চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধি

চতুর্থ দফার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে গত রোববার চারঘাট উপজেলার ছয় ইউপিতে ভোট হয়েছে। এগুলোর মধ্যে নিমপাড়া ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনিরুজ্জামানকে পরাজিত করে জয় পেয়েছেন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান। নৌকার প্রার্থী পরাজয়ের ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম দুলাল ও যুবলীগের নেতা সুজন আলীকে দায়ী করেছেন।
এরই মধ্যে গতকাল সোমবার নিমপাড়া ইউনিয়নে বিজয় মিছিল করেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান। ওই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম দুলাল ও তাঁর ছেলে খলিল হোসেন। যা নিয়ে উপজেলাজুড়ে নেতা-কর্মীদের ভেতর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জেলার সিনিয়র একজন নেতার এমন আচরণে উপজেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিষোদ্গার করছেন।
চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফকরুল ইসলাম বলেন, ‘নিমপাড়ায় আওয়ামী লীগের পরাজয়ের প্রধান কারণ সিনিয়র নেতা সাইফুল ইসলাম দুলাল ও যুবলীগের নেতা সুজন আলীর নৌকার বিরোধিতা। বিএনপি নেতা জয়লাভের পর সাইফুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে বিজয় মিছিল করেছেন। আমাদের জন্য এর চেয়ে লজ্জাজনক আর কিছু হতে পারে না।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নৌকা পরাজিত হওয়ায় আওয়ামী লীগ নেতার বিজয় উল্লাস দেখা আমার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক মুহূর্ত। আমরা বিষয়টি জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। আশা করছি তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম দুলাল বলেন, ‘নৌকার প্রার্থী মনিরুজ্জামান নির্বাচনের ব্যাপারে আমার সঙ্গে একটুও সমন্বয় করেননি। তিনি জয়ের ব্যাপারে অধিক আশাবাদী ছিলেন। এ জন্য পরাজিত হয়েছেন। এখানে আমার দোষ নেই। আর বিএনপি নেতার বিজয় মিছিলে আমি ও আমার ছেলে উপস্থিত ছিলাম না। বিএনপি নেতার সঙ্গে যে ছবিটা দেখানো হচ্ছে সেটা ভোটের পর তারা আমার বাড়ির সামনে এলে তখন কিছু মানুষের অনুরোধে তোলা।’

চতুর্থ দফার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে গত রোববার চারঘাট উপজেলার ছয় ইউপিতে ভোট হয়েছে। এগুলোর মধ্যে নিমপাড়া ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনিরুজ্জামানকে পরাজিত করে জয় পেয়েছেন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান। নৌকার প্রার্থী পরাজয়ের ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম দুলাল ও যুবলীগের নেতা সুজন আলীকে দায়ী করেছেন।
এরই মধ্যে গতকাল সোমবার নিমপাড়া ইউনিয়নে বিজয় মিছিল করেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান। ওই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম দুলাল ও তাঁর ছেলে খলিল হোসেন। যা নিয়ে উপজেলাজুড়ে নেতা-কর্মীদের ভেতর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জেলার সিনিয়র একজন নেতার এমন আচরণে উপজেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিষোদ্গার করছেন।
চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফকরুল ইসলাম বলেন, ‘নিমপাড়ায় আওয়ামী লীগের পরাজয়ের প্রধান কারণ সিনিয়র নেতা সাইফুল ইসলাম দুলাল ও যুবলীগের নেতা সুজন আলীর নৌকার বিরোধিতা। বিএনপি নেতা জয়লাভের পর সাইফুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে বিজয় মিছিল করেছেন। আমাদের জন্য এর চেয়ে লজ্জাজনক আর কিছু হতে পারে না।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নৌকা পরাজিত হওয়ায় আওয়ামী লীগ নেতার বিজয় উল্লাস দেখা আমার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক মুহূর্ত। আমরা বিষয়টি জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি। আশা করছি তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম দুলাল বলেন, ‘নৌকার প্রার্থী মনিরুজ্জামান নির্বাচনের ব্যাপারে আমার সঙ্গে একটুও সমন্বয় করেননি। তিনি জয়ের ব্যাপারে অধিক আশাবাদী ছিলেন। এ জন্য পরাজিত হয়েছেন। এখানে আমার দোষ নেই। আর বিএনপি নেতার বিজয় মিছিলে আমি ও আমার ছেলে উপস্থিত ছিলাম না। বিএনপি নেতার সঙ্গে যে ছবিটা দেখানো হচ্ছে সেটা ভোটের পর তারা আমার বাড়ির সামনে এলে তখন কিছু মানুষের অনুরোধে তোলা।’

কারওয়ান বাজার ও তেজগাঁও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিদেশে থাকা এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান মুছাব্বির খুন হন। এ জন্য বিদেশ থেকে খুনিদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপ
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে আয়োজিত গণভোটে ‘না’ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষক দল নেতা জুয়েল আরমান। তিনি বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে ‘সংবিধানে বিসমিল্লাহ এবং আল্লাহর নামে শুরু করলাম—এটা পরাজিত হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনীক (৩০) নামের এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অনীক ওই এলাকার মো. রানা মোল্লার ছেলে।
৪ ঘণ্টা আগে
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টেলিগ্রামে বিনিয়োগ ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের আরেক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সোহেল মিয়া (৪১)।
৪ ঘণ্টা আগে