নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর বাগমারায় এক গৃহবধূর ঘরে ঢুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এর বিচারে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রাম্য সালিস বসিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের বিচার গ্রাম্য সালিসে করায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে সালিস বসিয়ে এই বিচার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এমন অপরাধের বিচার সালিসে করা ঠিক হয়নি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি এমন অপরাধের সঙ্গে আর জড়াবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন। মাতব্বরদের পক্ষে বলা হয়েছে, বিচার করার এখতিয়ার না থাকলেও সালিসে তা মীমাংসা করে দেওয়া হয়েছে। উভয় পরিবারের দিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের চেউখালী গ্রামের মোজাহার আলী এক গৃহবধূর ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং শ্লীলতাহানি ঘটান। এ ঘটনায় পরদিন (ঈদের দিন) গৃহবধূর স্বামী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেন। পরে বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এদিকে মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে গ্রামে সালিস বসানো হয়। ওই সালিসে ইউপি সদস্য আমানুল্লাহসহ গ্রামের মাতব্বরেরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে শমসের আলী, আবু সাঈদ, আলা হোসেন ও আবেদ আলী নেতৃত্ব দেন। তাঁরা এলাকার মাতব্বর ও প্রভাবশালী। সালিসে মাতব্বরদের জেরার মুখে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন।
মাতব্বরেরা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে অপরাধের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়াবেন না বলে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়। আবার এ ধরনের অপরাধে জড়ালে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হবে বলে লিখিত মুচলেকায় উল্লেখ করা হয়।
সালিসের বিষয়ে ইউপি সদস্য আমানুল্লাহ বলেন, বিষয়টির সুরাহা করা হয়েছে। কীভাবে করা হলো, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি তা এড়িয়ে যান। সালিসে উপস্থিত থাকা শমসের আলী নামের এক মাতব্বর বলেন, বিচার করলে অনেক কিছু করতে হয়, সবদিক বিবেচনা করে অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিযোগকারী ব্যক্তিকে ১৫ হাজার টাকা, স্থানীয় মসজিদে ২ হাজার টাকা এবং ৩ হাজার টাকার মিষ্টি কিনে সালিসে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পরিবারের পক্ষেও এমনটিও চাওয়া হয়েছিল। উভয় পরিবারের দিক বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তে উভয় পক্ষ খুশি। তবে অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বকুল সরদার জানান, তিনি ঈদের দিন লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। ওই সময় ছুটি থাকায় নোটিশ করতে পারেননি। বিষয়টি দেখার জন্য ইউপি সদস্যের মাধ্যমে স্থানীয় লোকজনদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযোগে কী লেখা ছিল, তা তিনি পড়েননি। কী হয়েছে, তা–ও তিনি জানেন না।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের চেষ্টা হয়ে থাকলে তা গ্রাম্য সালিসে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। যদি থানায় জানানো হয়, তাহলে মামলা নেওয়া হবে।

রাজশাহীর বাগমারায় এক গৃহবধূর ঘরে ঢুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এর বিচারে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রাম্য সালিস বসিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের বিচার গ্রাম্য সালিসে করায় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে সালিস বসিয়ে এই বিচার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এমন অপরাধের বিচার সালিসে করা ঠিক হয়নি। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি এমন অপরাধের সঙ্গে আর জড়াবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন। মাতব্বরদের পক্ষে বলা হয়েছে, বিচার করার এখতিয়ার না থাকলেও সালিসে তা মীমাংসা করে দেওয়া হয়েছে। উভয় পরিবারের দিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের চেউখালী গ্রামের মোজাহার আলী এক গৃহবধূর ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং শ্লীলতাহানি ঘটান। এ ঘটনায় পরদিন (ঈদের দিন) গৃহবধূর স্বামী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চেয়ে আবেদন করেন। পরে বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এদিকে মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে গ্রামে সালিস বসানো হয়। ওই সালিসে ইউপি সদস্য আমানুল্লাহসহ গ্রামের মাতব্বরেরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে শমসের আলী, আবু সাঈদ, আলা হোসেন ও আবেদ আলী নেতৃত্ব দেন। তাঁরা এলাকার মাতব্বর ও প্রভাবশালী। সালিসে মাতব্বরদের জেরার মুখে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন।
মাতব্বরেরা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে অপরাধের জন্য ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়াবেন না বলে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়। আবার এ ধরনের অপরাধে জড়ালে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হবে বলে লিখিত মুচলেকায় উল্লেখ করা হয়।
সালিসের বিষয়ে ইউপি সদস্য আমানুল্লাহ বলেন, বিষয়টির সুরাহা করা হয়েছে। কীভাবে করা হলো, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি তা এড়িয়ে যান। সালিসে উপস্থিত থাকা শমসের আলী নামের এক মাতব্বর বলেন, বিচার করলে অনেক কিছু করতে হয়, সবদিক বিবেচনা করে অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিযোগকারী ব্যক্তিকে ১৫ হাজার টাকা, স্থানীয় মসজিদে ২ হাজার টাকা এবং ৩ হাজার টাকার মিষ্টি কিনে সালিসে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পরিবারের পক্ষেও এমনটিও চাওয়া হয়েছিল। উভয় পরিবারের দিক বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তে উভয় পক্ষ খুশি। তবে অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বকুল সরদার জানান, তিনি ঈদের দিন লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। ওই সময় ছুটি থাকায় নোটিশ করতে পারেননি। বিষয়টি দেখার জন্য ইউপি সদস্যের মাধ্যমে স্থানীয় লোকজনদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযোগে কী লেখা ছিল, তা তিনি পড়েননি। কী হয়েছে, তা–ও তিনি জানেন না।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের চেষ্টা হয়ে থাকলে তা গ্রাম্য সালিসে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। যদি থানায় জানানো হয়, তাহলে মামলা নেওয়া হবে।

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
৫ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
৫ ঘণ্টা আগে