বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যাত্রার প্যান্ডেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের এই কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রাপালার আয়োজক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। পুলিশ বলছে, যাত্রার নামে অশ্লীল নাচ এবং জুয়ার আয়োজন করায় প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইউএনও বলেছেন, পুড়িয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি। সরঞ্জাম জব্দ করে নিলাম করা যেত।
গতকাল শনিবার রাতে সারিয়াকান্দি উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের ধারাবর্ষার চরে আয়োজিত যাত্রার প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
যাত্রাপালার আয়োজক ধারাবর্ষার চরের বাসিন্দা জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, চরের মানুষ আধুনিক বিনোদন থেকে বঞ্চিত। দিনে চরের অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজে ব্যস্ত থাকে। রাতে তাদের বিনোদনের জন্য যাত্রা পালার আয়োজন করা হয়।
জিয়াউর রহমান বলেন, ‘সরকারের নিবন্ধিত যাত্রা দল দি নিউ হিরামনি অপেরা যাত্রাদলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করি। শনিবার রাতে ধারাবর্ষার চরে যাত্রা পালার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু রাত ৮টার দিকে চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে পুলিশ গিয়ে আগুন দিয়ে প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেয়। জিয়াউর রহমান বলেন অশ্লীল নাচ এবং জুয়ার আসরের অভিযোগ সঠিক না।’
বোহাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদ খান বলেন, ‘যাত্রায় অশ্লীল নাচ এবং জুয়ার আসর যেন না হয় সে বিষয়ে আয়োজকদের সতর্ক করে দিয়েছিলাম। কিন্তু যাত্রা শুরুর আগেই পুলিশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি।’
এদিকে গত ২৫ নভেম্বর গ্রামীণ যাত্রা ও পালাগানের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয় গ্রামবাংলার ঐতিহ্য যাত্রা ও পালাগান দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এই ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে যাত্রা এবং পালাগান আয়োজনের উদ্যোগ নিতে হবে।
সারিয়াকান্দির চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুরুল হুদা বলেন, ‘ধারাবর্ষার চরে এত দুর্গম যে সেখানে পৌঁছাতে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। আমাদের কাছে সংবাদ ছিল রাত ১২টার পর যাত্রার নামে অশ্লীল নাচ এবং জুয়ার আসর বসানো হবে। এ কারণে আগুন দিয়ে প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও আয়োজকেরা আগে কোনো অনুমতি নেননি।’
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজাউল করিম বলেন, ‘ধারাবর্ষা চরে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই যাত্রার নামে জুয়া এবং অশ্লীলতা হচ্ছে এমন অভিযোগ আসে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও থানা-পুলিশকে তা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তারা যদি সরঞ্জামাদি পুড়িয়ে দেয় তাহলে সেটা ঠিক হয়নি। প্রয়োজনে সরঞ্জাম জব্দ করে নিলাম করা যেত।’

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যাত্রার প্যান্ডেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের এই কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রাপালার আয়োজক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। পুলিশ বলছে, যাত্রার নামে অশ্লীল নাচ এবং জুয়ার আয়োজন করায় প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইউএনও বলেছেন, পুড়িয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি। সরঞ্জাম জব্দ করে নিলাম করা যেত।
গতকাল শনিবার রাতে সারিয়াকান্দি উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের ধারাবর্ষার চরে আয়োজিত যাত্রার প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
যাত্রাপালার আয়োজক ধারাবর্ষার চরের বাসিন্দা জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, চরের মানুষ আধুনিক বিনোদন থেকে বঞ্চিত। দিনে চরের অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজে ব্যস্ত থাকে। রাতে তাদের বিনোদনের জন্য যাত্রা পালার আয়োজন করা হয়।
জিয়াউর রহমান বলেন, ‘সরকারের নিবন্ধিত যাত্রা দল দি নিউ হিরামনি অপেরা যাত্রাদলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করি। শনিবার রাতে ধারাবর্ষার চরে যাত্রা পালার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু রাত ৮টার দিকে চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে পুলিশ গিয়ে আগুন দিয়ে প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেয়। জিয়াউর রহমান বলেন অশ্লীল নাচ এবং জুয়ার আসরের অভিযোগ সঠিক না।’
বোহাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদ খান বলেন, ‘যাত্রায় অশ্লীল নাচ এবং জুয়ার আসর যেন না হয় সে বিষয়ে আয়োজকদের সতর্ক করে দিয়েছিলাম। কিন্তু যাত্রা শুরুর আগেই পুলিশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া ঠিক হয়নি।’
এদিকে গত ২৫ নভেম্বর গ্রামীণ যাত্রা ও পালাগানের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয় গ্রামবাংলার ঐতিহ্য যাত্রা ও পালাগান দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এই ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে যাত্রা এবং পালাগান আয়োজনের উদ্যোগ নিতে হবে।
সারিয়াকান্দির চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুরুল হুদা বলেন, ‘ধারাবর্ষার চরে এত দুর্গম যে সেখানে পৌঁছাতে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। আমাদের কাছে সংবাদ ছিল রাত ১২টার পর যাত্রার নামে অশ্লীল নাচ এবং জুয়ার আসর বসানো হবে। এ কারণে আগুন দিয়ে প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও আয়োজকেরা আগে কোনো অনুমতি নেননি।’
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজাউল করিম বলেন, ‘ধারাবর্ষা চরে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই যাত্রার নামে জুয়া এবং অশ্লীলতা হচ্ছে এমন অভিযোগ আসে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও থানা-পুলিশকে তা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তারা যদি সরঞ্জামাদি পুড়িয়ে দেয় তাহলে সেটা ঠিক হয়নি। প্রয়োজনে সরঞ্জাম জব্দ করে নিলাম করা যেত।’

টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে বিএনপি প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর ১৭ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে এবং ব্যক্তিগত দেনা রয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪৪ হাজার ৭৫৬ টাকা। তাঁর বার্ষিক আয় ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ৭১২ টাকা।
৩৬ মিনিট আগে
বগুড়ার কাহালুতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মমতাজ সোনার (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার বিকেলে কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের গুড়বিশা বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মমতাজ সোনার গুড়বিশা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মালঞ্চা ইউনিয়ন পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান মনজিলা বেগমের স্বামী।
২ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৮ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে চারটি আসনে বইছে ভোটের আমেজ। সব কটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বসে নেই অন্য দলের প্রার্থীরাও। সকাল-বিকেল চালাচ্ছেন প্রচারণা।
৮ ঘণ্টা আগে