
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামমন্দির নির্মাণে বাধা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য দেবতা শ্রীরামচন্দ্রের অবমাননার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জোহা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে অংশগ্রহণকারীরা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিফলকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নেন।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত বন্ধ করো, সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ো’; ‘বৈষম্য দূর করো, সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ো’; ‘সনাতনীর অধিকার রক্ষা করো’; ‘ধর্ম যার যার, অধিকার সবারসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী বকুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা বারবার রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। একই দেশে বসবাস, একই কর প্রদান এবং একই শিক্ষাব্যবস্থার আওতায় থেকেও আমরা সমান সুযোগ পাই না। রাষ্ট্রের অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে আমাদের অবদান রয়েছে। আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না, শুধু ন্যায়বিচার চাই।’
সমাবেশে রাবির মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. অমিত কুমার দত্ত বলেন, ‘আমরা সব সময় একটি অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশে বিশ্বাস করি। আমরা কারও বিরুদ্ধে নই, আমরা চাই সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হোক। ধর্মীয় বিদ্বেষ ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে সাড়ে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দে দমদমা ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে দুই বছর আগে। কিন্তু কার্যক্রম শুরু করার প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় অর্থ বরাদ্দ ও জনবল নিয়োগ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে কেন্দ্রটির বিভিন্ন আসবাব।
২ ঘণ্টা আগে
নাটোরের গুরুদাসপুরে গুমানী নদীর সেতুর মাপজোক, মাটি পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও নকশার জটিলতায় নির্মাণকাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে তিনটি ইউনিয়নের অন্তত ৪০ হাজার মানুষ খেয়ায় রশি টেনে নদী পারাপার হচ্ছে। এতে করে তারা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
রোববার বাংলাদেশ সময় আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সৌদি আরবের রিয়াদের খোরদাম শহরের ওই কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। নিহতেরা জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে ওই সোফা তৈরির কারখানায় কর্মরত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
নিহত স্বপ্না খাতুনের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার তিলাটিয়া এলাকায়। তাঁর পিতার নাম আলকাছ শিপরা। তাঁর স্বামী রুবেল মিয়ার বাড়ি ময়মনসিংহ সদর থানার সানকিপাড়া এলাকায়। নিহত স্বপ্না মানুষের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। তার স্বামী রুবেল বেকার ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে