পাবনা প্রতিনিধি

একটি জিনস প্যান্ট কেনাবেচা নিয়ে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির জেরে তাঁত ব্যবসায়ী ইলিয়াস হোসেনকে কুপিয়ে এবং দেহ থেকে দুই পা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবের কাছে এ তথ্য জানিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামি।
আজ বৃহস্পতিবার পাবনা সদর উপজেলার চাঞ্চল্যকর এ হত্যার প্রধান আসামি বাবলু ব্যাপারীকে (৪২) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাব। তাঁকে সকালে সদর থানার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেলে জেলার সাঁথিয়া উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাবলু সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জালালপুর নতুনপাড়া গ্রামের মৃত মুছা ব্যাপারীর ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃত বাবলুর বরাত দিয়ে হত্যার কারণ সম্পর্কে র্যাব জানায়, গত ৯ জুলাই জালালপুর বাজারে একটি জিনস প্যান্ট কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে নিহত ইলিয়াস ও গ্রেপ্তার বাবলুর মধ্যে কথা-কাটাকাটি আর হাতাহাতির জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান বাবলু। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে আতাইকুলা থানায় একটি হত্যা মামলাসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
র্যাব ও স্থানীয়রা বলছে, গ্রেপ্তারকৃত বাবলু ব্যাপারী আগে চরমপন্থী সংগঠন লাল পতাকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে জেলার বিভিন্ন চরমপন্থীদের সঙ্গে তিনিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেছিলেন। সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করে আসছিলেন বাবলু ব্যাপারী।
র্যাব-১২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তৌহিদুল মবিন খান জানান, গত ৩১ জুলাই ধোপাঘাটা গ্রামে একটি খেতের পাশ থেকে ইলিয়াস হোসেন নামের এক তাত ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার হয়। ইলিয়াসের মাথা ও ঘাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাঁর শরীর ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং তার দুই পা হাঁটু থেকে বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এ ঘটনার পরদিন (১ আগস্ট) সদর থানায় একটি মামলা দায়েরের পর বিষয়টি নিয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে র্যাব। অবশেষে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

একটি জিনস প্যান্ট কেনাবেচা নিয়ে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির জেরে তাঁত ব্যবসায়ী ইলিয়াস হোসেনকে কুপিয়ে এবং দেহ থেকে দুই পা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবের কাছে এ তথ্য জানিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামি।
আজ বৃহস্পতিবার পাবনা সদর উপজেলার চাঞ্চল্যকর এ হত্যার প্রধান আসামি বাবলু ব্যাপারীকে (৪২) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাব। তাঁকে সকালে সদর থানার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেলে জেলার সাঁথিয়া উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাবলু সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জালালপুর নতুনপাড়া গ্রামের মৃত মুছা ব্যাপারীর ছেলে।
গ্রেপ্তারকৃত বাবলুর বরাত দিয়ে হত্যার কারণ সম্পর্কে র্যাব জানায়, গত ৯ জুলাই জালালপুর বাজারে একটি জিনস প্যান্ট কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে নিহত ইলিয়াস ও গ্রেপ্তার বাবলুর মধ্যে কথা-কাটাকাটি আর হাতাহাতির জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান বাবলু। তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে আতাইকুলা থানায় একটি হত্যা মামলাসহ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
র্যাব ও স্থানীয়রা বলছে, গ্রেপ্তারকৃত বাবলু ব্যাপারী আগে চরমপন্থী সংগঠন লাল পতাকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে জেলার বিভিন্ন চরমপন্থীদের সঙ্গে তিনিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেছিলেন। সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও ভোগ করে আসছিলেন বাবলু ব্যাপারী।
র্যাব-১২ পাবনার কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তৌহিদুল মবিন খান জানান, গত ৩১ জুলাই ধোপাঘাটা গ্রামে একটি খেতের পাশ থেকে ইলিয়াস হোসেন নামের এক তাত ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার হয়। ইলিয়াসের মাথা ও ঘাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাঁর শরীর ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং তার দুই পা হাঁটু থেকে বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এ ঘটনার পরদিন (১ আগস্ট) সদর থানায় একটি মামলা দায়েরের পর বিষয়টি নিয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে র্যাব। অবশেষে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে