রিমন রহমান, রাজশাহী

পিএইচডি না করেও ডক্টরেট ডিগ্রি ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) এক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সাল থেকে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি ব্যবহার করছেন ওই কর্মকর্তা। ২০২০ সালে এ বিষয়ে অভিযোগ দেওয়া হলেও তখন ধামাচাপা পড়ে। সম্প্রতি ফের অভিযোগটি বিএমডিএকে যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন বিএমডিএর সদর দপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. আবুল কাসেম। এর আগে তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন। নামের আগে তিনি ‘ড.’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। গতকাল রোববার রাত পর্যন্ত বিএমডিএর ওয়েবসাইটে কর্মকর্তাদের তালিকায় তাঁর নামের আগে ‘ড.’ দেখা গেছে। বিভিন্ন দাপ্তরিক চিঠিপত্রেও একই নাম লেখেন তিনি।
বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া পিএইচডি ডিগ্রি ব্যবহারের অভিযোগ তুলে আবুল কাসেমের বিরুদ্ধে ২০২০ সালে নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন কৃষি মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৫ জুন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-১ অধিশাখার তৎকালীন উপসচিব মো. আসাদুজ্জামান এক চিঠিতে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালককে বিষয়টি যাচাইয়ের নির্দেশ দেন। আবুল কাসেম পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে থাকলে তিনি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েছেন কি না, অনুমোদন নিয়ে থাকলে তার সনদ ও গবেষণাপত্র (থিসিস) দাখিল করতে বলা হয়। এ ছাড়া নামের আগে ‘ড.’ শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েছেন কি না, সেটিও জানাতে বলা হয়।
এই চিঠি আসার পরে বিষয়টি ধামাচাপা দেন তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক। এর পরের বছরই কাসেমকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে পরিকল্পনা শাখার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে (চলতি দায়িত্ব) পদায়ন করা হয়। চার বছর পর অভিযোগের ব্যাপারে আবারও ১৫-২০ দিন আগে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ওই একই চিঠি পাঠানো হয়েছে বর্তমান নির্বাহী পরিচালকের কাছে। তবে তিনি এখনো যাচাই কার্যক্রম শুরু করেননি।
এ বিষয়ে নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশীদ বলেন, ‘চার বছর আগে আমি নির্বাহী পরিচালক ছিলাম না। তখন মন্ত্রণালয় থেকে আসা চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা জানি না। মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছি। আবুল কাসেম কোথায় পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছেন, পিএইচডির জন্য পড়াশোনা করলে এর জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েছিলেন কি না, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে নামের আগে ‘ড.’ ব্যবহার করছেন কি না, তা চিঠি দিয়েই জানতে চাইব। চিঠি রেডি করছি। তিনি লিখিত জবাব দেবেন, আমিও লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়ে জানাব।’
বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, কাসেম প্রকৌশলী হিসেবে বিএমডিএতে যোগদান করেন ১৯৯৪ সালে। এরপর ২০১০ সালে নামের আগে ‘ড.’ লেখা শুরু করেন। আদৌ তিনি পিএইচডি করেছেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ, পিএইচডি পড়াশোনার জন্য তিনি কখনো ছুটি নেননি। পিএইচডি ডিগ্রি ব্যবহার করে তিনি নিজেকে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তা হিসেবে জাহির করেন। বাগিয়ে নেন পদোন্নতি। বিএমডিএর অনুমোদিত জনবলকাঠামোতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কোনো পদই নেই। অথচ তিনি চতুর্থ গ্রেডে অবৈধ এ পদে আসীন ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর।
অভিযোগের বিষয়ে কাসেম বলেন, ‘পিএইচডি ডিগ্রি ব্যবহারের ফলে আমি কোনো সুবিধা পাই না। সুতরাং এটা আমাকে করতেই হবে, তারও কোনো মানে নেই। আমি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক করেছি। তারপর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করেছি রুয়েট থেকে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। তারপর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিসট্যান্ট লার্নিং নিয়ে পিএইচডি করেছি। ২০০৫ সালে ভর্তি হয়ে ২০০৯ সালে শেষ করেছি। পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েই কথা কেন? আমি তো স্নাতকের ডিগ্রি দিয়েই উচ্চপদে চাকরি করতে পারব।’
কাসেমের দাবি, তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি ভুয়া নয়। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েই তিনি পিএইচডি করেছেন। তবে এর জন্য কোনো ছুটি নেননি।

