নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

কম ভোট পাওয়ায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের তিন মেয়র প্রার্থী জামানাত হারাচ্ছেন। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, যদি প্রদত্ত মোট ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট কোনো প্রার্থী না পান তাহলে তার জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়। রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের প্রতিদ্বন্দ্বী তিন প্রার্থীই জামানত হারাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত রাজশাহী সিটি নির্বাচনে চারজন মেয়রপ্রার্থী ছিলেন। চারজনে মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৮ ভোট। এই ভোটের আট ভাগের এক ভাগ হচ্ছে ২৪ হাজার ৪৫৭ ভোট। কিন্তু একমাত্র লিটন ছাড়া ছাড়া অন্য কোনো মেয়রপ্রার্থী এই পরিমাণ ভোট পাননি। ফলে অন্য মেয়রপ্রার্থীরা জামানত হারাচ্ছেন।
ফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ২৯০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মুরশিদ আলম পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের সাইফুল ইসলাম স্বপন পেয়েছেন ১০ হাজার ২৭২ ভোট। আর জাকের পার্টির মেয়র প্রার্থী গোলাপ ফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে লতিফ আনোয়ার পেয়েছেন ১১ হাজার ৭১৩ ভোট।
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই তিন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে দেওয়া জামানতের ২০ হাজার করে টাকা ফিরে পাবেন না।
জামানত বাজেয়াপ্ত প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মেয়রপ্রার্থী মুরশিদ আলম বলেন, ‘আমরা তো আগেই ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছি। কাজেই এই ভোটে আমাদের অংশগ্রহণ নেই। যারা আমাদের ভালোবাসেন তারা হয়তো ভোট দিয়েছেন। জামানত বাজেয়াপ্ত নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই’।
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার জানান, রাসিক নির্বাচনে মোট ৫৬ দশমিক ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ২ হাজার ৭০টি। অনেকে ভোট দিলেও চূড়ান্ত বাটনে চাপ দেননি। আবার অনেকে একই পদে একাধিক ব্যক্তিকে ভোট দিয়েছেন। তাই এসব ভোট বাতিল হয়েছে।

কম ভোট পাওয়ায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনের তিন মেয়র প্রার্থী জামানাত হারাচ্ছেন। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, যদি প্রদত্ত মোট ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট কোনো প্রার্থী না পান তাহলে তার জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়। রাজশাহী সিটি নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের প্রতিদ্বন্দ্বী তিন প্রার্থীই জামানত হারাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত রাজশাহী সিটি নির্বাচনে চারজন মেয়রপ্রার্থী ছিলেন। চারজনে মোট ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৮ ভোট। এই ভোটের আট ভাগের এক ভাগ হচ্ছে ২৪ হাজার ৪৫৭ ভোট। কিন্তু একমাত্র লিটন ছাড়া ছাড়া অন্য কোনো মেয়রপ্রার্থী এই পরিমাণ ভোট পাননি। ফলে অন্য মেয়রপ্রার্থীরা জামানত হারাচ্ছেন।
ফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ২৯০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মুরশিদ আলম পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের সাইফুল ইসলাম স্বপন পেয়েছেন ১০ হাজার ২৭২ ভোট। আর জাকের পার্টির মেয়র প্রার্থী গোলাপ ফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে লতিফ আনোয়ার পেয়েছেন ১১ হাজার ৭১৩ ভোট।
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই তিন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে দেওয়া জামানতের ২০ হাজার করে টাকা ফিরে পাবেন না।
জামানত বাজেয়াপ্ত প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মেয়রপ্রার্থী মুরশিদ আলম বলেন, ‘আমরা তো আগেই ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছি। কাজেই এই ভোটে আমাদের অংশগ্রহণ নেই। যারা আমাদের ভালোবাসেন তারা হয়তো ভোট দিয়েছেন। জামানত বাজেয়াপ্ত নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই’।
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার জানান, রাসিক নির্বাচনে মোট ৫৬ দশমিক ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ২ হাজার ৭০টি। অনেকে ভোট দিলেও চূড়ান্ত বাটনে চাপ দেননি। আবার অনেকে একই পদে একাধিক ব্যক্তিকে ভোট দিয়েছেন। তাই এসব ভোট বাতিল হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে