুমির ভেসে উঠছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। হঠাৎ পদ্মায় কুমির বিচরণের খবর শুনে তা দেখতে নদীতীরে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
২৭ মিনিট আগে
দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে হাসি ফিরেছে সুমন-এনি দম্পতির ঘরে। আজ মঙ্গলবার একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতককে নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ওই প্রসূতি পাঁচ সন্তান জন্ম দেন। তার মধ্যে তিনজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
১ ঘণ্টা আগে