পিএইচডি না করেও ডক্টরেট ডিগ্রি ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) এক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সাল থেকে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি ব্যবহার করছেন ওই কর্মকর্তা। ২০২০ সালে এ বিষয়ে অভিযোগ দেওয়া হলেও তখন ধামাচাপা পড়ে। সম্প্রতি ফের অভিযোগটি বিএমডিএকে যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন বিএমডিএর সদর দপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. আবুল কাসেম। এর আগে তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন। নামের আগে তিনি ‘ড.’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন। গতকাল রোববার রাত পর্যন্ত বিএমডিএর ওয়েবসাইটে কর্মকর্তাদের তালিকায় তাঁর নামের আগে ‘ড.’ দেখা গেছে। বিভিন্ন দাপ্তরিক চিঠিপত্রেও একই নাম লেখেন তিনি।
বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া পিএইচডি ডিগ্রি ব্যবহারের অভিযোগ তুলে আবুল কাসেমের বিরুদ্ধে ২০২০ সালে নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন কৃষি মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ২৫ জুন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপকরণ-১ অধিশাখার তৎকালীন উপসচিব মো. আসাদুজ্জামান এক চিঠিতে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালককে বিষয়টি যাচাইয়ের নির্দেশ দেন। আবুল কাসেম পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে থাকলে তিনি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েছেন কি না, অনুমোদন নিয়ে থাকলে তার সনদ ও গবেষণাপত্র (থিসিস) দাখিল করতে বলা হয়। এ ছাড়া নামের আগে ‘ড.’ শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েছেন কি না, সেটিও জানাতে বলা হয়।
এই চিঠি আসার পরে বিষয়টি ধামাচাপা দেন তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক। এর পরের বছরই কাসেমকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থেকে পরিকল্পনা শাখার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে (চলতি দায়িত্ব) পদায়ন করা হয়। চার বছর পর অভিযোগের ব্যাপারে আবারও ১৫-২০ দিন আগে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ওই একই চিঠি পাঠানো হয়েছে বর্তমান নির্বাহী পরিচালকের কাছে। তবে তিনি এখনো যাচাই কার্যক্রম শুরু করেননি।
এ বিষয়ে নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশীদ বলেন, ‘চার বছর আগে আমি নির্বাহী পরিচালক ছিলাম না। তখন মন্ত্রণালয় থেকে আসা চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, তা জানি না। মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছি। আবুল কাসেম কোথায় পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েছেন, পিএইচডির জন্য পড়াশোনা করলে এর জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েছিলেন কি না, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে নামের আগে ‘ড.’ ব্যবহার করছেন কি না, তা চিঠি দিয়েই জানতে চাইব। চিঠি রেডি করছি। তিনি লিখিত জবাব দেবেন, আমিও লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়ে জানাব।’
বিএমডিএ সূত্রে জানা গেছে, কাসেম প্রকৌশলী হিসেবে বিএমডিএতে যোগদান করেন ১৯৯৪ সালে। এরপর ২০১০ সালে নামের আগে ‘ড.’ লেখা শুরু করেন। আদৌ তিনি পিএইচডি করেছেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ, পিএইচডি পড়াশোনার জন্য তিনি কখনো ছুটি নেননি। পিএইচডি ডিগ্রি ব্যবহার করে তিনি নিজেকে জ্যেষ্ঠ ও যোগ্য কর্মকর্তা হিসেবে জাহির করেন। বাগিয়ে নেন পদোন্নতি। বিএমডিএর অনুমোদিত জনবলকাঠামোতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কোনো পদই নেই। অথচ তিনি চতুর্থ গ্রেডে অবৈধ এ পদে আসীন ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর।
অভিযোগের বিষয়ে কাসেম বলেন, ‘পিএইচডি ডিগ্রি ব্যবহারের ফলে আমি কোনো সুবিধা পাই না। সুতরাং এটা আমাকে করতেই হবে, তারও কোনো মানে নেই। আমি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক করেছি। তারপর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করেছি রুয়েট থেকে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। তারপর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিসট্যান্ট লার্নিং নিয়ে পিএইচডি করেছি। ২০০৫ সালে ভর্তি হয়ে ২০০৯ সালে শেষ করেছি। পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েই কথা কেন? আমি তো স্নাতকের ডিগ্রি দিয়েই উচ্চপদে চাকরি করতে পারব।’
কাসেমের দাবি, তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি ভুয়া নয়। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়েই তিনি পিএইচডি করেছেন। তবে এর জন্য কোনো ছুটি নেননি।

পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা খরচ করে ড্রেজিং করা হলেও বন্দরটিতে জাহাজ ভিড়তে পারছে না। নাব্যতা-সংকট থাকায় পায়রা বন্দরের জাহাজগুলো ভিড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং আরপিসিএল-নরিনকো ইন্টারন্যাশনাল পাওয়ার লিমিটেড (আরএনপিএল)...
৪ ঘণ্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সোনারামপুর সেতুর ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে সামাউন (২০) এবং একই উপজেলার লক্ষ্মীপুর...
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর শনির আখড়া এলাকায় দলবল নিয়ে গ্যাসের একটি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে মহল্লাবাসীর আগ্রাসী বাধার মুখে কাজ ফেলে ফিরে এসেছে তিতাসের একটি দল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র্যাবের উপস্থিতিতে অভিযানকারীরা হামলার মুখে পিছু হটেন।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজবাড়ীর পাংশায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে সুগন্ধা ফিলিং স্টেশন এলাকার রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছে পৌরসভার কুড়াপাড়া গ্রামের ইব্রাহিম শেখের ছেলে মিরাজ শেখ (১৬) ও সাইদুল প্রামাণিকের ছেলে সজীব প্রামাণিক (১৭)।
৭ ঘণ্টা আগে